১১:৫০ এম
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমা দেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউক্রেনকে প্রায় ২১২ বিলিয়ন ডলার সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। এই অর্থ বিভিন্ন অনুদান ও ঋণের মাধ্যমে সরাসরি ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র, গোলাবারুদ, সামরিক সরঞ্জাম এবং গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের জন্য দেওয়া সহায়তা এই হিসাবের অন্তর্ভুক্ত নয়।
রুশ বার্তা সংস্থা তাসের হিসাব অনুযায়ী, ইউক্রেনের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই সহায়তার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সহায়তার সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছ থেকে, যা ইউক্রেনকে ৮৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে ৩০ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা করেছে। তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তা বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় সংঘাতে নিহত ৫০ জনের বেশি
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে প্রায় ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, জাপানের কাছ থেকে ১০ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার, কানাডার কাছ থেকে ৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।
এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি সদস্যদেশ থেকেও দ্বিপক্ষীয় আর্থিক সহায়তা ও ঋণ পেয়েছে কিয়েভ। এর মধ্যে জার্মানি প্রায় ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, নরওয়ে ৭১৭ মিলিয়ন ডলার এবং ফ্রান্স ৪৩৭ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে।
এদিকে, রাশিয়া বারবার দাবি করে আসছে যে, ইউক্রেনকে পশ্চিমা দেশগুলোর দেওয়া আর্থিক ও সামরিক সহায়তা যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারবে না। তথ্যসূত্র: তাস
আরও পড়ুন: নির্বাচনে ভরাডুবির পর ট্রাম্প প্রশাসনে অস্থিরতা, পদ ছাড়তে পারেন ৫ মন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন