ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফের বিশ্ববাজারে বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম


ফের বিশ্ববাজারে বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল এবং ইরানের চলমান সংঘাতের কারণে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। নতুন হামলা এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনার মাঝখানে মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এখনও কাটেনি। যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু সেগুলি বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে।

লেনদেনের সময় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৩ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ দশমিক ৮৬ ডলারে পৌঁছেছে। এতে টানা তিন কার্যদিবসের মূল্যপতনের ধারাও ভাঙার পথে রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিল গেটসের ৭১তম জন্মদিনে দানের ঘোষণা, সম্পদের প্রায় সবটাই মানবকল্যাণে

বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার খবর প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কায় তেলের বাজারেও ক্রয়চাপ বেড়ে যায়।

সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান জিএমও’র রেটস স্ট্র্যাটেজিস্ট এডওয়ার্ড অ্যাকটন বলেন, “পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন এবং একের পর এক বিপরীতধর্মী ঘটনার কারণে বাজারে প্রকৃত সংকেত ও গুজব বা সাময়িক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।”

অন্যদিকে, বিওএফএ সিকিউরিটিজের কৌশলবিদরা এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছেন, শুধু তেলের দাম বৃদ্ধি নয়, বরং এর অস্থিরতাও মূল্যস্ফীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তেলের দামের ওঠানামার ফলে অনেক পণ্য ও সেবার মূল্য দ্রুত বেড়ে যায়, কিন্তু তেলের দাম কমলেও সেই পণ্যের দাম অনেক সময় আগের অবস্থায় ফিরে আসে না। এর ফলে জ্বালানির বাজারে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে শুধুমাত্র জ্বালানি বাজারই নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার সংক্রান্ত নীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। অতএব, বিনিয়োগকারীদের নজর এখন মূলত যুদ্ধ পরিস্থিতি, কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং তেল সরবরাহের উপর সম্ভাব্য প্রভাবের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কপিলমুনির কলেজ সড়কের বেহাল দশা, দেড় দশকেও মেলেনি সমাধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


কপিলমুনির কলেজ সড়কের বেহাল দশা, দেড় দশকেও মেলেনি সমাধান

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি উপশহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীনতার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির মোড়সংলগ্ন এই সড়কটি শুধুমাত্র স্থানীয়দের যাতায়াতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিদিন এই পথে স্কুল-কলেজের শত শত শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চলাচল করেন। সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কারণে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। প্রধান সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কপিলমুনি কলেজ সড়কে মিলিত হওয়া এই পথে পথচারীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। প্রবল বর্ষণে সড়কটিতে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির বেশিরভাগ অংশ বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দে ভরা। সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। এর ফলে পুরো বর্ষা মৌসুমে এটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

সড়কটির অবস্থা এতটাই বেহাল যে, যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রায় ১৫০ গজ দৈর্ঘ্যের এ সড়কের দুই পাশে আবাসিক ভবন, একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বিভিন্ন এনজিওর কার্যালয়, ডিলার পয়েন্ট, গ্রামীণ ব্যাংক, পানির প্ল্যান্ট, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পণ্যের গুদাম এবং একটি মুরগির হাট রয়েছে।

সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী জি এম রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় দেড় দশক ধরে এ সড়কে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বারবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

মুরগি ব্যবসায়ী খোকন সরদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমরা বছরের পর বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছি, কিন্তু সড়ক সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।"

কপিলমুনি কলেজসহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তারা সময়মতো কলেজ বা বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে সক্ষম হন না। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে ক্লাসে আসা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে ওঠে।

কপিলমুনি কলেজের অনার্স শিক্ষার্থী মো. রোমান সরদার বলেন, "শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ও সময়মতো ক্লাসে পৌঁছানোর জন্য সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। রাস্তাটি এ এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউনুস আলী মোড়ল জানান, "সড়কটি সত্যিই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবে বর্তমানে সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ পাওয়ার পর দ্রুত সংস্কার করা হবে।"

কপিলমুনি উপশহরের ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবিতে খুলনা-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুকুরের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরগঞ্জের ভাই-বোনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


পুকুরের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরগঞ্জের ভাই-বোনের

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে দুই ভাই-বোনের পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে।

এটি ঘটে বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১১টার সময় উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে।

নিহত দুই শিশুর মধ্যে খলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়া (৪) এবং মেয়ে সাফা আক্তার (২) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

স্থানীয় জনগণের মতে, বুধবার সকালে রিফাত ও সাফা বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল। খেলার এক পর্যায়ে সাফা অসাবধানতার কারণে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করতে গিয়ে বড় ভাই রিফাতও পানিতে তলিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন পুকুর থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুটি শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ-আল-শাফী জানান, দুই শিশুকে ঘাগড়া এলাকা থেকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল, কিন্তু হাসপাতলে পৌঁছানোর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ অর্থের বিনিময়ে ধর্মপাশা থানার ওসির তেলেসমাতি, নাসিম হত্যা মামলায় মূল আসামীসহ ০৯ জনের নাম চার্জশিট থেকে উধাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


অবৈধ অর্থের বিনিময়ে ধর্মপাশা থানার ওসির তেলেসমাতি, নাসিম হত্যা মামলায় মূল আসামীসহ ০৯ জনের নাম চার্জশিট থেকে উধাও

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার ওসি সহিদ উল্যা কর্তৃক মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলায় ১১ আসামীর মধ্যে মূল আসামীসহ ০৯ জনের নাম বাদ দিয়ে চার্জশিট দাখিলের প্রতিবাদে ভোক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

এ সংবাদ সম্মেলন আজ বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি’র হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে নিহত নাসিমের স্ত্রী রূপসা আক্তার ধর্মপাশা থানার ওসি সহিদ উল্যাহ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম কর্তৃক মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আসামীদের পক্ষ থেকে চার্জশিট দাখিল করার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, 'আমার স্বামী হত্যাকান্ডের পর ন্যায় বিচারের আশায় আমি থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে প্রথমে ওসি মামলা নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। হত্যাকান্ডের মূল অভিযুক্ত ডালি ও অলির নাম কেটে দিলে তিনি মামলা নিবেন বলে জানান।' স্থানীয় এমপির নির্দেশে মামলার গ্রহণ হলেও মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ১১ জন আসামীর মধ্যে মূল আসামীসহ ০৯ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবী জানান এবং বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার কামনা করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও জানান যে, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরহাটি ইউনিয়নের সুনই গ্রামে পূর্ব বিরোধ নিয়ে এবং পথিমধ্যে চাচাতো বোনকে হেনস্থা করার প্রতিবাদ করেন বলে গত ০৭ই জুন প্রকাশ্য দিবালোকে তাঁর স্বামী নাসিমকে নির্মমভাবে হত্যা করে একই গ্রামের বাসিন্দা মেহেদী হাসান ডালি গংরা। হত্যাকান্ডের দুই দিন আগে তাঁর দেবর জসিমের মোটর সাইকেল আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি কবর খুঁড়ে রাখার হুমকি দেয় আসামী অলি। ০৬ই জুন ডালি গংরা তার ভাসুরসহ অনেককে হত্যার চেষ্টা করে।

৭ জুন ডালি ও আনু গংদের সাথে কথা-কাটাকাটির জেরে তার স্বামীকে কিল, ঘুষি, লাথি ও পাইপ দিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে হত্যা করা হয়। হত্যাকান্ডের পর এখনো পর্যন্ত দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হলেও মূল আসামী ডালি ও অলি গংরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

এদিকে, হত্যাকান্ডের ঘটনার পর তার স্বামী হত্যার বিচারের আশায় ধর্মপাশা থানায় মামলা করতে গেলে দায়িত্বরত ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা ঘটনার মূল অভিযুক্ত ডালি ও অলির নাম কেটে দিতে বড় অঙ্কের টাকার অফারও করেন। মামলার আয়ু জহিরুল ইসলাম জোরপূর্বক একটি কাগজে তার স্বাক্ষর নেয়ার চেষ্টা করেন। তিনি স্বাক্ষর না দিতে চাইলে সেখানে তাকে হেনস্তা করা হয়। এবং ওসি সাহেব মহিলা পুলিশ দিয়ে তাকে ধরে থানায় নিয়ে আসার হুমকিও দেন। বারবার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে চাপ দিচ্ছেন।

এদিকে আসামীরা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে এসে তাদেরকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে এসেছে। বিগত সরকারের আমলেও আসামীরা দলের বিভিন্ন এমপি ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের সাথে ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। বর্তমানে খোলস পাল্টিয়ে বিএনপি’র বিভিন্ন এমপি-মন্ত্রীদের সাথে ছবি তোলে তাদের ঘনিষ্ঠ বলে প্রচার করে এলাকায় দাফটের সাথে চলাফেরা করছে তারা। স্থানীয়রা তাদের ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস করছে না।

এদিকে ওসির সাথে আসামীদের পরিচিতির কারণে আসামীরা তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা একটি লুটপাটের মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। ফলে তারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এছাড়া, রূপসা আক্তার জানিয়েছেন, তার স্বামী নাসিম একজন সামান্য চা বিক্রেতা ছিল। তাকে হারানোর পর তিনি, তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন শোকে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ছোট ছোট ৪টি মেয়ে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আসামীরা প্রতিনিয়ত তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তাই তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং মূল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে স্বামীর হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন। সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বড় ভাই আলামিনসহ অন্যান্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেহাল সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত, বাড়ছে দুর্ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


বেহাল সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত, বাড়ছে দুর্ঘটনা

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর সংযোগ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল রয়েছে। মঙ্গলবার তোলা হয়েছে ছবিগুলো। -কালের কণ্ঠ

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম এবং বরিশালের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু। সেতুটির মাঝের অংশ এবং দুই পাশে সংযোগ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে।

এর ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, সেতুটির সংযোগস্থলে বড় বড় গর্ত এবং ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গেছে। অথচ সংস্কার করা হচ্ছে না।

এতে, হাজারো যাত্রী ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, সেতুর মাঝামাঝি এবং ঢাল অংশের বিভিন্ন স্থানে গভীর গর্ত ও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে কংক্রিটের অংশ দৃশ্যমান হয়ে পড়েছে। দ্রুতগতিতে চলাচলকারী যানবাহন এসব গর্তের সামনে পড়লে চালকদের হঠাৎ ব্রেক করতে হচ্ছে।

যানবাহনের চালকরা বলছেন, সড়ক বেহাল হওয়ার কারণে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে। তারা জানান, মাইক্রোবাস ও যাত্রীবাহী বাস চলাচলের সময় অতিরিক্ত ঝাঁকুনি সৃষ্টি হচ্ছে। ভারি যানবাহন গর্তে পড়ে ধাক্কা খাওয়ায় যানবাহনের যান্ত্রিক ক্ষতি এবং সেতুর ওপর দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয়রা যোগ করছেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। মাঝে মধ্যে অস্থায়ীভাবে কিছু মেরামতের কাজ করা হলেও তা অল্প সময়ের মধ্যেই আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

নিয়মিত চলাচলকারী কয়েকজন চালক জানান, রাতের অন্ধকার কিংবা বৃষ্টির সময় গর্তগুলো স্পষ্ট দেখা যায় না। ফলে হঠাৎ ব্রেক করতে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। অনেক সময় যানবাহনের চাকা গর্তে আটকে বিকল হয়ে পড়ে। এতে সেতুর ওপর দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

এলাকাবাসীর দাবি, সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত সংযোগ সড়ক দ্রুত টেকসই সংস্কার, গর্ত এবং ফাটল মেরামত, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন এবং ভারী যানবাহন চলাচলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একইসঙ্গে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে যেকোনো সময় সেতুতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারবে না।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জনদুর্ভোগ কমাতে যত দ্রুত সম্ভব মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%