ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সোনাডাঙ্গা সীমান্তে ৪ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি


সোনাডাঙ্গা সীমান্তে ৪ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি

নওগাঁর সাপাহার সীমান্তের মাধ্যমে নারী ও পুরুষসহ চারজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে, এই প্রচেষ্টা সফল হয়নি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তা প্রতিহত করেছে। বর্তমানে, ঠেলে দেওয়া ওই চারজন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরে সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙ্গা (বিওপি) এলাকা দিয়ে আটিলা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা একজন নারী ও তিনজন পুরুষসহ চারজনকে সীমান্তের গেট খুলে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তবে, তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে (১৪ বিজিবি) সোনাডাঙ্গা বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করে। তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পেরে কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে ভারত অভ্যন্তরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কমলনগরে কোরআনের আলোয় আলোকিত ৫ শিক্ষার্থী, ফয়জুল কোরআন ইসলামী একাডেমির সংবর্ধনা

নওগাঁ ১৪ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ এহসান হাবীব পিএসসি বলেন, ‘বর্তমানে তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর প্রচেষ্টা চলছে। ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। অবৈধভাবে বাংলাদেশে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আনোয়ার হোসেন ওএসডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আনোয়ার হোসেন ওএসডি

দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (এডি) ডা. মো. আনোয়ার হোসেনকে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম কর্তৃক সই করা প্রজ্ঞাপনে গত ২৯ সেপ্টেম্বর এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডা. আনোয়ার হোসেনকে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে। যদি তিনি নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করেন, তাহলে ৫ অক্টোবর থেকে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদিরকে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডা. আনোয়ার হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ডা. এ টি এম নুরুজ্জামানের বক্তব্য জানার জন্যও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তিনি সাড়া দেননি।

ডা. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যা অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। এর মধ্যে রোগীদের খাবার ও পথ্য সরবরাহ, মেডিক্যাল সার্জিক্যাল রিকুইজিশন (এমএসআর) কেনাকাটা, আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, ডা. আনোয়ার দায়িত্বে থাকাকালে হাসপাতালের এমএসআর কেনাকাটায় পছন্দের ঠিকাদারদের নিয়ে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল। এসব কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তার ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে।

অন্যদিকে, হাসপাতালের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. কৃষ্ণকুমার পালের সঙ্গে ডা. আনোয়ার হোসেনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। সংশ্লিষ্টদের দাবি, হাসপাতালের প্রায় ২৫০ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়ম এবং এমআরআই মেশিন কেনার ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আগাম ১৬ কোটি টাকা পরিশোধের অভিযোগে কৃষ্ণকুমারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এসব অভিযোগের সঙ্গে ডা. আনোয়ারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর বিষয়ে হাসপাতালের ক্রয়সংক্রান্ত নথি, সরবরাহ বিল, এমএসআর, কেনাকাটা ও আউটসোর্সিং নিয়োগের তথ্য যাচাই করলেই প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল এবং তার সহযোগী এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছে আদালত।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালতে মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য প্রদান করেন শিমুর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের প্রজ্ঞা পারমিতা দত্ত। তার সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত আগামী ২৬ অক্টোবর আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানির জন্য নির্ধারণ করে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলাটিতে মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালত ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছে।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় সংবাদ পেয়ে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজের ৩০০ গজ উত্তর পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন ঝোপের ভিতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ৩২ বছর বয়সী এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতদেহের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্যে মৃতদেহের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

তদন্তের সময় জানা যায়, মৃতদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর। দাম্পত্য কলহের কারণে ওই বছরের ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭-৮ টার মধ্যে যেকোনো সময়ে শিমুকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ২৯ অগাস্ট মামলাটি তদন্ত করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুরে ছিনতাইয়ের পর হত্যার ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, বিচারক বললেন সমাজের প্রতি মেসেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


মিরপুরে ছিনতাইয়ের পর হত্যার ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, বিচারক বললেন সমাজের প্রতি মেসেজ

চার বছর আগে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সায়মন নামের এক পোশাককর্মীর টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত এই রায়কে ‘সমাজের প্রতি মেসেজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলাম মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রায়ের পূর্বে পর্যবেক্ষণে এই মন্তব্য করেন।

রায়ে হত্যার দায়ে ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসানকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সায়মনের ছিনতাই করা মোবাইল কেনার দায়ে সুজন নামের এক ব্যক্তিকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

১৭ বছরের ওই কিশোর সায়মনের হত্যার রায়ের দিন মঙ্গলবার ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা আসামিরা ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। সুজন পলাতক রয়েছে।

রায় ঘোষণার পূর্বে বিচারক মামলার বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। এরপর বিচারক বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে। ছিনতাইয়ের পর আঘাত করার ঘটনাও ঘটছে। অনেকের মধ্যে ধারণা জন্মেছে, এসব ঘটনায় বিচার হয় না। সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায় না। এ মামলা  ভিকটিমের বয়স ১৭ বছর আর উপার্জনক্ষম ছিল। সমাজের প্রতি মেসেজ দেওয়ার জন্য এ মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত।’

এরপর আদালত আসামিদের সাজার রায় ঘোষণা করেন। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা মেহেদী হাসান বলেন, ‘স্যার, আমরা পোলাপাইন মানুষ, জীবন শেষ হয়ে গেল। বাঁইচ্যা তো লাভ নাই। পরকালে একটা বিচার আছে।’

পরে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। নেওয়ার পথে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তারা বলেন, পুলিশ মারধর করে জোর করে আমাদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করেছে। এদেশে যার টাকা আছে, তার বিচার আছে।

সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতের এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী রেজাউল হক রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০ বছর বয়সী সায়মন মিরপুর-১ নম্বরে সনি সিনেমা হলের পেছনে লিবার্টি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর অফিস থেকে বেতন তুলে দুই সহকর্মী রিফাত হোসেন রাব্বি ও হৃদয় হাসানের সঙ্গে কেনাকাটা করতে মিরপুর-১ এ যান। কেনাকাটা শেষে রাত ৯টার দিকে বাসায় ফেরার পথে, অজ্ঞাতনামা তিন ছিনতাইকারীর একজন আড়ং শপিং সেন্টারের সামনে সায়মনকে বলেন, সে নাকি তার ছোট ভাইকে মেরেছে। ‘কথা আছে’ বলে সায়মন ও রিফাতকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রূপায়ন টাওয়ারের সামনে থেকে রিকশায় করে দারুস সালাম থানার কোনাবাড়ি হয়ে কাঁচাবাজারের সামনে নিয়ে যায়। শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের কাঁচাবাজারের সামনে রিফাতকে নামিয়ে দেওয়া হয় রিকশা থেকে। আর সায়মনকে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের ভেতর নিয়ে যায়। তিন ছিনতাইকারী চাকু বের করে ভয় দেখিয়ে সায়মনের কাছে যা যা আছে দিয়ে দিতে বলে।

সায়মন মোবাইল ও টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। তার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় তারা। সায়মনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে দারুস সালাম থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে দারুস সালাম থানা পুলিশ ইউসুফকে গ্রেফতার করে।

পরে সে ইকবাল ও মেহেদী হাসানও ঘটনার সঙ্গে জড়িত মর্মে স্বীকার করে। সায়মনের মোবাইল বিক্রির টাকা ইউসুফের বাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সুজনের কাছে সায়মনের মোবাইলটি ২২০০ টাকায় বিক্রি করার কথাও সে স্বীকার করে।

মামলার তদন্ত শেষে ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল নিজের কাছে রাখার অপরাধে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন দারুস সালাম থানার এসআই সোহান আহমেদ।

২০২৩ সালের ২ অগাস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

এরপর আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ আদালত থেকে আসামিদের সাজার রায় এলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বিশেষ ভিডিও’ দেখিয়ে ভারতীয় যুবকের কাছ থেকে ৪৯ লাখ রুপি হাতিয়ে নিল প্রতারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


‘বিশেষ ভিডিও’ দেখিয়ে ভারতীয় যুবকের কাছ থেকে ৪৯ লাখ রুপি হাতিয়ে নিল প্রতারক

ভারতের আহমেদাবাদে ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের কাছ থেকে ৪৯ লাখ রুপি ছাড়িয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতারকদের বিরুদ্ধে। ওই যুবককে বোঝানো হয়েছিল যে, একটি ‘নগ্ন ভিডিওতে’ তার মুখ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়।

পরে ওই যুবক পুলিশে অভিযোগ করেন। ইন্ডিয়া টুডে জানায়, এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর একটি অচেনা নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল আসার পর যুবকটি ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হন। কলটি ধরতেই পর্দায় হঠাৎ এক নগ্ন নারীকে দেখা যায়। ভয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে কল কেটে দেন এবং নম্বরটি বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ওই যুবকের কাছে অন্য একটি নম্বর থেকে আবার হোয়াটসঅ্যাপে কল আসে।

কলকারী তাকে জানায়, তার ‘নগ্ন ভিডিও’ ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংক হিসাবে টাকা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। যুবকটি আবারও কল কেটে দেন এবং নম্বরটি বন্ধ করে দেন। এ সময় তিনি একটি ভিডিওও পান, যা পরে মুছে ফেলেন।

এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতারকরা আবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করে। এবার অন্য একটি অচেনা নম্বর থেকে কল করা হয়। কলকারী নিজেকে সঞ্জয় অরোরা বলে পরিচয় দেন এবং দাবি করেন, তিনি দিল্লি সাইবার অপরাধ শাখার কর্মকর্তা। ‘নগ্ন ভিডিও’ নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়ায় যুবকটি ভয় পেয়ে যান। কলকারী তাকে জানান, নগ্ন ভিডিও-সংক্রান্ত অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে এবং আহমেদাবাদ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করতে পারে।

এরপর ওই ব্যক্তি অভিযোগকারীকে কথিত ইউটিউব প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে বলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে একটি ‘নির্ধারিত প্রক্রিয়া’ সম্পন্ন করার কথাও বলা হয়। পরে প্রতারকরা যুবকটিকে আরেকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়, যে নিজেকে ইউটিউবের কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেয়। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি অভিযোগকারীকে বলেন, তার নামে দুটি নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেগুলো মুছে ফেলতে হলে তাকে ৭১ হাজার ২৫০ রুপি দিতে হবে। পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার ভয় এবং কথিত ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে যুবকটি টাকা দিতে রাজি হন। এরপর প্রতারকরা বিভিন্ন কারণে তার কাছে আরো টাকা দাবি করতে থাকে।

তারা বারবার ‘নগ্ন ভিডিও’ ছড়িয়ে দেওয়ার এবং তার ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেয়। যুবকটির দাবি, তাকে পুলিশি ব্যবস্থা ও গ্রেপ্তারের ভয়ও দেখানো হয়। বারবার হুমকি ও দাবির কাছে নতি স্বীকার করে তিনি প্রতারকদের দেওয়া বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ধাপে ধাপে মোট ৪৯ লাখ ৭৮ হাজার রুপি পাঠান।

তবে টাকা পাওয়ার পরও প্রতারকরা তার কাছে আরো টাকা চাইতে থাকে। একপর্যায়ে যুবকটি বুঝতে পারেন যে, তিনি সাইবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর তিনি সাইবার অপরাধ শাখার কাছে যান। তদন্তকারীরা যে ব্যাংক হিসাবগুলোতে টাকা পাঠানো হয়েছে, সেগুলো খতিয়ে দেখছেন। এই প্রতারণায় মোট কতজন জড়িত ছিল, সেটিও জানার চেষ্টা করছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%