১০:৫০ পি.এম
স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ছাতারপাইয়া বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে (ক্লিনিকে) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ ও আরিফকে মৃত ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন, দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন গভীর চাপের মধ্যে রয়েছে।
শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, সরকার ঘোষিত বাজেট সাধারণ মানুষের আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার ফলে জনগণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। অথচ এ বাজেটে এসব সংকট মোকাবিলার জন্য কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
তিনি আরো বলেন, মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে জনগণের জীবনে যে দুর্ভোগ নেমে এসেছে, তা দেশের মানুষকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। সরকার জনগণের কষ্ট উপলব্ধি না করে সমালোচনাকে উপহাসের চোখে দেখছে। বাস্তবতা হলো, দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন আজ গভীর চাপের মধ্যে রয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ব্যাংকিং খাত, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য জাতীয় সম্পদকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া যাবে না। জনগণের আমানত এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে।
উল্লেখ্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য নিয়ে এই সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছাত্রদল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রশিবিরের গুম ও অপহরণের নাটক সাজানো এবং ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের প্রতিবাদে।
শনিবার রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৯টায় শুরু হওয়া এই মিছিলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, প্রকৃত গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের অবমাননা করতে, গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে, অনলাইনে সংঘবদ্ধভাবে সরকারকে মিথ্যা দোষারোপ করতে এবং গুপ্ত নেতাকর্মীদের ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটনের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বের দৃষ্টি এখন উত্তর আমেরিকার দিকে রয়েছে। আর ব্রাজিলের ভক্তদের পুরো মনোযোগ নিবদ্ধ আছে একটিমাত্র নামের দিকে, নেইমার জুনিয়রের দিকে। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ মিশনের সূচনা হওয়ার খুব কাছাকাছি অবস্থায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, মাঠের জাদুকর কবে ফিরবেন?
রবিবার ভোর চারটায় মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে। সেই কথার প্রাক্কালে সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে নেইমারের বিষয়। ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন ভিনিসুয়াস জুনিয়র যেন নেইমারকে শুধুমাত্র সতীর্থ হিসেবেই নয়, বরং নিজের প্রেরণার উৎস হিসেবেও দেখেন।
সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে আবেগাপ্লুত ভিনিসিয়াস অকপটে স্বীকার করেন, "নেইমার আমার আইডল। মাঠের প্রতিটি কৌশলে আমি তাকে অনুকরণ করার চেষ্টা করি। তার সুস্থ হয়ে ফেরাটা দলের জন্য অপরিহার্য। এমনকি আজও আমি তার কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শ পাই।"
কিন্তু, ১৭ মে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় পাওয়া কাফ মাসলের চোটে পড়ে, নেইমারের মাঠের বাইরে থাকার সময়টা অনেক দীর্ঘ হয়ে চলেছে। প্রথমে চোট গুরুতর মনে না হলেও, ব্রাজিল ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ধরা পড়ে গ্রেড-টু ইনজুরি। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে তার না খেলাই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবে কোচ কার্লো আনচেলত্তি সমর্থকদের আশার বাণী শুনাতে ভুল করেননি। আনচেলত্তির ভাষ্যমতে, নেইমার নিজে খুব কঠোর পরিশ্রম করছেন দ্রুত মাঠে ফেরার জন্য এবং আগামী সপ্তাহেই তাকে দলের অনুশীলনে দেখতে পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উৎকণ্ঠা উড়িয়ে দিয়ে ভিনিসিয়াস আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, "দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ই ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করতে মুখিয়ে আছে এবং মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সব শঙ্কা দূর করে দিতে চান তারা।" রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ক্লাব ফুটবলে অনেক সাফল্য পেলেও, জাতীয় দলের হয়ে খেলা বিষয়টাকেই নিজের জীবনের সেরা সময় হিসেবে দেখছেন ভিনিসিয়াস। শৈশবের বন্ধু পাকেতা ও ব্রুনো গিমারাইসদের সাথে এই জার্সি গায়ে জড়ানোকে তিনি সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেন, প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সরকার ঐতিহাসিকভাবে চলে আসা ‘ব্রেন ড্রেন’ (মেধা পাচার)-কে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ বা মেধার সদ্ব্যবহারে রূপান্তর করতে চায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যাতে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা বাংলাদেশের উন্নয়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারেন, দেশে বিনিয়োগ করতে পারেন এবং তাদের জ্ঞান ও কারিগরি দক্ষতা দেশের ইকোসিস্টেমে স্থানান্তর করতে পারেন।’
আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ আয়োজনে ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচনের পূর্ববর্তী প্রচারণা থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ভিশন বা দূরদর্শিতার কথা বারবার তুলে ধরেছেন। তিনি একটি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও কার্যকর অভিবাসন নীতির ওপর জোর দিয়েছেন, যেখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বা সংখ্যা সময়ের সাথে সাথে কমিয়ে আনা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, ‘বিদেশে কর্মসংস্থান ও অভিবাসনের সূচনা হয়েছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। আর প্রবাসীদের কল্যাণে যে ডেডিকেটেড মন্ত্রণালয় কাজ করছে, সেই প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সুতরাং, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসনের উন্নয়ন বিএনপির রাজনৈতিক ডিএনএতেই রয়েছে।’
সরকার শুধু অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সনাতন ধারা থেকে বেরিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আমরা শুধু শ্রমবাজারের বহুমুখীকরণই চাই না, বরং কর্মসংস্থানের ধরন এবং জনসংখ্যার বৈচিত্র্যও নিশ্চিত করতে চাই। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী হওয়ায় বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ (যা বর্তমানে ৫ থেকে ৭ শতাংশ) আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়াতে চায় সরকার।
অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ বা ‘এক্সপ্যাট্রিয়েট কার্ড’ চালুর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ড চালু হলে বিদেশে অবস্থানরত প্রত্যেক বাংলাদেশির অবস্থান সরকারি অবকাঠামোর আওতায় ট্র্যাক বা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
এছাড়া, এখন থেকে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করতে আবেদনকারীর আর্থিক নথিপত্র এবং শিক্ষাগত সনদ কিউআর কোডের মাধ্যমে অনুসরণযোগ্য করা হচ্ছে।
ড. মাহদী আমিন জানান, তরুণ প্রজন্মের বৈশ্বিক আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার দুই মাস আগে একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু করেছে, যার অধীনে কোনো শিক্ষার্থী যদি তৃতীয় কোনো ভাষা শিক্ষা বা স্বল্পমেয়াদি কোর্সের জন্য বিদেশে যেতে চায়, তবে সে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের কোন দেশে কী ধরনের কারিগরি দক্ষতা ও সক্ষমতার চাহিদা রয়েছে, তা নিরূপণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। সেই বৈশ্বিক চাহিদার সাথে মিল রেখে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিভিইটি) মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে তোলা হবে। একই সাথে, বাংলাদেশি কর্মীদের অর্জিত সনদগুলো যাতে গ্রহণকারী দেশগুলোতে সরাসরি স্বীকৃত হয়, সেজন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ