মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০৫ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সিএনজি অটোরিকশায় করে বিদেশি মদ বহনের অভিযোগে মোঃ রাশেদ ভূইয়া (নাম অনুযায়ী) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় অটোরিকশাটি তল্লাশি করে ১৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কসবা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিশাড়াবাড়ী এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় কসবা থানা পুলিশের একটি দল। এ সময় একটি সিএনজি অটোরিকশা আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ১৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাশেদ ভূইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাশেদ ভূইয়া কসবা উপজেলার আকছিনা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মোঃ সুধন ভূইয়া।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা মদ ও সিএনজি অটোরিকশাটি বিধি অনুযায়ী জব্দতালিকামূলে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কসবা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদোৎসবের সময় দুর্গার প্রতিমার সামনে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী সোহিনী গুহ রায়। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছিলেন, ‘মা এসে গেছে’। কিন্তু এই পোস্টটি নিয়ে অভিনেত্রী আপত্তিকর মন্তব্যের শিকার হয়েছেন। শুধু সোহিনীকে নিয়ে নয়, মা দুর্গাকেও লক্ষ্য করে অশালীন মন্তব্য করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন সোহিনী।
দুর্গাপূজার আগে প্রতিমা তৈরির ছবি তুলতে কুমোরটুলিতে সাধারণ মানুষ ও তারকারা ভিড় করেন। সেই পরিবেশে উজ্জ্বল হলুদ কুর্তি, লম্বা দুল ও হালকা সাজে মাটির প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন সোহিনী। কিন্তু তার পোস্টের মন্তব্যের ঘরে একের পর এক আপত্তিকর মন্তব্য আসতে শুরু করে। অভিনেত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষা ব্যবহারের পাশাপাশি আরাধ্য দেবী মা দুর্গাকে নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়।
এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সোহিনী। তিনি কলকাতার লালবাজার সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। আপত্তিকর মন্তব্যের স্ক্রিনশট ও অভিযোগের প্রমাণও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী।
নিজের পোস্টে সোহিনী লিখেছেন, ‘সম্প্রতি ফেসবুকে আমার ‘মা এসে গেছে’ পোস্টকে কেন্দ্র করে আমি যে ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছি তা অত্যন্ত দুঃখজনক। শুধু আমাকেই নয়, আমাদের আরাধ্যা দেবী মা দুর্গাকেও অসম্মানজনক মন্তব্যের করা হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, সবকিছুরই একটা সীমা আছে। আর এধরনের হয়রানিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। আপনাদের অনেকেই আমাকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের জানাতে চাই, আমি ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এফআইআর দায়ের করেছি। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি এবং কলকাতা পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।’
আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে সোহিনী আরো বলেন, ঘটনার বিষয়ে সবাইকে অবগত করতেই তিনি স্ক্রিনশটগুলো প্রকাশ করেছেন। আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
এ প্রসঙ্গে তার সংযোজন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আপনাদের অবগত করার জন্যই আমি এই স্ক্রিনশটগুলি শেয়ার করছি। এখন আমি আইনের উপর আস্থা রেখে অপেক্ষা করছি। আইন নিশ্চয়ই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমি বিশ্বাস করি অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো জরুরি। আইনসম্মতভাবেই সঠিক প্রক্রিয়া মেনে সেই লড়াই হওয়া উচিত। কঠিন সময়ে যাঁরা আমার পাশে থেকেছেন, আমাকে সাহস জুগিয়েছেন এবং সঠিক পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করেছেন, তাদের প্রত্যেককে আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনাদের সমর্থন ও ভালোবাসা আমার কাছে অনেক মূল্যবান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি চত্বরের নাম গত কয়েক বছরে তিনবার পরিবর্তন করা হয়েছে।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে স্থানটির নাম ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চত্বর’ রাখা হয়েছে। একই স্থানে বারবার নাম পরিবর্তনের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, যখন যে দল বা সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের পছন্দের নামে চত্বরটির নামকরণ করা হয়ে থাকে। ২০২০ সালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর স্মারক হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল ও মুজিব চত্বর’ স্থাপন করা হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক তন্ময় দাসের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এটি উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।
পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের ওই চত্বরের নাম ‘ওসমান হাদি চত্বর’ ঘোষণা করেন জুলাই সর্বদলীয় ঐক্যজোটের নেতাকর্মীরা। এ সময় নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হারুনুর রশীদ আজাদসহ জামায়াত, শিবির ও জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে স্থানটির নাম ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চত্বর’ ঘোষণা করা হয়। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই নামকরণের ঘোষণা দেন।
একই স্থানে বারবার নাম পরিবর্তনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকের মতে, নতুন কোনো স্থাপনা বা চত্বর নির্মাণ না করে বিদ্যমান স্থাপনাগুলোর নাম বারবার পরিবর্তন করা সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী।
এদিকে নোয়াখালী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর কোনো স্থাপনার নামফলক মুছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে চত্বর করার ইচ্ছা দলটির নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি সস্তা রাজনীতি করে না। নোয়াখালীতে কেউ নিজ উদ্যোগে এমন কিছু করলে তার দায় বিএনপি নেবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নুরুল আমিন খান আরও লেখেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে এক নামে আর ক্ষমতায় না থাকলে অন্য নামে চত্বর করার সংস্কৃতির অবসান হওয়া উচিত।’
নোয়াখালী জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক রবিউল হাসান পলাশ বলেন, ‘কোনো চত্বরের নামকরণ করতে সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হয়। মুজিব চত্বর করার সময় তা মানা হয়েছিল কি না জানি না। ঠিক একইভাবে হাদি চত্বর করার সময় সরকারি অনুমতি নেয়া হয়েছিল কি না তা-ও জানা নেই। এখন শহীদ জিয়া চত্বর করতে জেলা প্রশাসকের অনুমতি নেয়া হয়েছে কি না, তা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদই ভালো বলতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। দেশটির অভিবাসন পরিষেবা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনের শেষ নাগাদ জাপানে ৪২ লাখ ৮১ হাজার ২৬ জন বিদেশি নাগরিক বসবাস করছিলেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষের তুলনায় এ সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৩১ বেড়ে গেছে।
জাপানের সংবাদমাধ্যম এনএইচকে ও জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বসবাসের অনুমতির ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদেশি স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে রয়েছেন। তাঁদের সংখ্যা ৯ লাখ ৬১ হাজারের বেশি। এরপর প্রকৌশলী, মানবিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক সেবায় কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের সংখ্যা রয়েছে। এ শ্রেণিতে ৫ লাখ ১৬ হাজারের বেশি মানুষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপানে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন।
নাগরিকত্বের দিক থেকে জাপানে সবচেয়ে বেশি চীনের নাগরিক বসবাস করছেন। তাঁদের সংখ্যা ৯ লাখ ৪১ হাজারের বেশি। পরবর্তীতে ভিয়েতনামের নাগরিক রয়েছেন ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৮০০ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক সংখ্যা ৪ লাখ ৮ হাজার ৭০০। ফিলিপিন্সের নাগরিকদের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৬৩ হাজার।
এদিকে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ বিদেশি নাগরিক জাপানে প্রবেশ করেছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা সামান্য কমেছে।
জাপানে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি নিয়ে প্রবেশকারীর সংখ্যা কমেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এ ধরনের অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেছেন ৬৩৫ জন, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে সংখ্যাটি ছিল প্রায় ৩ হাজার ৩০০। ২০২৫ সালের অক্টোবরে এ ধরনের অনুমতি পাওয়ার শর্ত কঠোর করা হয়েছিল। এর ফলে সংখ্যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত জাপানে বসবাসের অনুমতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ৬৫ হাজার ২০০ বিদেশি নাগরিক দেশটিতে অবস্থান করছিলেন। জানুয়ারির হিসাবের তুলনায় এ সংখ্যা ৩ হাজার ৩০০ কম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবে হামলার খবর এবং একের পর এক ক্রীড়া আয়োজন পিছিয়ে যাওয়ার কারণে ২০২৭ এএফসি এশিয়ান কাপের আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল প্রতিযোগিতাটি নির্ধারিত সময়েই আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব।
স্থানীয় আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলছে। আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের স্থানীয় আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, মাঠ, অবকাঠামো এবং আনুষঙ্গিক সেবাসহ টুর্নামেন্ট আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে।
কমিটির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আয়োজন ও পরিচালনার সব ক্ষেত্রে প্রস্তুতি অনুমোদিত সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে ভেন্যু, সুযোগ-সুবিধা এবং সহায়ক সেবার কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘টুর্নামেন্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা অব্যাহত থাকবে এবং প্রতিযোগিতাটি সফলভাবে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।’
হামলার পর বাড়ছে অনিশ্চয়তা
সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলার পর আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসর আয়োজনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। গত শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এই পরিস্থিতির প্রভাব সৌদি আরবের ক্রীড়া সূচিতেও পড়তে শুরু করেছে। টেনিসের প্রদর্শনী প্রতিযোগিতা সিক্স কিংস স্ল্যাম অক্টোবর থেকে পিছিয়ে ডিসেম্বরে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ফিফা ও সৌদি ই-স্পোর্টস ফেডারেশন ফিফা-ই ফাইনালস ২০২৬ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
একের পর এক আয়োজনের সূচি পরিবর্তনের কারণে এশিয়ান কাপের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
পিছিয়ে যেতে পারে এশিয়ান কাপ
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা চলতি সপ্তাহে জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে ২০২৭ এশিয়ান কাপ এক বছর পিছিয়ে ২০২৮ সালে আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
তবে আয়োজক কমিটি এখনই প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে, যেন টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত নিশ্চিত করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ