শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৩ পি.এম
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, বিরোধী দল যেদিন শপথ গ্রহণের সময় উপস্থিত ছিল না, সেদিন থেকেই তারা সরকারি দলের প্রতি অসহযোগিতা করে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, "প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত বিরোধী দল প্রতি মুহূর্তে সরকারি দলকে সব ধরনের অসহযোগিতা করে যাচ্ছে।" এ্যানি আরও বলেন, "এই অসহযোগিতার কারণে কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়। যদি বিরোধী দল এই সুযোগটা না দিত, লংমার্চ যদি না করত, তাহলে এই সুযোগটা পেত না।"
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী জিল্লুর রহিম কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিশেষায়িত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চক্ষু শিবির ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এই আয়োজনের আয়োজন করে জেলা ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ও লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ এ-৩।
এ্যানি বলেন, "বিরোধী দল সংসদে বসে ভালো কথা বলে। কিন্তু বাইরে গিয়ে ভালো কথা বলছে না।" তিনি উল্লেখ করেন, "গত ১৭ বছর যারা অত্যাচার-নির্যাতন করেছে তারা দুই-এক জায়গায় ঝটিকা মিছিল করে, আবার পালিয়ে যায়। এই সুযোগটা তো তারা পাচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "এখন যারা বিরোধী দল আছে, আজকে তারা রংপুর যাচ্ছে ঢাকা থেকে। তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গিয়েছে। তারা গ্যাসের জন্য আন্দোলন করছে, তেলের জন্য আন্দোলন করছে, যে বাংলাদেশে গ্যাস নাই, তেল নাই, তারেক জিয়াকে এখনই গ্যাস দিতে হবে, এখনই সমস্ত বিদ্যুৎ দিতে হবে। আমরা তো একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দায়িত্ব পেয়েছি। আমরা এসেই কি ৬ মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ সব দিয়ে দিতে পারব?"
তিনি আরও মন্তব্য করেন, "বিরোধী দল যে লংমার্চ অথবা রোডমার্চ করছে, সেখানে কি তেল খরচ হচ্ছে না? রাস্তাঘাটে কি মানুষের ক্ষতি হচ্ছে না? মানুষের চলাফেরার মধ্যে জ্যাম সৃষ্টি হচ্ছে না? অসুস্থ রোগীদের কষ্ট পোহাতে হচ্ছে না? তাহলে বিরোধী দল কি এটা কোনো ভালো কাজ করল?" তিনি প্রশ্ন করেন, "কিন্তু উনারা বারবার সংসদে বলছেন তারা সরকারকে সহযোগিতা করবেন। সরকারকে সহযোগিতার নমুনা যদি এই ধরনের হয়, এটা কি সহযোগিতা হলো?"
এ্যানি বলেন, "একটা চাপে রেখে তারা (বিরোধী দল) ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসতে চায়। এভাবে কি ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসা যায় নাকি? এবার ক্ষমতায় আসতে চেয়েছে, বেহেশতের কথা বলে। ভোটের এক সপ্তাহ আগে হাতের ভেতর আইডি কার্ড নিয়ে টাকা দিয়ে কিছু ভোট নিয়েছে। আমাদের কিছু মানুষের দুর্বল জায়গায় আঘাত করে কিছু ভোট নিয়েছে। এজন্য ভবিষ্যতে আমাদেরকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।" তিনি সতর্ক করে বলেন, "কোনো ধরনের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ও জনগণের ক্ষতি করবে, বিএনপি এবং তারেক রহমানের সরকার এটা মেনে নেবে না। কারণ আমরা জনগণের জন্য দীর্ঘদিন থেকে লড়াই-সংগ্রাম করতে করতে এখানে এসেছি।"
এ্যানি বলেন, "৫ই আগস্টের জন্য ১৭ বছর আমাদেরকে লড়াই-সংগ্রাম করতে হয়েছে। হঠাৎ করে ৫ই আগস্ট আসেনি। এই ৫ই আগস্ট আসার ক্ষেত্রে আপনারা-আমরা, আমাদের ছাত্র-যুবক, তরুণ-তরুণী তারা মাঠে থেকে আন্দোলন করেছে। আন্দোলন করে এই প্রেক্ষাপটটা তৈরি করেছে বলেই ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনে আমরা এই দেশের দায়িত্ব পেয়েছি, দায়িত্ব পরিচালনা করছি।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড়, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক সংকট নিয়ে আলোচনা, কূটনৈতিক নেগোশিয়েশন, জোট গঠন, প্রস্তাব প্রণয়ন ও ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ করেছেন জাতিসংঘের আদলে।
পঞ্চগড় পাইওনিয়ার্স দুই দিনব্যাপী মডেল ইউনাইটেড ন্যাশনস আয়োজন করেছে, যা তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, নেতৃত্ব এবং যুক্তিভিত্তিক চিন্তার সঙ্গে পরিচিত করার উদ্দেশ্যে।
ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধির ভূমিকায় অংশগ্রহণ করেন।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে পঞ্চগড় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইন্সটিটিউট মাঠে এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের উদ্বোধন করেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
প্রথম দিনেই জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে শরনার্থী সংকট, মানবিক অধিকার ও নিরাপদ আশ্রয় বিষয়ক প্রস্তাব ও যুক্তি তর্কে অংশ নেয় বিভিন্ন দেশ ও সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধি শিক্ষার্থীরা।
আয়োজকরা জানান, মূল সম্মেলনের আগে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তুত করতে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকায় অফলাইন ও অনলাইন কর্মশালা পরিচালনা করা হয়, যেখানে জাতিসংঘের কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, বিতর্ক, পাবলিক স্পিকিং, ক্রিটিক্যাল থিংকিং এবং নেতৃত্ব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়। পরে চূড়ান্ত অংশগ্রহণকারীদের বাছাই করা হয়।
পঞ্চগড়ের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও কূটনীতির সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি পাবলিক স্পিকিং, নেগোশিয়েশন, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, নেতৃত্ব এবং যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য, জানান পঞ্চগড় ১ আসনের সংসদ সদস্য ও পঞ্চগড় পাইওনিয়ার্সের পরিচালক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, লেখক ও আইনজীবী ব্যারিস্টার নওফেল জমির, বিএনপি নেতা আদম সুফি এবং পঞ্চগড় পাইওনিয়ার্সের অন্যান্য সদস্যরা। আজ শনিবার এই সম্মেলন শেষ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি উল্লেখ করেছেন যে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা), টিআর (টেস্ট রিলিফ), জিআর (জেনারেল রিলিফ), ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) এবং খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং প্রান্তিক জনগণের মধ্যে আর্থিক প্রবাহ সঞ্চারিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, খাল খনন বর্তমান সরকারের প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচিত। শুষ্ক মৌসুমে চাষাবাদ, বর্ষা মৌসুমে দ্রুত পানি নিষ্কাশন এবং খালে মাছ চাষ ও খালপাড়ে গাছ লাগানোর মাধ্যমে এই প্রকল্প গ্রামীণ জনজীবনে আমূল পরিবর্তন আনবে।
এ বিষয়ে তিনি জানান, আগামী ১৯ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মডেল খাল’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘ডিআরআরও (জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা) ও পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এমপি বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দকৃত কোনো টাকা যেন ফেরত না যায় এবং অর্থের অপচয় না ঘটে, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে সারাদেশ থেকে আগত জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাগণ (পিআইও) অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নিশ্চয়ন ও মাইগ্রেশনের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় এই প্রক্রিয়া শেষ হয়। এখন শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করছে, কোন কলেজে তারা চূড়ান্তভাবে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, সেই ফলের জন্য।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল দেখতে সক্ষম হবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে এই তথ্য প্রদান করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার রাতে প্রকাশিত ফলাফলে কোন শিক্ষার্থী কোন কলেজ বা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তা জানা যাবে।
এর আগে, গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কলেজে ভর্তি আবেদনের প্রথম ধাপের ফল প্রকাশিত হয়। ওই ফলাফলে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পেয়েছে। তবে জিপিএ-৫ পেয়েও ২ হাজার ২০৫ শিক্ষার্থী কোন কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পায়নি।
ভর্তি ফি কত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, এবারের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানভেদে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্ত বা নন-এমপিও অবস্থান, বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন এবং এলাকার ভিত্তিতে এই ফি নির্ধারণ করা হবে।
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি ৫ হাজার টাকা। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মহানগর বা বিভাগীয় শহরে এই ফি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা।
জেলা পর্যায়ের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকার এমপিওভুক্ত কলেজে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর এলাকায় বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে ৮ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি নেওয়া যাবে।
জেলা সদর এলাকায় বাংলা ভার্সনে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে ৪ হাজার টাকা। উপজেলা ও মফস্বল এলাকার কলেজে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে ৩ হাজার টাকা ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, আগামী বছর ‘মিড ডে মিলে কুকড মিলে’র একটি প্রকল্প সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পার্বত্য অঞ্চলের স্কুলগুলোতে শিগগিরই ‘মিড ডে মিল’ কার্যক্রম শুরু হবে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘সরকার কতখানি এগোলো? প্রাথমিক শিক্ষার ওপর আলোকপাত’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে তিনি এই তথ্য দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার পরিবর্তনের সুফল আগামী ৫ বছরের মধ্যে পাওয়া যাবে।
শিক্ষকদের দাবি প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ জানান, নতুন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষকরা তাদের প্রোপোজাল জমা দেবেন এবং আগামী বছরের মধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে এটি শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৮ সালের মধ্যে সরকারি, বেসরকারি, ইবতেদায়ী, মাদরাসা সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে সরকার।’
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আরও জানান, সরকার স্কুলের সময়সীমা এক শিফটে আনার পরিকল্পনা করছে। ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলামে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ