০১:০৪ এম
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং ডেল্টা অর্থনীতি শক্তিশালী করার জন্য ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স অত্যন্ত জরুরি।
বৃহস্পতিবার, ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (এসকাপ) এবং ল্যান্ডস্কেপ অ্যালায়েন্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণ: ব্লু কার্বন অর্থায়নের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পরিবেশমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেন, ব্লু কার্বন ইকোসিস্টেমকে জলবায়ু সম্পদ, কমিউনিটি সম্পদ এবং উন্নয়ন সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী
এ বিষয়ে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এছাড়া, জলবায়ু অভিবাসনের বিশ্লেষণের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশে অভ্যন্তরীণভাবে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে।
এ বাস্তবতায়, বাংলাদেশে ম্যানগ্রোভ বন ও উপকূলীয় জলাভূমি শুধুমাত্র পরিবেশগত সম্পদ নয়, বরং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় জলবায়ু অবকাঠামো।
আবদুল আউয়াল মিন্টু আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় অত্যন্ত সজাগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: সদরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা সভা
এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু ও বাস্তুতন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত।
বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়া সহ এ অঞ্চলের দেশগুলো ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় ক্ষয়ক্ষতির মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।
সুতরাং, ব্লু কার্বন ম্যাপিং, কার্বন পরিমাপের অভিন্ন পদ্ধতি এবং আঞ্চলিক কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন: ‘যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে’- আনোয়ার
এ ক্ষেত্রে এসকাপ সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সেশনে পাকিস্তানের পরিবেশমন্ত্রী শেজরা মানসাব আলী খান খারাল, মালদ্বীপের পরিবেশমন্ত্রী আলী শরীফ, এসকাপের নির্বাহী সচিব আরমিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা এবং বিভিন্ন দেশের পরিবেশমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন