ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারত থেকে ফেরার সময় ‘মল-মূত্র’ সঙ্গে নিয়ে যাবেন পুতিন!


ভারত থেকে ফেরার সময় ‘মল-মূত্র’ সঙ্গে নিয়ে যাবেন পুতিন!

ব্রিক্‌স সম্মেলনে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রোববার সম্মেলন শেষ করে দেশের ফেরার কথা রয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর এই নেতার। এ সময় নিয়ে নিজের মল-মূত্র সঙ্গেও নিয়ে যাবেন তিনি।

বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও পুতিনের নিরাপত্তার জন্য এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ‘দ্য এক্সপ্রেস ইউএস’।

গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, পুতিনের স্বাস্থ্য সম্পর্কে যাতে কোনও তথ্য কারও হাতে না যায়, সে কারণেই বিদেশসফরের সময় রুশ প্রেসিডেন্টের মলমূত্র সংগ্রহ করে মস্কোয় ফেরত নিয়ে আসেন তার দেহরক্ষীরা। পুতিনের মল-সহ সমস্ত মানববর্জ্য সংগ্রহ করেন একটি প্যুপ স্যুটকেসে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এ ছাড়াও, পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে ‘চেগেট’ নামে পরিচিত রাশিয়ার পারমাণবিক কমান্ড ব্রিফকেসের কথাও প্রায়ই উঠে আসে। এই ব্যবস্থা রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অংশ।

এটি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে রাখা হয় এবং প্রয়োজন হলে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সিএনএন-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পুতিন ক্রমাগত তার নিরাপত্তা বাড়িয়ে চলেছেন। পুতিনের আশপাশে কর্মরত কর্মীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি নেই। তাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হয়। পুতিনের সঙ্গে দেখা করার আগে হাতঘড়িও খুলে রাখতে হয়।

এ ছাড়াও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যেখানেই যান, সঙ্গে পৌঁছে যায় নজিরবিহীন নিরাপত্তার এক বিশাল আয়োজন। নিরাপত্তা বেষ্টনীর নজর এড়িয়ে মাছি গলারও সাধ্য নেই।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

মূলত, পুতিনের গতিবিধি ও শারীরিক অবস্থার ন্যূনতম কোনও তথ্য যাতে বিদেশি শক্তির নাগালে না আসতে পারে তার জন্য সদাজাগ্রত প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রক্ষীরা। ভারতেও তার অন্যথা হওয়ার জো নেই।

রাশিয়া অনুসন্ধানকারী সংবাদসংস্থা ডসিয়ার সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার জন্য একটি বিশেষ বাহিনী রয়েছে, যার নাম রাশিয়ান প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস বা এসবিপি।

এই সংস্থাটি রাশিয়ার ফেডারেল প্রোটেক্টিভ সার্ভিস বা এফএসও-এর অধীনে কাজ করে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার শিকড় সোভিয়েত আমলের গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি-র সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পুতিন নিজেও একসময় কেজিবি-র এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।


এই এফএসও-তে প্রায় ৫০,০০০ কর্মী নিযুক্ত রয়েছেন। এই সংখ্যাটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সুরক্ষা প্রদানকারী সিক্রেট সার্ভিস কর্মীদের সংখ্যার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি। পুতিন সব সময় ৩০ জন সশস্ত্র রক্ষী দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকেন। এ ছাড়া তাঁকে ঘিরে থাকা শত শত মানুষের মধ্যে এফএসও এজেন্টরা মিশে থাকেন।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

পুতিনের সফরকালে শ্যেনদৃষ্টিতে নজর রাখেন তারা। কালো সুট ও ইয়ারফোন গোঁজা এসবিপি রক্ষীরা ছায়ার মতো দিন-রাত পুতিনকে অনুসরণ করেন। ইউরোপীয় গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুসারে, পুতিন যখন অন্য রাষ্ট্রে সফর করেন, তখন তার নিরাপত্তা চারটি স্তরে বিভক্ত থাকে।

পুতিনের নিরাপত্তা বলয়ের প্রথম স্তরে থাকেন পুতিনের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা। কালো পোশাক পরে, ইয়ারফোন কানে গুজে প্রেসিডেন্টের খুব কাছাকাছি ঘোরাফেরা করেন তারা। দ্বিতীয় স্তরে যাঁরা নিয়োজিত থাকেন তাঁরাই সবচেয়ে ধুরন্ধর। এদের চলাফেরা ও কাজকর্ম অত্যন্ত গোপনীয়। এমন গুপ্তচরদের নিয়ে গঠিত যারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে প্রায় অদৃশ্য হয়ে থাকেন।

তৃতীয় স্তরটি বহিরাগতদের পুতিনের কাছে আসতে বাধা দেয়। নিরাপত্তাকর্মীরা পুরো এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে কোনও অপরিচিত ব্যক্তিকে দূরে রাখে। বলয়ের চতুর্থ স্তরটি সবচেয়ে বাইরের এবং সবচেয়ে মারাত্মক স্তর। এটি স্নাইপারদের নিয়ে গঠিত, যারা কাছাকাছি উঁচু ভবনগুলোর ছাদে অবস্থান করেন। দূর থেকে আসা কোনও হুমকি বা বিপদকে নির্মূল করেন চোখের পলকে।

পুতিনের ভারতসফরকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভারত এবং রাশিয়ার নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সমন্বয় করে একটি বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেছে। পুতিনের বিমান দিল্লিতে অবতরণের পর থেকেই এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয়।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

নিরাপত্তার সবচেয়ে ভিতরের স্তরে থাকেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস বা এসবিপি-র সদস্যেরা। তারা সব সময় পুতিনের সবচেয়ে কাছাকাছি রয়েছেন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে তাঁকে দ্রুত নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে এদেরই কাঁধে।

এর পরের স্তরে রয়েছেন ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজি-র কমান্ডোরা। সন্ত্রাসবাদী হামলা বা কোনও বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই কমান্ডোরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নিরাপত্তার বাইরের স্তর সামলাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

পুতিনের যাতায়াতের রাস্তা, আশপাশের এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তিরও ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ ড্রোন, জ্যামার, এআই-ভিত্তিক নজরদারি এবং মুখমণ্ডল শনাক্ত করার প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি। পুতিনের গাড়িবহরের যাত্রাপথে থাকা উঁচু ভবনগুলোতেও স্নাইপার দল মোতায়েন করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পুতিনের স্থল নিরাপত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হল তার গাড়ি যা ‘চলন্ত বাঙ্কার’ নামেই অধিক পরিচিত। এটি একটি বুলেট ও বোমা নিরোধক অরাস সেনাট মডেলের লিমুজ়িন। রুশ প্রেসিডেন্টকে সড়কপথে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এটি বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে জরুরি অক্সিজেন, রান-ফ্ল্যাট টায়ার, একটি সুরক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পালানোর একাধিক পথ। এর বায়ু পরিশোধন ব্যবস্থা রাসায়নিক ও জৈবিক আক্রমণ থেকেও সুরক্ষা দিতে পারে। টায়ার বা জানলা ভেঙে গেলেও এটির ইঞ্জিন থেমে যায় না।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

ডসিয়ার সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, পুতিন সাধারণত একটি ইলিউশিন আইএল-৯৬-৩০০পিইউ বিমানে ভ্রমণ করেন, যেটিকে রুশ গণমাধ্যম ‘উড়ন্ত ক্রেমলিন’ নাম দিয়েছে। এই বিমানটি ক্ষেপণাস্ত্র-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এনক্রিপ্টেড কনফারেন্স রুম এবং একটি কমান্ড সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত। এমনকি পারমাণবিক হামলার নির্দেশও দিতে পারে সেটি। তবে পুতিন কখনওই একটি মাত্র বিমানে ভ্রমণ করেন না। বরং, একই রুটে অন্তত একটি বা দু’টি সহায়ক বিমান থাকে, যাতে তিনি কোন বিমানে আছেন তা শত্রুপক্ষের হদিস পাওয়া সম্ভব না হয়।

এ ছাড়াও পুতিনের নিরাপত্তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটি হল তার খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নিরাপত্তা। পুতিনের খাবার কখনওই সফররত দেশের হোটেলের রান্নাঘরে তৈরি করা হয় না। রুশ সর্বাধিনায়কের সঙ্গে থাকা রুশ রাঁধুনিরা সমস্ত অন্ন-ব্যঞ্জন প্রস্তুত করেন।

রান্না করার সময় তাদের প্রত্যেককেই দস্তানা পরতে হয়। দিনে বেশ কয়েক বার পোশাকও বদলাতে হয়। হাতে কোনও ক্ষত আছে কি না তা বার বার পরীক্ষা করাতে হয়। পুতিনের মেনুর প্রতিটি উপাদান পরীক্ষা করা হয় এবং খাবার পুতিনের কাছে পৌঁছোনোর আগে সেগুলি তার দেহরক্ষীরা চেখে দেখেন যাতে খাবারে বিষ থাকলে তার প্রভাব প্রথমে তাদের উপরেই পড়ে।

পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও একটি চর্চিত দিক হল তার মলমূত্র সংরক্ষণের বিষয়টি। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ প্রেসিডেন্ট যেখানেই যান, তার মলমূত্র সংগ্রহের জন্য দেহরক্ষীরা ওই স্যুটকেস সঙ্গে করে নিয়ে যান। পুতিনের মলমূত্র সংগ্রহ করে আবার তা রাশিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেছেন, যা দেশীয় উদ্ভাবনকে ল্যাবরেটরি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে রূপান্তরিত করে সরাসরি বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানায়।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন তিনি।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত এই মেলায় দেশীয় উদ্ভাবক এবং উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে একটি টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করেছেন। আয়োজনে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি নতুন এবং সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তৃণমূল পর্যায়ে অনেক সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও ধারণা তৈরি হলেও নীতি সহায়তা, প্রাথমিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে সেগুলো বাস্তবে রূপ পায় না। প্রশাসনিক ও আর্থিক এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করে মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ এবং বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ করাই এই প্রদর্শনীর প্রধান লক্ষ্য।

আগামীকাল মেলার দ্বিতীয় দিনে স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য উদ্ভাবন: সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এই মেলায় কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি), ফরেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফআইসিসিআই) এবং কারিগরি অংশীদার হিসেবে রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরের ভাটখৈর উচ্চ বিদ্যালয়ে এককালীন দাতা সদস্য হওয়ার সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০০ পি.এম


গোমস্তাপুরের ভাটখৈর উচ্চ বিদ্যালয়ে এককালীন দাতা সদস্য হওয়ার সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের ভাটখৈর উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা (ম্যানেজিং) কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ‘এককালীন দাতা সদস্য’ আহ্বান করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এককালীন (এক টার্ম) দাতা সদস্য মনোনয়নের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে। ব্যাংক জমা নিশ্চিত করে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে বিদ্যালয় অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ফরম ও ফি সংক্রান্ত তথ্যাবলি:

দাতা সদস্য ফি: ৫০,০০০/- টাকা (পে-অর্ডারের মাধ্যমে প্রদেয়)

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের শেষ তারিখ: ২০/০৯/২০২৬

বিদ্যালয় অ্যাকাউন্ট নম্বর: ০১০০০০৪২৯১৩৫০৭

আগ্রহী এলাকাবাসীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফরম সংগ্রহ করতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, ভাটখৈরী উচ্চ বিদ্যালয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমাজ থেকে সব অপরাধ মুছে দেবে বিএনপি: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


সমাজ থেকে সব অপরাধ মুছে দেবে বিএনপি: রিজভী

সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ সব ধরনের অপরাধ মুছে দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ কাজে মহিলা দলের নেতাকর্মীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে বিএনপি ক্ষমতায়, আমাদের প্রত্যেকেই সরকারের অংশ। শুধু পদ-পদবি থাকলেই সরকারের অংশ হতে হবে, তা নয়।’

মহিলা দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারে মহিলা দলেরও রক্ত-ঘাম আছে। আপনারাও এই সরকারের অংশ।’

নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের নেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারের এ কর্মসূচি সফল করতে মহিলা দলের নেত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈশ্বিক নৌচলাচলের গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী বাব আল-মান্দাবের নিয়ন্ত্রণ নিল ইয়েমেনের হুতিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


বৈশ্বিক নৌচলাচলের গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী বাব আল-মান্দাবের নিয়ন্ত্রণ নিল ইয়েমেনের হুতিরা

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা শুক্রবার দেশের সম্পূর্ণ লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে এবং তিনটি কৌশলগত দ্বীপ দখল করেছে। এই আকস্মিক অভিযানের ফলে ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর তাদের কর্তৃত্ব আরও দৃঢ় হয়েছে।

এএফপি সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

ইরানের কয়েক মাসের হরমুজ প্রণালী অবরোধের পর নতুন এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

শুক্রবার হুতিদের এই অগ্রযাত্রাকে ইরান স্বাগত জানিয়েছে।

এক সপ্তাহের অভিযানে শত শত মানুষের প্রাণহানির পর ইয়েমেন সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হুথিরা লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খালের দক্ষিণ প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দাবের প্রণালীর ইয়েমেন অংশের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে নিয়েছে।

সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের একজন স্থানীয় কর্মকর্তা শুক্রবার বলেছেন, হুতিরা ‘বাব আল-মান্দাব এলাকা ও মায়্যুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়ে নিয়েছে।’

পরে সরকারের একজন সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হুতিরা প্রণালীর আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ— গ্রেটার হানিশ ও লেসার হানিশ দখল করেছে।

এইভাবে প্রণালীর ওই দুটি দ্বীপও তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। একই সঙ্গে তারা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলীয় এলাকা দখল করেছে।

ওই সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘পশ্চিম উপকূলে আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সব এলাকাই এখন তাদের দখলে চলে গেছে।’

এক প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে জানিয়েছেন, সশস্ত্র ব্যক্তিরা বাব আল-মান্দাবের উপকূলজুড়ে অবস্থান নিয়েছে এবং তারা সামরিক যান নিয়ে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করছে।

বিশেষ করে প্রণালীর মাঝখানে অবস্থিত মায়্যুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ফলে সৌদি আরবের তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে হুতিদের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

গত জুলাই থেকে তারা সৌদি তেলবাহী জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরব ইরানের হরমুজ প্রণালী অবরোধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল দিয়ে তেল পরিবহনের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় লোহিত সাগরপথে তেল পরিবহনের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবের শুক্রবার হুতিদের এই ‘বিরাট বিজয়ের’ জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের গবেষক ফারেয়া আল-মুসলিমি এএফপিকে বলেছেন, ‘এখন ইরানিরা শুধু হরমুজ প্রণালীই নিয়ন্ত্রণ করছে না, তারা মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নৌপথও নিয়ন্ত্রণ করছে।’

এই সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের গড় দাম প্রথমবারের মতো প্রতি গ্যালন ৬ ডলার ছাড়িয়েছে।

এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, সর্বশেষ অগ্রযাত্রার পর সৌদি আরব ছাড়া অন্য সবার জন্য বাব আল-মান্দাব প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিরাপদ।

উভয় পক্ষের সূত্রের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, হুতিদের এই অভিযানে ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা শুক্রবার জানিয়েছে, সংঘাতের কারণে প্রায় ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া এই সংঘাত দেশটির দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের অংশ। ২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা দখল করার পর এই গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

হুতি সমর্থক আবদুলহামিদ দাইফাল্লাহ প্রণালী ও এর আশপাশে গোষ্ঠীটির ‘বড় বিজয়ের’ প্রশংসা করেছেন।

সানা শহরের এই বাসিন্দা বলেছেন, ‘তারা চার বছর ধরে এই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।’

এদিকে দীর্ঘদিনের শত্রু সৌদি আরবের বিরুদ্ধে এ সপ্তাহে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতিরা। এতে সৌদি আরবের কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন ধরে যায় এবং ৭৩ জন আহত হন।

কাপারনিকাস সেন্টিনেল ডেটার বৃহস্পতিবারের স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, মদিনার কাছে কালো ধোঁয়া উড়ছে। ওই এলাকা দিয়ে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন লোহিত সাগর উপকূলের দিকে গেছে।

লোহিত সাগর উপকূলে নতুন অভিযান শুরুর আগেই ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের বড় একটি এলাকা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

সম্প্রতি তারা হোদেইদা ও তাইজ প্রদেশের সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে হামলা চালায় এবং উপকূল ধরে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। বৃহস্পতিবার তারা বাব আল-মান্দাবের উত্তরে অবস্থিত পমাখা বন্দরনগরী ও জুকার দ্বীপ দখল করে।

মোচা থেকে রাতের আঁধারে পালিয়ে আসা ৪৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ এএফপিকে বলেছেন, ঐতিহাসিক শহরটিতে তখন ‘প্রলয়ঙ্করী পরিস্থিতি’ বিরাজ করছিল।

শুক্রবার ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি জানিয়েছেন, তারা তাইজ-মোচা সড়কের আশপাশের এলাকায় গোলাবর্ষণ শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এএফপিকে জানিয়েছেন, তারা বিমান হামলার শব্দ শুনেছেন।

হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরবও বিমান হামলা চালিয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সদর দপ্তর এডেন থেকে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

তবে এতে হুতিদের অগ্রযাত্রা থামানো যায়নি।

হুতি-সমর্থিত গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার মোচা বিমানবন্দরে সৌদি বাহিনী দুটি বিমান হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শহরের সমুদ্রবন্দরে অজ্ঞাত উৎস থেকে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%