১১:৫২ এম
নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরের অদূরে আকরাম পয়েন্টে একটি এলএনজি স্টেশন স্থাপন করা হবে। ওই স্থান থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে পাইপলাইন টেনে গ্যাস মোংলায় আনা হবে। এরপর, মোংলায় সেই গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
রোববার বিকেলে মোңলার স্থায়ী বন্দর বাসস্ট্যান্ডে পৌর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব বিষয় উল্লেখ করেছেন।
মোংলায় নৌপরিবহন মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে এই সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলেন মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলী।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
নৌপরিবহন মন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার আমূল পরিবর্তন আনতে চান। তিনি বলেন, "আমরা জন-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে চাই। এটাই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি।"
এছাড়াও, মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, মোংলা নদীর উপর ১০ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। মোংলার বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে অক্টোবরে কাজ শুরু হবে, যা এখানকার ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে।
মন্ত্রীর আরো বক্তব্যে জানা যায়, মোংলা বন্দরে নতুন জেটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মোংলা বন্দরে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করা হবে এবং মোংলা হতে যাচ্ছে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব। সরকার ইতোমধ্যেই এ বিষয়গুলোতে কাজ করছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সমন্বয়ক এম এ সালাম, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান তুহিন, মোল্লারহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান এবং ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল কামাল কারিম।
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতাদের ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠকের দাবি, রাশেদকে চ্যালেঞ্জ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন