মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ পি.এম
গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) এর সদস্য দেশগুলোতে ২০২৫ সালে পর্যটকদের আগমনের সংখ্যা একটি নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। ওই বছরে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন, অর্থাৎ সাড়ে সাত কোটি পর্যটক জিসিসি অঞ্চলে ভ্রমণ করেছেন। এই সংখ্যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৪.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে, পর্যটন খাত থেকে অর্জিত আয় এবং সামগ্রিক অর্থব্যয়ের পরিমাণ ১৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে।
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এআইএম কংগ্রেস ২০২৪-এর একটি গোলটেবিল বৈঠকে এই তথ্যগুলো তুলে ধরেন জিসিসি-র মহাসচিব জাসেম আল-বুদৈবি। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২০ সালে এই খাত থেকে আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ৮৭ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যে এই বিপুল বৃদ্ধি আঞ্চলিক অর্থনীতিতে পর্যটনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে স্পষ্ট করে।
জাসেম আল-বুদৈবি আরও জানান, ২০২৫ সালে পর্যটন খাতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদানের মাধ্যমে জিসিসি অঞ্চলের অর্থনীতিতে মোট ২৫৪ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে। এটি এই অঞ্চলের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১১.৪ শতাংশ। পর্যটকদের সুবিধার্থে এবং আঞ্চলিক সীমান্ত পেরিয়ে যাতায়াত সহজ করতে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর ফলে ২০২৫ সালে প্রাথমিক স্তরের ভ্রমণকারীর সংখ্যা প্রায় ৩.৬ শতাংশ বেড়ে ২ কোটির ঘর অতিক্রম করেছে।
জিসিসির দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মহাসচিব বলেন, গালফ অঞ্চলের লক্ষ্য কেবল নির্দিষ্ট কোনো একক প্রকল্প বা বিনোদন কেন্দ্রে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা নয়, বরং বিমান চলাচল, সমন্বিত অবকাঠামো, আতিথেয়তা খাত, আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিনোদন শিল্পকে একত্রিত করে একটি আন্তঃসংযুক্ত শক্তিশালী জিসিসি পর্যটন বিনিয়োগ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এই দীর্ঘমেয়াদী কৌশল আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: খালিজ টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকার, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে, ২০৩১ সালের মধ্যে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিত প্রায় ৪৫ লাখ নিরক্ষর মানুষের জীবনমুখী এবং কারিগরি দক্ষতায় সমৃদ্ধ করার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুফল অর্জন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নিশ্চিতকরণ এবং ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ কাজে লাগিয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের উদ্দেশ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই) এই উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ। বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার হলো সাধারণ অক্ষরজ্ঞানের সীমা অতিক্রম করে অবশিষ্ট নিরক্ষর জনগণের জন্য প্রায়োগিক সাক্ষরতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘শিক্ষাকে কর্মসংস্থান ও বাস্তব জীবনদক্ষতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে আমরা কেবল বর্ণমালা শেখানোতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না।
২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ কর্মক্ষম জনগণের জন্য প্রায়োগিক বা দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদি এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ২০৩১ সাল নাগাদ দেশে সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
‘আলফা’ কর্মসূচির অধীনে রূপরেখা
বিএনএফই জানায়, দেশের বয়স্ক ও কর্মক্ষম জনগণকে প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষার আওতায় আনতে ‘অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ফাংশনাল লিটারেসি ফর অ্যাবিলিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (আলফা)’ শীর্ষক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বৈশ্বিক ‘ইচ ওয়ান টিচ ওয়ান’ (প্রত্যেকে একজনকে শিক্ষা দান) মডেলের ওপর ভিত্তি করে এই কর্মসূচির কনসেপ্ট নোট ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনের ‘সবুজ পাতায়’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৪০টি জেলার নির্বাচিত ৪০টি উপজেলায় ৩৫ হাজার নিরক্ষর মানুষের জন্য এক বছরের একটি পাইলট প্রকল্প শুরু করা হবে। পাইলট কর্মসূচির অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের ফলাফল পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে মূল প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষর নারী-পুরুষকে সরাসরি দক্ষতাভিত্তিক সাক্ষরতার আওতায় আনা হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে শতভাগ সাক্ষরতার লক্ষ্য অর্জনের পথ সুগম হবে। অর্থাৎ, তখন সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাত বলেন, ‘সরকারের পরিকল্পনা কেবল পড়তে ও লিখতে শেখানো নয়; শিক্ষার সুযোগবঞ্চিতদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা।
বর্তমান শ্রমবাজারের চাহিদা বুঝে আমরা কারিগরি ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তাদের দক্ষ করে তুলতে চাই। যেন তারা প্রশিক্ষণ শেষেই জীবিকায়নে যুক্ত হতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনার আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলো পরিকল্পনা কমিশনের সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্তিসহ অনুমোদনের বিভিন্ন ধাপে কাজ এগিয়ে চলেছে। এসব প্রকল্প ও রূপরেখা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।’
‘আলো’ প্রকল্পে বিকল্প শিক্ষার সুযোগ পাবে শিশু-কিশোররা
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো জানায়, কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতাই নয়, বরং বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশুদের মূলধারার শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতে ‘অল্টারনেটিভ লার্নিং অপারচুনিটি ফর আউট অব স্কুল চিলড্রেন (আলো)’ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। মোট ১৫৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২৬ থেকে ২০২৮ মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ৬৪টি উপজেলায় কার্যক্রম শুরু হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রকল্পের বাস্তবায়ন নির্দেশিকা চূড়ান্তকরণ এবং শিক্ষার্থী-জরিপ কার্যক্রম শুরু প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রকল্পের প্রথম ধাপে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ১৯ হাজার ২০০ জন বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশুকে মানসম্মত উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী আরো ১৯ হাজার ২০০ জন কিশোর-কিশোরীকে (যারা অষ্টম শ্রেণি পাস করার পূর্বে ঝরে পড়েছে) প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো জানায়, ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচির আওতায় সম্প্রতি ৫৮টি জেলায় ৪ হাজার ৩১২ জন ঝরে পড়া শিক্ষার্থীকে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত ১১টি ট্রেডে সফলভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
বিএনএফই আরো জানায়, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ)-এর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পরিচালিত মূল্যায়নে ৪ হাজার ১৯৮ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮৮২ জন বা ৯২.৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর সরাসরি চাকরি, শিক্ষানবিশি বা স্বকর্মসংস্থানের ‘ফিউচার লিংকেজ’ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এই সফলতার মডেল অনুসরণ করেই প্রস্তাবিত ৪৫ লাখ মানুষের জন্য প্রস্তুত করা আলফা কর্মসূচিতে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
দক্ষতাভিত্তিক মডেল ‘স্কিলফো’
বিএনএফই জানায়, ‘উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন, ২০১৪’-এর আওতায় বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশু ও নিরক্ষরদের জন্য বয়স ও প্রয়োজনভিত্তিক শিক্ষা, জীবনদক্ষতা ও প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। কক্সবাজারে সফল ‘স্কিলফো’ পাইলট প্রকল্পে ৬ হাজার ৮২৫ জন কিশোর-কিশোরীকে মৌলিক সাক্ষরতা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের মডেল তৈরি করা হয়েছে। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় দেশের আরো ১৬টি জেলার ৬৪টি উপজেলায় ১ লাখ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে স্কিলফো প্রকল্পের ২য় পর্যায় শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার প্রকল্প দলিল পুনর্বিন্যাস চলমান।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর উপপরিচালক (বাস্তবায়ন) হিরামন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আলো, স্কিলফো এবং আলফার মতো সমন্বিত কর্মসূচিগুলো পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের বিভিন্ন ধাপে রয়েছে। এগুলো মাঠপর্যায়ে পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হলে ২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ সুগম হবে।’
আজ ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। বিশ্বব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় পলিত হচ্ছে এ দিবস। সাক্ষরতা দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য— ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’-কে ভিত্তি ধরে সরকারের নেওয়া এই সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে নিরক্ষরমুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ফুটবল দলের নতুন হোম ও অ্যাওয়ে জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। নতুন জার্সির মূল্য ১৬০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সমর্থকদের জন্য ৭০০-৮০০ টাকার মধ্যে ফ্যান এডিশন আনার পরিকল্পনা করছে কিট পার্টনার ‘দৌড়’।
আজ দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক নতুন জার্সি উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, "আমরা যখন খেলতাম, তখন কর্মকর্তারা বাজার থেকে জার্সি কিনে এনে দিতেন। এত ব্র্যান্ডিং ও আনুষ্ঠানিকতা করে কখনও জার্সি পড়া হয়নি। এ রকম ব্যবস্থার জন্য বাফুফে সভাপতিকে ধন্যবাদ।"
নতুন জার্সি তৈরি করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কিট পার্টনার ‘দৌড়’। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আবিদ আলম চৌধুরি জানান, "দাম ১৬০০ টাকা হওয়ার কারণ ফেব্রিকের কারণে। তবে সামনে আমরা ফ্যান এডিশন করছি, যেটা ৭০০-৮০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। বাফুফের অনুমোদন পেলে এটা বাজারে ছাড়া হবে।"
‘দৌড়’এর আনুষ্ঠানিক কোনো শোরুম নেই। তবে এবার ইনফিনিটিতে বাংলাদেশের জার্সি রাখা হবে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল সমর্থকদের সুবিধার জন্য অফলাইন বিক্রির ব্যবস্থারও দাবি জানান। তিনি বলেন, "অনলাইনে জার্সি বিক্রি হচ্ছে। আমরা চাই অফলাইনে দৌড়ের শোরুম থেকেও যেন সমর্থকরা জার্সি সংগ্রহ করতে পারে।"
বাফুফের সঙ্গে ‘দৌড়’এর চুক্তির মেয়াদ দুই বছরের। ইতোমধ্যে দেড় বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। তাবিথ আউয়াল প্রতি দুই বছর পরপর জার্সিতে পরিবর্তন আনতে আগ্রহী।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে তুলনামূলক নতুন ব্র্যান্ড ‘দৌড়’। হামজা-সামিতদের বদৌলতে প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের ও প্রবাসী অনেক সমর্থকের কাছে পরিচিতি পেয়েছে। বাফুফের সঙ্গে চুক্তির সুফল সম্পর্কে মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম বলেন, "দৌড়ের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি- তারা জার্সি বিক্রি করলে সেখান থেকে লভ্যাংশ দেবে। সেটা প্রতি মাসে তারা পরিশোধ করছে। বছর শেষে সেটা ভালো অঙ্কই। এর পাশাপাশি বিগত সময়ে জার্সি কিনতে যে খরচ হতো সেটাও হচ্ছে না।"
জার্সি বিক্রির বিষয়ে আবিদ আলম চৌধুরি জানান, "গত এক বছর আমরা বিশ হাজারের মতো জার্সি বিক্রি করেছি। প্রতি মাসে বাফুফের রয়্যালিটি বুঝিয়ে দিয়েছি। বাফুফের সঙ্গে যখন চুক্তি হয়, তখন অনেক খেলা বা টুর্নামেন্ট সূচিতে ছিল না। অতিরিক্ত খেলার জন্য আমরা চুক্তির বাইরেও বাফুফেকে কয়েক হাজার জার্সি অতিরিক্ত সরবরাহ করেছি। পাশাপাশি বাজারে লোগো ব্যবহার করে বিক্রি হওয়ায় বাস্তবিক অর্থে আমরা সেভাবে লাভ করতে পারিনি।"
জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম নিয়ে বাফুফে ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বাফুফের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে পরিচালক ক্রীড়া জাহেদ পারভেজ চৌধুরি এতে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারক নিয়ে তাবিথ আউয়াল মন্তব্য করেন, "এই দুই স্টেডিয়ামের মালিকানা অবশ্যই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের। বাফুফে সিকিউরিটি ও অন্য ব্যবস্থাপনা দেখাশোনা করবে। এই স্টেডিয়ামে অন্য ফেডারেশনও খেলাধূলা আয়োজন করতে পারবে, সেটা বাফুফের সঙ্গে সমন্বয় করে। এই স্টেডিয়াম দুটো শুধু ফুটবল কিংবা বাফুফের ভাবার কোনো কারণ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মানুষ,পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য স্বাক্ষরতা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বকশিগঞ্জে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাক্ষরতার গুরুত্ব, শিক্ষার প্রসার এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হাসান মোঃ রেজাউল করিম,সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোছাঃ কনিকা খাতুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর,ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি ম্যানেজার মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শিক্ষার বিকল্প নেই। নিরক্ষরতা দূর করে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও দক্ষ সমাজ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি শহরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে পাঁচজন কথিত মাদক কারবারি ও দুইজন মাদকসেবীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে সেতু চাকমা (৪০), মো. আরমান (২৩) ও তরপন চাকমা (৫০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ে সহায়তার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া আরাফাত ইসলাম তারেক (২৯) ও সাইফুল ইসলাম (৩১)কে মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। অপর অভিযানে মো. কামাল উদ্দিন (৪১) ও মো. নুর মিয়া (৪৪)কে মাদকসেবী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ