বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫১ পি.এম
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি সরকার একটি নিরপেক্ষ, সৎ ও দক্ষ সিভিল সার্ভিস গঠনের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১৪৬, ১৪৭ ও ১৪৮তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সনদ প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।
মো. আব্দুল বারী উল্লেখ করেন, "গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা সচেষ্ট।" তিনি সতর্ক করেন যে, যদি ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে দেশের সিভিল সার্ভিস আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দীর্ঘকালীন ফ্যাসিজমের ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে কর্মকর্তারা যে লক্ষ্য নিয়ে সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেছিলেন, সেই লক্ষ্য থেকে তারা সরে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, "সরকারের রাজনৈতিক বিষয় বাস্তবায়ন করা সিভিল সার্ভিসের কাজ নয়।" সিভিল সার্ভিসের মূল কাজ হলো সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়ন করা।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। হতাশ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। "এই দেশটা গড়ার দায়িত্ব আপনাদের।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "একটা ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" তবুও, সরকার কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি করেছে। তিনি বলেন, "আমরা প্রত্যেকে যদি কাজ করি, তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে।"
আব্দুল বারী আরও বলেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষ জীবন দিয়েছেন, কারণ তারা চেয়েছিলেন যে, এদেশে যেন আর কখনো বৈষম্য ফিরে না আসে। তিনি বলেন, "নিজে কী পেলাম সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো সমাজকে কী দিতে পেরেছি।" সকল ক্ষেত্রে সততা ও দক্ষতাকে সামনে রেখেই এগিয়ে যেতে হবে।
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর ড. মোহাম্মদ আলতাফ উল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও অনুবিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রবীণ অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকারের মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হওয়ার পর অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। লক্ষ্ণৌ যাওয়ার প্রস্তুতির সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান প্রকাশ করেন।
তনুশ্রী ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ভিডিও বার্তায় জানান, নানার মৃত্যুর খবর তিনি পেয়েছেন। তবে তিনি কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। আপাতত তিনি নিজের কাজের প্রতি মনোযোগ দিতে চান। এই অভিনেত্রী পরে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে ইঙ্গিত দেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গোয়ার নিজ বাড়িতে মারা যান নানা পাটেকার। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৫ বছর। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। পরে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নানাকে ঘিরে তনুশ্রীর অভিযোগ
২০১৮ সালে তনুশ্রী দত্ত নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ সিনেমার একটি বিশেষ গানের শুটিংয়ের সময় নানা তাকে যৌন হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ করেন।
নানা পাটেকার তনুশ্রীর অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। এর আগে ২০০৮ সালে তনুশ্রী বিষয়টি নিয়ে সিনে অ্যান্ড টিভি আর্টিস্টস অ্যাসোসিয়েশনে অভিযোগ করেছিলেন। তবে সেটি ফৌজদারি বিষয় হওয়ায় তখন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা যায়।
২০১৮ সালের অক্টোবরে তনুশ্রীর আইনজীবী নীতিন সাতপুতে নানাসহ কয়েকজনের নারকো অ্যানালাইসিস, ব্রেন ম্যাপিং ও লাই ডিটেক্টর পরীক্ষা করার আবেদন করেন। ওই আবেদনে অভিনেতা নানা পাটেকার ছাড়াও কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য, প্রযোজক সামি সিদ্দিকি ও পরিচালক রাকেশ সারংয়ের নাম ছিল।
পুলিশ যা বলেছিল
২০১৯ সালের জুনে মুম্বাই পুলিশ নানার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্ত শেষ করে তাকে ক্লিনচিট দেয়। পুলিশের জমা দেওয়া ‘বি-সামারি’ প্রতিবেদনে তনুশ্রীর অভিযোগকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ’ বা প্রতিশোধমূলক হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে ওই ঘটনা নিয়ে তনুশ্রীর বক্তব্য এবং নানার অস্বীকার—দুই পক্ষের অবস্থানই তখন ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছিল।
শেষ বিদায়
নানার শেষকৃত্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুনের কাছে দোনজের একটি ফার্মহাউসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
নানার মৃত্যুর পর তনুশ্রীর প্রতিক্রিয়া নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তিনি এখনই বিস্তারিত মন্তব্য না করে পরে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে রোহান ইসলাম (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার রায়পুর পারের ঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রোহান ইসলাম কালিকাপুর ইউনিয়নের রায়পুর মধ্যপাড়া গ্রামের জামিরুল ইসলামের পুত্র।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে আত্রাইয়ের ওই এলাকায় হঠাৎ করে ঝড়ো বাতাস এবং ভারী বর্ষণের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। শিশু রোহান স্থানীয় ভবানীপুর বাজার থেকে বাড়ির দিকে রওনা হয়েছিল। পথিমধ্যে সে রায়পুর পারের ঘাট এলাকায় পৌঁছালে তীব্র বজ্রপাতের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তার পরিবার ও স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে, unfortunately, পথিমধ্যেই তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব আলম বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার গুরুদাসপুর উপজেলায় ফ্যামিলি সমাবেশ আয়োজন করেছে জেলা তথ্য অফিস, যা বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার খুবজীপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে ফ্যামিলি সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রোস্তম আলী হেলালী।
জেলা তথ্য অফিসার মো. আ. আওয়াল স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বক্তারা বলেন, "আমরা সরকারের এই কার্যক্রম সম্পর্কে সবাই অবহিত থাকবো এবং অন্যদের অবহিত করবো।"
বক্তারা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে গৃহীত অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ধর্মীয় নেতাদের প্রদত্ত মাসিক সম্মানী ভাতা ইত্যাদি কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি এসব কর্মসূচির সুফল সম্পর্কেও ধারণা প্রদান করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, একটি শিক্ষিত, নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানদের নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের নৈতিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার, দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলিতে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের আরো সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কার টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। ৩৩ বছর বয়সী এই ব্যাটার হঠাৎ করেই এমন ঘোষণা দিয়েছেন।
অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব অব্যাহত রাখবেন ধনঞ্জয়া। তিনি ২০২৪ সালে অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সেই সময়ে দিমুথ করুণারত্নের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।
একটি চিঠির মাধ্যমে নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধনঞ্জয়া। নির্বাচক কমিটিকে পাঠানো চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আমার মনে হয়, পরবর্তী প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সময় হয়েছে।’
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) ধনঞ্জয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। এসএলসির প্রধান নির্বাহী অ্যাশলি ডি সিলভা বলেছেন, ‘টেস্ট নেতৃত্বের জন্য শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ। সঙ্গে ক্যারিয়ারের বাকি সময়ের জন্যও তাকে শুভকামনা।’
প্রায় ২ বছরের মেয়াদে শ্রীলঙ্কাকে ১৮ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন ধনঞ্জয়া। তার অধিনায়কত্বে শ্রীলঙ্কা ৭ টেস্টে জয় পেয়েছে। ৩ টেস্ট ড্রয়ের বিপরীতে বাকি ৮ টেস্টে হারের মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক হিসেবে ৩৬.৪৫ গড়ে ১১৩০ রান করেছেন ধনঞ্জয়া। ৩ সেঞ্চুরির বিপরীতে অফস্পিনে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ