১১:৩৭ পি.এম
পাঞ্জাবে দিনমজুরি, নিজের জমির আখ ও মহিষ বিক্রি করে স্ত্রীর পড়াশোনার খরচ জোগানোর দাবি; ১৪ বছরের সংসারে আট বছরের সন্তান, চাকরির পর সম্পর্ক বদলের অভিযোগ
স্ত্রীর নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণে দিনের পর দিন দিনমজুরি করেছেন, নিজের জমির আখ বিক্রি করেছেন, এমনকি মহিষও বিক্রি করেছেন—এমন দাবি উত্তরপ্রদেশের দিনমজুর রাজেশ কুমার বর্মার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করে স্ত্রী ANM কোর্স শেষ করে সরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পরই দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।
রাজেশের দাবি, স্ত্রীর পড়াশোনার খরচ জোগাতে তিনি পাঞ্জাবে দিনমজুরি করার পাশাপাশি নিজের জমিতে আখ চাষ করেন। প্রয়োজনের সময় মহিষ ও আখের ফসল বিক্রি করে স্ত্রীর পড়াশোনার ব্যয় বহন করেছেন বলেও জানান তিনি।
তাঁর অভিযোগ, চাকরি পাওয়ার পর স্ত্রী তাঁর সঙ্গে সংসার করতে আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। দীর্ঘ ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাঁদের আট বছরের একটি সন্তান রয়েছে। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে অনেক বিষয় নীরবে সহ্য করছেন বলেও দাবি করেন রাজেশ।
রাজেশের ভাষ্য, “স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে আমি নিজের সামর্থ্যের শেষটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের পরই যদি দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়, তা একজন স্বামীর জন্য অত্যন্ত কষ্টের।”
এ ঘটনায় রাজেশ পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে তাঁর স্ত্রীর বক্তব্য বা পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্বের প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের আইনগত সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এখন মূল প্রশ্ন—যে সংসারে একজন স্বামী স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ত্যাগের দাবি করছেন, সেই সংসারেই চাকরি পাওয়ার পর কেন দূরত্ব তৈরি হলো? উত্তর মিলবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত প্রক্রিয়ায়।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন