ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সউদীকে গোয়েন্দা সহায়তার পাশাপাশি হুথিদের সাথে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র


সউদীকে গোয়েন্দা সহায়তার পাশাপাশি হুথিদের সাথে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের পথ খোলা রেখেছে। পাশাপাশি, সউদী আরবের হুথিবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোয়েন্দা তথ্য (ইন্টেলিজেন্স) ও টার্গেটিং সহায়তা প্রদান করছে ওয়াশিংটন।

সম্প্রতি, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইয়েমেনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার সময় নিশ্চিত করেছেন যে, মার্কিন প্রশাসন বর্তমানে হুথিদের সাথে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এবং পরিস্থিতি শান্ত করার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হুথিদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক অংশীদারিত্ব এবং বিমান হামলা জোরদারের অনুরোধ সউদী আরবের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল। এ বিষয়ে দেশটির পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে সরাসরি সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়। তবে, ট্রাম্প প্রশাসন ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।

আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

যদিও সরাসরি হামলা চালাচ্ছে না, তবুও ওয়াশিংটন রিয়াদকে সম্পূর্ণরূপে খালি হাতে ফিরিয়ে পাঠাচ্ছে না। সউদী বাহিনী যাতে হুথি লক্ষ্যবস্তুগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে আক্রমণ করতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের গোয়েন্দা তথ্য ও 'টার্গেটিং সাপোর্ট' দিয়ে সহায়তা অব্যাহত রেখেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এর অর্থ হলো, আলোচনার টেবিল খোলা রেখে অন্যদিকে মিত্র সউদী আরব ও অন্যান্য মিত্রদের মাধ্যমে হুথিদের কোণঠাসা করার দ্বিমুখী কৌশল অবলম্বন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সাথে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং বিশ্ব অর্থনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি হওয়ায় ইয়েমেন সংকট নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা ওয়াশিংটনের জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা দক্ষতা ও ন্যায়বিচারে বেলাববাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন এসি ল্যান্ড আজিজ সারতাজ জায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ এমাদ মিয়া, নরসিংদী প্রতিনিধি

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৮ পি.এম


ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা দক্ষতা ও ন্যায়বিচারে বেলাববাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন এসি ল্যান্ড আজিজ সারতাজ জায়েদ

নরসিংদীর বেলাব উপজেলা ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালনে সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজ সারতাজ জায়েদ।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানি কমানো, আইনানুগভাবে কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ভূমি অফিসে নামজারি, ভূমি সংক্রান্ত বিবিধ মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করে নথিপত্র ও প্রাসঙ্গিক আইন পর্যালোচনার ভিত্তিতে আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিশেষ করে ভূমি সংক্রান্ত বিবিধ মোকদ্দমার শুনানি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গ্রহণ করে ন্যায়সংগত ও আইনসম্মত আদেশ প্রদানের কারণে সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে মাদক ও অপরাধবিরোধী কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি। উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে বিভিন্ন সময়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাজা প্রদান করেছেন। এতে এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
স্থানীয়দের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার কাছে সততা, দায়িত্বশীলতা ও নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব গুণের সমন্বয়ে আজিজ সারতাজ জায়েদ ভূমি প্রশাসনের পাশাপাশি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় থেকে সাধারণ মানুষের কাছে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন।
তারা আরও বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে আইন ও বিধি অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার প্রবণতা একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ায়। বেলাব উপজেলা ভূমি অফিসে এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে ভূমি সেবা আরও জনবান্ধব হবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউনিয়ায় ডিবি পুলিশের: অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


কাউনিয়ায় ডিবি পুলিশের: অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক

বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. মাহমুদুর রহমান রেজা (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিএমপি গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ আভিযানিক দল কাউনিয়া থানাধীন ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় মেসার্স নাফিজা পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক রিসাইক্লিং নামের একটি কারখানার সামনের পাকা সড়ক থেকে মো. মাহমুদুর রহমান রেজাকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, তার হেফাজত থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক মাহমুদুর রহমান রেজা বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানাধীন লয়াস টাওয়ার, নয়াবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আলহাজ মো. জাকির হোসেন।

বিএমপি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চশিক্ষার নামে সন্তানকে ঢাকায় পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ? কোন পথে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাছুদুর রহমান আসলাম

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


উচ্চশিক্ষার নামে সন্তানকে ঢাকায় পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ? কোন পথে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম

বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ নয়, সন্তানের পড়াশোনা, চলাফেরা ও আচরণে নজর রাখার আহ্বান

সন্তানকে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকার কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে অনেক অভিভাবকই মনে করেন, সন্তান এখন নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে। কিন্তু বাস্তবে সেই সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কী করছে, কার সঙ্গে মিশছে, পড়াশোনায় কতটা মনোযোগী কিংবা তার আচরণ ও মানসিকতায় কী ধরনের পরিবর্তন আসছে—এসব বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা কতটা খোঁজ রাখছেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

উচ্চশিক্ষার জন্য সন্তানকে ঢাকায় পাঠানো মানেই অভিভাবকের দায়িত্ব শেষ নয়। বরং পরিবার থেকে দূরে থাকার এই সময়ে সন্তানের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। কারণ একটি সন্তান কোন পরিবেশে বেড়ে উঠছে, কাদের সঙ্গে মিশছে এবং কোন ধরনের সংস্কৃতির প্রভাব গ্রহণ করছে—এসবই তার ভবিষ্যৎ ব্যক্তিত্ব ও আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

সচেতন মহলের মতে, কোনো সন্তানের কথাবার্তা, আচরণ কিংবা চলাফেরায় হঠাৎ পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বড়দের প্রতি অসম্মান, অশালীন ভাষা ব্যবহার, প্রকাশ্যে অন্য মানুষকে অপমান বা হেয় করার প্রবণতা কিংবা দায়িত্বহীন আচরণকে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে নেওয়া ঠিক নয়।

তাই সন্তান কোথায় পড়ছে, কীভাবে সময় কাটাচ্ছে এবং তার মধ্যে কী ধরনের পরিবর্তন আসছে—অভিভাবকদের সেদিকে নজর রাখা জরুরি। প্রতিদিন অন্তত দুই-চারবার সন্তানের সঙ্গে কথা বলা, তার পড়াশোনা ও দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া এবং সম্ভব হলে মাসে অন্তত একবার সরাসরি গিয়ে দেখা করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।


জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় দেশের সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ রাজপথে নেমেছিল। স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর অন্যায়, নির্যাতন ও অবিচারের অভিযোগে অনেক অভিভাবকও ঘরে বসে থাকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন আসে এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে।

পরবর্তী সময়ে দেশের জনগণ ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকার নির্বাচিত করেছে। ফলে এখন দেশের সামনে নতুন বাস্তবতা। আর এই বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের দায়িত্ব নতুন করে উপলব্ধি করতে হবে।

আন্দোলনের সময় যে তারুণ্য রাজপথে ছিল, সেই তারুণ্যই এখন দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। তাই তাদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় কাজ হলো—শিক্ষাজীবন শেষ করা, জ্ঞান অর্জন করা এবং নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।


আজকের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই আগামী দিনে তৈরি হবে দেশের চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিক্ষক, গবেষক, উদ্যোক্তা, প্রশাসক ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্ব।

কেউ যদি ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়, তাকে প্রকৌশল শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। কেউ ডাক্তার হতে চাইলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। কেউ ব্যারিস্টার কিংবা আইনজীবী হতে চাইলে আইন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য এখন প্রয়োজন মেধা, শিক্ষা, দক্ষতা, সততা ও দায়িত্ববোধ। তাই পড়াশোনা বাদ দিয়ে এখনই মন্ত্রী-এমপি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা কিংবা ক্ষমতার রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার চেয়ে নিজেদের যোগ্য করে তোলাই হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের প্রধান লক্ষ্য।


দেশে ভবিষ্যতে যদি কখনো জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র কিংবা রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর অধিকার দেশের নাগরিকদের থাকবে। শিক্ষার্থীরাও তখন নিজেদের বিবেক ও দায়িত্ববোধ থেকে ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণ মানুষও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়াবে—এটাই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক প্রত্যাশা।

কিন্তু সেই ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নিতে হলে আজকের শিক্ষার্থীদের আগে নিজেদের শিক্ষা ও দক্ষতার ভিত্তি শক্ত করতে হবে।

কারণ একটি দেশের পরিবর্তন শুধু রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয় না; সেই পরিবর্তনকে টেকসই করতে প্রয়োজন শিক্ষিত, দক্ষ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম।


সন্তানকে ঢাকার কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর পর শুধু মাসের খরচ পাঠিয়েই কি দায়িত্ব শেষ?

সন্তান কী পড়ছে? কার সঙ্গে মিশছে? তার কথাবার্তায় কী পরিবর্তন এসেছে? তার চলাফেরা ও সামাজিক আচরণ কেমন? সে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানার দায়িত্ব অভিভাবকেরই।

তাই এখনও সময় আছে। সন্তানকে শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতা নয়, সময় দিন; তার সঙ্গে কথা বলুন, তাকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজন হলে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনুন।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীদেরও মনে রাখতে হবে—**দেশ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি নিজেদেরও পরিবর্তন করতে হবে।

আজকের পড়াশোনা, পরিশ্রম ও যোগ্যতাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি। তাই মন্ত্রী-এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখার আগে নিজেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিক্ষক, গবেষক কিংবা একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখুন।

কারণ দেশকে এগিয়ে নিতে শুধু রাজপথের সাহস নয়, শ্রেণিকক্ষের মেধা, কর্মক্ষেত্রের দক্ষতা এবং চরিত্রের সততাও প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বিদেশিদের তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ, নজরদারি শক্তিশালী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ এম


চট্টগ্রামে বিদেশিদের তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ, নজরদারি শক্তিশালী

চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা পুলিশ বিদেশি নাগরিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রামে। বিদেশিরা কোন এলাকায় অবস্থান করছেন, তারা বৈধভাবে আছেন কি না এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের রেকর্ড রয়েছে কি না, এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি নগরীর খুলশীতে অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের একটি চক্র গ্রেফতার হওয়ার পর সীতাকুণ্ড, আনোয়ারা ও জোরারগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদেশিদের চলাচলের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

পুলিশ সুপার উল্লেখ করেন, বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও কর্মী কাজ করছেন। বৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশিদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তবে খুলশীতে প্রতারণার অভিযোগে ২৫ জন অবৈধ বিদেশি নাগরিক গ্রেফতার হওয়ার পর নজরদারি আরও কঠোর করা হয়েছে।

তিনি জানান, জেলায় মোট কতজন বিদেশি অবস্থান করছেন, তাদের আনাগোনা, বর্তমান ঠিকানা এবং কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ততা আছে কি না, তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, স্বাধীনতার পর থেকে অবৈধ বিদেশিদের তথ্য সংরক্ষণে যে ঘাটতি ছিল, তা দূর করতে কাজ করছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিএসবি)। অবস্থান, পরিচয় ও অপরাধসংক্রান্ত সব তথ্য যুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%