বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:০৬ এম
ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে নিহতদের মধ্যে আরও দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের দুজনের বাড়ি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে এলাকার খবর শোনার পর নিহতদের স্বজনরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের একজন আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুচ সরদারের ছেলে। পেশাতে তিনি ছিলেন ঘের ব্যবসায়ী। অপর নিহত ব্যক্তি একই উপজেলার বাসিন্দা রেবতী সরকার। তবে তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
নিহত সাজুর নিকটাত্মীয় মোখলেছুর রহমান পল্টু জানিয়েছেন, কোমরব্যথার চিকিৎসা নিতে ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে গিয়েছিলেন। বুধবার তার বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বুধবার রাত ১০টার দিকে স্বজনরা খবর পান, হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিনি নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেশী হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেছেন, প্রায় ৭-৮ বছর আগে হজ পালন করে দেশে ফিরে সাজু জানিয়েছিলেন, তিনি আর বিয়ে করবেন না। এরপর থেকে তিনি অবিবাহিত জীবনযাপন করছিলেন। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এক বছর আগে সাজুর মা মারা যান। তার আগে মারা গেছেন তার বাবা। চার ভাইয়ের মধ্যে সাজু ছিলেন সবার ছোট। তার মেঝো ভাই রাজু সরদারও মারা গেছেন। বর্তমানে বড় ভাই সাহেব সরদার ও সেঝো ভাই উজ্জ্বল সরদার জীবিত আছেন। সাজুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের মাতম চলছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঘটনাটি জানার পর নিহতদের পরিচয় এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার ওই আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাত বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, হোটেলটিতে প্রায় ২৫ জন বাংলাদেশি অবস্থান করছিলেন। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্য রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে হামের পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহতর হয়ে উঠছে। আক্রান্ত এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এখন পর্যন্ত চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম ও সন্দেহজনক হামসহ মৃত্যুর সংখ্যা ১৪০ জনে পৌঁছেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের ২০ আগস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে সন্দেহজনক হামের ১৩১ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে রয়েছে ৩৪৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৯৮৮ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩২০, হবিগঞ্জে ১৫৩, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া শিশুটির বয়স ছিল ৮ মাস। সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। শিশুটির বাড়ি কানাইঘাটে।
জেলা হিসেবে সন্দেহজনক হাম রোগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে সুনামগঞ্জে, যেখানে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর রয়েছে সিলেট ৫০, হবিগঞ্জ ১৪ এবং মৌলভীবাজারে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হাম রোগেও চার জেলায় মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সব মিলিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হওয়া, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত থাকায় সিলেটে হামের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ অনেক বেশি বেড়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সবশেষ ৫ দফা দাম সমন্বয়ে ৪ বারই বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এর মধ্যে সবশেষ টানা ২ দফায় বেড়েছে মোট ৬ হাজার ৭ টাকা।
সবশেষ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে টানা ২য় দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, সবশেষ গত ১৫ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫৩ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫১ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ২৩৩ টাকা বেড়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৩৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৩০ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সাম্প্রতিক সময়ের ৫ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ৪ বারই বেড়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে সবশেষ টানা ৩ দফায় মোট ৭০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে টানা ৩য় দফা রুপার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। এই দফায় সংগঠনটি ভরিতে ২৩৩ টাকা বাড়িয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম হবে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার এবং রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, গত ১১ আগস্ট রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকে।
এভাবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এখানে ৩৩ দফা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে; এবং ৩০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে দাম বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
এদিকে, ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এভাবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৫৩ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫১ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; এখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। প্রায় ১৫–১৬ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসক না থাকায় সাধারণ রোগীদের কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের ওয়াশরুমসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর অবস্থাও সন্তোষজনক নয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি থাকলেও এর পূর্ণাঙ্গ সুফল পাচ্ছেন না এলাকার মানুষ।
এ অবস্থায় হাসপাতালটির সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী নিশ্চিতকরণ এবং অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানের মাধ্যমে ১০ শয্যার হাসপাতালটিকে পুনরায় কার্যকর ও জনবান্ধব চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হোক।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিলে হাসপাতালটি আবারও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসবে এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডসহ আশপাশের প্রায় ১৫–১৬ হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ