প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল বিশ্বের দৃষ্টি এখন উত্তর আমেরিকার দিকে রয়েছে। আর ব্রাজিলের ভক্তদের পুরো মনোযোগ নিবদ্ধ আছে একটিমাত্র নামের দিকে, নেইমার জুনিয়রের দিকে। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ মিশনের সূচনা হওয়ার খুব কাছাকাছি অবস্থায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, মাঠের জাদুকর কবে ফিরবেন?
রবিবার ভোর চারটায় মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে। সেই কথার প্রাক্কালে সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে নেইমারের বিষয়। ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন ভিনিসুয়াস জুনিয়র যেন নেইমারকে শুধুমাত্র সতীর্থ হিসেবেই নয়, বরং নিজের প্রেরণার উৎস হিসেবেও দেখেন।
সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে আবেগাপ্লুত ভিনিসিয়াস অকপটে স্বীকার করেন, "নেইমার আমার আইডল। মাঠের প্রতিটি কৌশলে আমি তাকে অনুকরণ করার চেষ্টা করি। তার সুস্থ হয়ে ফেরাটা দলের জন্য অপরিহার্য। এমনকি আজও আমি তার কাছ থেকে নিয়মিত পরামর্শ পাই।"
কিন্তু, ১৭ মে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় পাওয়া কাফ মাসলের চোটে পড়ে, নেইমারের মাঠের বাইরে থাকার সময়টা অনেক দীর্ঘ হয়ে চলেছে। প্রথমে চোট গুরুতর মনে না হলেও, ব্রাজিল ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ধরা পড়ে গ্রেড-টু ইনজুরি। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে তার না খেলাই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবে কোচ কার্লো আনচেলত্তি সমর্থকদের আশার বাণী শুনাতে ভুল করেননি। আনচেলত্তির ভাষ্যমতে, নেইমার নিজে খুব কঠোর পরিশ্রম করছেন দ্রুত মাঠে ফেরার জন্য এবং আগামী সপ্তাহেই তাকে দলের অনুশীলনে দেখতে পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উৎকণ্ঠা উড়িয়ে দিয়ে ভিনিসিয়াস আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, "দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ই ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করতে মুখিয়ে আছে এবং মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সব শঙ্কা দূর করে দিতে চান তারা।" রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ক্লাব ফুটবলে অনেক সাফল্য পেলেও, জাতীয় দলের হয়ে খেলা বিষয়টাকেই নিজের জীবনের সেরা সময় হিসেবে দেখছেন ভিনিসিয়াস। শৈশবের বন্ধু পাকেতা ও ব্রুনো গিমারাইসদের সাথে এই জার্সি গায়ে জড়ানোকে তিনি সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে মনে করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন