ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাজিলে হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনী লড়াই, নজর রাখছেন ট্রাম্প


ব্রাজিলে হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনী লড়াই, নজর রাখছেন ট্রাম্প

ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রোববার ভোট প্রদান করবেন দেশটির নাগরিকরা। এবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতা চলছে।

এই নির্বাচন শুধুমাত্র ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না, বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থী রাজনীতির যে প্রবণতা জোরালো হয়েছে, ব্রাজিলও সেই পথে যাবে কি না—এমন একটি ইঙ্গিতও প্রদান করবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু

আমাজন রেইনফরেস্টের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে দক্ষিণের কৃষিপ্রধান অঞ্চল এবং বিশাল শহরের বস্তিগুলো—সবখানে ভোটারদের সামনে পরিচিত দুই মুখ। অনেক ভোটার এমন একজনকে বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন, যাকে তারা অন্যজনের তুলনায় কম অপছন্দ করেন।

৮০ বছর বয়সী প্রবীণ বামপন্থী নেতা লুলা চতুর্থ ও শেষ মেয়াদের জন্য প্রেসিডেন্ট হতে চান। তিনি ভোটারদের সতর্ক করে বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের কারণে ব্রাজিলের সার্বভৌমত্ব বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে।

তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৫ বছর বয়সী ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর পুত্র। ২০২২ সালের নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হওয়ার পর অভ্যুত্থানের চেষ্টা করার দায়ে জাইর বলসোনারোকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জনমত জরিপগুলো নির্দেশ করছে, রোববারের প্রথম দফার ভোটে কোনো প্রার্থীই প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে দুই প্রার্থীর মধ্যে ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফার ভোটে মুখোমুখি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আরও পড়ুন: লুলার বিজয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা, ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ

ব্রাজিলের দরিদ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং নিম্নআয়ের ভোটারদের মধ্যে লুলার সমর্থন তুলনামূলকভাবে বেশি। ক্যাথলিক ও নারী ভোটারদের মধ্যেও তিনি এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চল, উচ্চআয়ের ভোটার এবং ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানদের মধ্যে বলসোনারোর সমর্থন বেশি।

ব্রাজিলে দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধেই ভোটারদের একটি বড় অংশের নেতিবাচক মনোভাব বিদ্যমান। তীব্র নির্বাচনী প্রচারে নীতি ও প্রতিশ্রুতির চেয়ে কেলেঙ্কারি এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়িই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

লুলা বলসোনারোকে ‘কেউই নয়’ বলে আক্রমণ করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন, তিনি ‘একটি ভবনের ব্যবস্থাপক হওয়ারও যোগ্য নন।’

অন্যদিকে, নিজের উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য পরিচিত বাবার তুলনায় নিজেকে আরও ‘মধ্যপন্থী’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি লুলাকে ‘অযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘ব্রাজিল আর আপনাকে সহ্য করতে পারছে না।’

আরও পড়ুন: পুতিনের ‘গোপন তহবিল’ থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলছেন ট্রাম্প, রুশ-মার্কিন সম্পর্কে নতুন মোড়

ভোটার উপস্থিতি এবং শেষ মুহূর্তে ভোটারদের সিদ্ধান্ত এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ব্রাসিলিয়ার ৫২ বছর বয়সী মোটরসাইকেল চালক জোয়েলিও কামার্গো বলেছেন, ‘আমি আগে লুলাকে ভোট দিয়েছি। কিন্তু তিনি বয়স্ক হয়ে যাচ্ছেন এবং এবার আমি ভিন্ন কিছু চেয়েছিলাম। তবে বলসোনারোকেও ভোট দেব না। তাই আমি কিছুটা দ্বিধায় আছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলে গেলেন কিংবদন্তি নির্মাতা সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৬ এম


চলে গেলেন কিংবদন্তি নির্মাতা সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাও

ভারতের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাও প্রয়াত হয়েছেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯৪ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়সজনিত নানা জটিলতায় বেশ কিছুদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন এই বর্ষীয়ান নির্মাতা। তাঁর মৃত্যুর খবরটি ‘তেলেঙ্গানা টুডে’ প্রকাশ করেছে।

সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাওয়ের মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করেছেন অভিনেতা বিষ্ণু মাঞ্চুসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকেই। বিষ্ণু তাঁর চলচ্চিত্রের প্রতি ভালোবাসা তৈরিতে এই নির্মাতার কাজের প্রভাবের কথা স্মরণ করে বলেন, সিঙ্গিতম কখনো প্রচলিত চলচ্চিত্র নির্মাণের ধারা বা নির্দিষ্ট কোনো ঘরানার মধ্যে নিজেকে আটকে রাখেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে বিষ্ণু মাঞ্চু লেখেন, ‘এই শোক আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে খুব গভীর। বড় হওয়ার সময় সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাও ছিলেন আমার প্রিয় পরিচালকদের একজন। চলচ্চিত্র নির্মাণের কারিগরি দিক পুরোপুরি বোঝার অনেক আগে থেকেই বিস্ময় নিয়ে তাঁর সিনেমা দেখতাম।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং নিজে চলচ্চিত্রের অংশ হওয়ার পর তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বেড়েছে। তিনি ছিলেন সত্যিকারের চলচ্চিত্রপ্রেমী। কল্পনায় ছিলেন নির্ভীক, সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা করতেন। কখনো নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট ঘরানা বা ছকের মধ্যে আটকে রাখেননি। তাঁর নির্মিত প্রতিটি চলচ্চিত্রই আমাদের কিছু না কিছু শেখায়। প্রতিটি চলচ্চিত্রই যেন একটি পাঠ্যবই।’

সিঙ্গিতমকে নিজের চলচ্চিত্রপ্রেমের অন্যতম অনুপ্রেরণা উল্লেখ করে বিষ্ণু লেখেন, ‘আমার কাছে তিনি সব সময় সেই নির্মাতাদের একজন হয়ে থাকবেন, যাঁরা আমাকে সিনেমার জাদুর প্রেমে পড়তে শিখিয়েছেন। আমরা একজন সত্যিকারের কিংবদন্তিকে হারালাম। তবে তাঁর সিনেমা বেঁচে থাকবে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।’

‘আদিত্য ৩৬৯’ থেকে ‘পুষ্পক বিমান’

১৯৩১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাও ছিলেন পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক, সুরকার ও অভিনেতা। তিনি তেলুগু, কন্নড়, তামিল, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার সিনেমায় কাজ করেছেন। প্রায় ৬০টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন এই নির্মাতা। ভিন্নধর্মী ভাবনা ও প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে গল্প বলার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।

তাঁর সবচেয়ে আলোচিত সিনেমাগুলোর একটি ‘আদিত্য ৩৬৯’। এই বিজ্ঞান কল্পকাহিনিনির্ভর ছবিটি সময় ভ্রমণের গল্প তুলে ধরে তেলুগু সিনেমায় নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা তৈরি করেছিল। ‘ভৈরব দ্বীপম’ ছিল লোককথানির্ভর ফ্যান্টাসি সিনেমা।

আরেকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা ‘পুষ্পক বিমান’। কমল হাসান অভিনীত এই ছবিতে প্রায় পুরো গল্পই কোনো সংলাপ ছাড়াই বলা হয়েছিল। সিনেমাটির এই ব্যতিক্রমী নির্মাণশৈলী সিঙ্গিতমের সৃষ্টিশীলতার অন্যতম উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

কে ভি রেড্ডির সহকারী থেকে নির্মাতা

চলচ্চিত্রে সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাওয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল কিংবদন্তি পরিচালক কে ভি রেড্ডির সহকারী হিসেবে। সেই সময় তিনি ‘মায়াবাজার’ (১৯৫৭) ও ‘জগদেকা বীরুনী কথা’ (১৯৬১)-এর মতো সিনেমায় কাজ করেন।

১৯৭২ সালে তেলুগু চলচ্চিত্র ‘নীতি নিজায়িতি’ দিয়ে পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটে তাঁর। এরপর একের পর এক ভিন্নধর্মী সিনেমা নির্মাণ করে তিনি নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন।

সামাজিক বাস্তবতাকেও তাঁর সিনেমায় গুরুত্ব পেয়েছে। ‘দিক্কাত্র পার্বতী’ (১৯৭৪) তামিল ভাষার সেরা ফিচার ফিল্ম হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়। ‘থারাম মারিন্দি’ (১৯৭৭) অর্জন করে নন্দী পুরস্কারের সেরা ফিচার ফিল্মের সম্মাননা।

নব্বই পেরিয়েও ছিলেন চলচ্চিত্রে

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাও দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, পাঁচটি নন্দী পুরস্কার ও তিনটি কর্ণাটক রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১১ সালে ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া তাঁকে আজীবন সম্মাননা দেয়।

নব্বইয়ের কোঠায় পৌঁছেও চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই নির্মাতা। তাঁর সর্বশেষ পরিচালিত সিনেমা ‘সিঙ্গিতম’। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’খ্যাত নির্মাতা নাগ অশ্বিন।

সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাওয়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করেছেন তাঁর ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। একজন লিখেছেন, ‘এক কিংবদন্তি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সৃষ্টিশীল নির্মাতা সিঙ্গিতম শ্রীনিবাস রাও আর নেই। তাঁর সিনেমা চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘কিংবদন্তি, শান্তিতে থাকুন। আপনি আমাদের স্মৃতিতে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৯ এম


নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭০

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৭০ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো.আরিফ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ অভিযান চালানো হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, ১০ জনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে এবং ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

থানাভিত্তিক অভিযানের মধ্যে হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৪৯ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, ছয়জনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪১ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটক ৩২ জনের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দিয়ে বাকি ২৮ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ছাড়া সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১৮ জনের মধ্যে ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং ১২ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১৭ জন, কবিরহাট থানায় ৯ জন, চাটখিল থানায় ৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৪ জন, সেনবাগ থানায় ৩ জন এবং চরজব্বর থানায় ৩২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আওর বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপু বিশ্বাস ও আদর আজাদের নতুন ব্রাইডাল ফটোশুটে ভক্তদের প্রশংসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


অপু বিশ্বাস ও আদর আজাদের নতুন ব্রাইডাল ফটোশুটে ভক্তদের প্রশংসা

ব্রাইডাল ফটোশুটে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে প্রায়শই দেখা যায়। সিনেমার কাজের ব্যস্ততা কিছুটা কম থাকলে বিভিন্ন মেকওভারের আয়োজনের মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নতুন একটি ব্রাইডাল ফটোশুটে কনে সাজে অপুকে দেখা গেছে। বর সাজে ছিলেন চিত্রনায়ক আদর আজাদ।

সম্প্রতি অপু বিশ্বাস নিজের ফেসবুক পেজে ফটোশুটের কিছু ছবি ও একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেখানে বর-কনের সাজে দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে। ছবিগুলো প্রকাশ করে অপু লিখেছেন, ‘সোনায় মোড়ানো, ভালোবাসায় নোঙর করা।’

ফটোশুটে অপুকে জলপাই রঙের নান্দনিক কাজ করা লেহেঙ্গায় দেখা গেছে। সঙ্গে ছিল হলুদ ওড়না। পোশাকের সঙ্গে ভারী গয়না তার সাজে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। অন্যদিকে, আদর আজাদের পরনে ছিল লাল কাজ করা পাঞ্জাবি। বর-কনের সাজে দুজনকে বেশ কয়েকটি ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা যায়।

কখনো অপুর লাল দোপাট্টার আড়ালে আদর আজাদ, আবার কখনো পাশাপাশি দাঁড়িয়ে দুজনের পোজ—ছবিগুলোতে বিয়ের আবহ ছিল। ফটোশুটের কিছু ছবিতে দুজনকে একই ফ্রেমে দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা করছেন অনেকে। কেউ কেউ তো তাদের জুটি নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তাঁদের একসঙ্গে বেশ মানিয়েছে।

তবে এটি কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়, বরং বিশেষ একটি ব্রাইডাল ফটোশুট। এই আয়োজনের মেকওভার, স্টাইলিং, পোশাক, গহনা ও কনসেপ্টের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন অপু বিশ্বাস।

সিনেমার পর্দায় নিয়মিত জুটি হিসেবে দেখা না গেলেও এই ফটোশুটে অপু বিশ্বাস ও আদর আজাদের রসায়ন নজর কেড়েছে তাঁদের অনুসারীদের। প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো নিয়ে চলছে আলোচনা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সম্পৃক্ততায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩০ এম


হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সম্পৃক্ততায় সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান

হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে সময়মতো টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য মসজিদভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে আয়োজিত অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী।

অনুষ্ঠানে যুগ্ম সচিব এবং মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক এস এম তরিকুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব শেখ মুর্শিদুল ইসলাম, পরিচালক (সমন্বয়) মো. মহিউদ্দিন, ইউনিসেফের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক সরকার সরোয়ার আলম। সভার উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন ইউনিসেফের সিনিয়র ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ডা. মো. শামছুজ্জামান।

সভায় হাম-রুবেলার বর্তমান পরিস্থিতি, টিকাদানের গুরুত্ব, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে ধর্মীয় নেতা ও ইমামদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ইপিআই, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিক্যাল অফিসার ডা. রাজিব সরকার হাম-রুবেলার বর্তমান পরিস্থিতি ও টিকাদান কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

বক্তারা উল্লেখ করেন, শিশুদের হাম ও রুবেলার মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে নির্ধারিত সময়ে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টিকাদান নিয়ে মানুষের মধ্যে বিদ্যমান ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি দূর করতে ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। মসজিদভিত্তিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অভিভাবকদের শিশুদের টিকা দিতে উৎসাহিত করা সম্ভব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী বলেন, শিশুদের সুস্থতা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনসচেতনতা সৃষ্টিতে দেশের মসজিদ, ইমাম ও খতিবদের সম্পৃক্ত করে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো প্রয়োজন।

তিনি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীরা হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ ও পরিকল্পনার বিষয়ে মতামত দেন। এ সময় ডা. শারমিন ও ডা. শান্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেন।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন ইউনিসেফ বিসিওর এসবিসি অফিসার এ আর এম এম কামাল।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ইউনিসেফ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অন্যান্য অংশীজনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভা শেষে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির সফলতা কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%