বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৭ পি.এম
অর্থের অভাবে কারও শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা বন্ধ হবে না, এ কথা বলেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "যে কোনও অসুস্থ মানুষকে সেবা দেওয়া সরকারের মৌলিক দায়িত্ব।"
বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্ব সিস্টিক ফাইব্রোসিস দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। এ সময় মন্ত্রী আরও জানান, সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে সমাজের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়েছিল।" তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সেবার পরিধি বাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিশু হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। শিশু হাসপাতালে বিরল এ রোগের আধুনিক ‘স্টেম সেল থেরাপি’ কার্যক্রম চালু করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পর এবারই স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনে বিএনপি কোনো গতানুগতিক ইশতেহার দেয়নি। বরং দীর্ঘ গবেষণা ও সময়ের সমন্বয় করে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিটি দফা প্রণয়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এফবিআই (এফবিআই) স্ট্যান্ডার্ডের ডিএনএ ল্যাব চালু করা হবে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক পর্যায়েই হত্যা, ধর্ষণ কিংবা অজ্ঞাত মরদেহ শনাক্তকরণের মতো জটিল মামলার নির্ভুল আলামত পরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্য খাতে বর্তমান সরকারের বাজেট বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন। তিনি একই সঙ্গে গবেষণার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমানে বিশ্বের ৯৬টি দেশে আনুমানিক দুই লাখ মানুষ প্রাণঘাতী ‘সিস্টিক ফাইব্রোসিস’ (সিএফ) রোগে আক্রান্ত। তবে তাদের মাত্র ৫৯ শতাংশের রোগ নির্ণয় সম্ভব হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, জীবন রক্ষাকারী আধুনিক ‘ইটিআই’ (ইটিআই) চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেন মোট রোগীর মাত্র ২৭ শতাংশ। রোগ শনাক্ত না হওয়া ব্যক্তিদের বড় একটি অংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বসবাস করছেন।
তাদের মতে, রোগ নির্ণয়ের অপ্রতুলতা এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসার সুযোগ সীমিত থাকায় এসব অঞ্চলের আক্রান্ত ব্যক্তিরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে রয়েছেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক, কর্মকর্তা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্দ্বীপের আজিমপুর-রহমতপুর এলাকার দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা রাস্তা সংস্কারে ব্যক্তিগত অর্থায়নে এগিয়ে এসেছেন কামরুজ্জামান আলতাফ।
স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে তিনি নিজ উদ্যোগে এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করে আসছেন তিনি।
কামরুজ্জামান আলতাফ মরহুম হাজী আব্দুল হান্নান মেম্বারের পরিবারের সদস্য। তিনি আজিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন রিপনের ছোট ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজিমপুর ও রহমতপুর এলাকার বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কামরুজ্জামান আলতাফ ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অর্থায়নে রাস্তা সংস্কারের কাজে এগিয়ে আসেন।
এলাকাবাসী জানান, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার আগেই তিনি বিভিন্ন সময় এলাকার মানুষের সমস্যা সমাধান এবং সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও তিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, বিদেশের মাটিতে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং নতুন বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ওপর মব করে হামলা ও নির্যাতন কোনোভাবেই সরকার বা বাংলাদেশের নাগরিকদের সমর্থন করে না।
তিনি বুধবার বাংলা একাডেমি মেলা প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কর্তৃক আয়োজিত জিয়া স্মৃতি বইমেলা ২০২৬ এর আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।
এসময়, ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হেনস্তার নিন্দা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এবং বিদেশে মব রাজনীতি, মব কালচার এবং অকারণে সন্ত্রাস সৃষ্টি কোনোভাবেই কাম্য নয়। নতুন বাংলাদেশে স্বচ্ছ, সুস্থ এবং মানবিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
শামা ওবায়েদ আরও বলেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নিপীড়ন ও নির্যাতন হয়েছে। ছাত্রদল, যুবদলসহ দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রাম পর্যন্ত ত্যাগ করেছেন। অনেককে বাড়িতে থাকতে দেওয়া হয়নি এবং গাছের নিচে কিংবা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে হয়েছে। পুলিশের নির্যাতনের কারণে জেলে থাকতে হয়েছে এবং হাজার হাজার মামলা নিয়ে তাদের ঘুরতে হয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে গিয়ে অনেকে খুন ও গুম হয়েছেন। তাদের এবং তাদের পরিবারের কথা আমাদের স্মরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, যারা নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের আজ দেশ গড়ার কাজে ও উন্নয়নের কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাদের আত্মত্যাগ ভুলে গেলে রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমাদের বিবেকের কাছে দায়ী থাকতে হবে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ জিয়া আমাদের উৎপাদনের রাজনীতি, উন্নয়নের রাজনীতি, জনসেবা ও গণসেবার রাজনীতি এবং ধৈর্য ও সহনশীলতার রাজনীতি শিখিয়েছেন। এ আদর্শ প্রত্যেক নেতাকর্মীর মধ্যে নিহিত রয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের ওপর যে অত্যাচার ও নির্যাতন হয়েছে, সেটিও আমাদের স্মরণ করতে হবে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের কথা ভুলে গেলে চলবে না।
আলোচনা সভায় জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আহ্বায়ক সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিসহ বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেছেন যে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা প্রদান করবে না নির্বাচন কমিশন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ‘নির্বাচনী দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সাথে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শেষে সিইসি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন তিনি।
সিইসি বলেন, "আওয়ার কমিটমেন্ট ইজ টোটাল।" তিনি জানান, স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনার জন্য পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা, এবং পুলিশেরও সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "কোনো বেআইনি নির্দেশনা কমিশন থেকে যাবে না।" পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ক্রেডিবল ইলেকশনের জন্য কাজ করবেন।
বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, "ত্রয়োদশ নির্বাচনে যে অবস্থা ছিল, এখন এর চেয়ে খারাপ না এবং পুলিশের ওপর আমাদের আস্থা আছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "দলীয় সরকার ক্ষমতায় আছে।"
পুলিশ চাপমুক্তভাবে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে আইজিপি আলী হাসান ফকির বলেন, "এখন দলীয় সরকার, কিন্তু গণতান্ত্রিক সরকার।" তিনি বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু ও সুন্দর আয়োজনের জন্য পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশনের পরামর্শ অনুযায়ী।
গত ছয় মাসে পুলিশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, "আমি তো মনে করি আমাদের সাফল্য শতভাগ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা আপিলের সুযোগ পাবেন কি না, তা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইন ও বিচার বিভাগ এবং ব্র্যাকের মধ্যে ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস: বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে কিনা অথবা তিনি আপিলের সুযোগ পাবেন কি না, এ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও ব্যাখ্যা চলছে। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেছেন, "তিনি দেশে ফিরে এলে এবং আপিল করতে চাইলে আইন অনুযায়ী বিষয়টি নির্ধারিত হবে।"
মন্ত্রী আরও বলেন, "কোনো ব্যক্তির আপিলের অধিকার আছে কি না, সেটি ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করার বিষয় নয়; প্রচলিত আইন ও সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তা নির্ধারণ করা হবে।"
এ সময় বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজ করার ফলে শুধুমাত্র বাল্যবিয়ে প্রতিরোধই নয়, বরং বহুবিবাহ এবং বিয়ে সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতিও রোধ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে একজন ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থার তথ্য সহজে যাচাই করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ