ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তৃণমূলের রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল


তৃণমূলের রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল

ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : ধাপে ধাপে তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রনেতা ছিলেন, কর্মজীবনে অর্থনীতির শিক্ষক। পরবর্তীতে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে পৌর চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম এবার দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ তাঁকে বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। ৭৮ বছর বয়সী মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময়। রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও এগিয়ে গেছেন।

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল। এর আগে তিনি ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে দীর্ঘ পাঁচ বছর দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তিনি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত হন।

আরও পড়ুন: এনসিপির নতুন দায়িত্ব পেলেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ

ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়ার সময় তিনি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি এবং এসএম হল শাখার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার সভাপতি ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতিকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল অধ্যাপনা পেশায় যোগদান করেন। ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতার পর তিনি সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন। ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনকালে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেন।

১৯৮৮ সালে মির্জা ফখরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। ৯০-এর দশকের শুরুতে এরশাদ বিরোধী দেশব্যাপী আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাঁকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোর বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে মির্জা ফখরুল প্রথমে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীতে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হন।

দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার আগে তিনি বিএনপির কৃষক সংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রথম সহ-সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন। ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন: সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ এবং বগুড়া-৬ আসন থেকে জয়লাভ করেন তিনি। তবে, দেশজুড়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

বিএনপির ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন ও সংকটময় সময়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম দলের অন্যতম শীর্ষ নেতৃত্বের দায়িত্বে আসেন। এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনকালে বিএনপি তীব্র দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখে পড়ে। তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সাল থেকে প্রায় দুই বছর কারাগারে ছিলেন।

পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। অন্যদিকে, ২০০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপির তৎকালীন জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে চলে যান এবং সেখান থেকেই দল পরিচালনা করতে থাকেন।

এমন এক পরিস্থিতিতে মির্জা ফখরুল ইসলামই দেশে থেকে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম ও আন্দোলনের মূল কাণ্ডারী হয়ে ওঠেন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তিনবার কারাবরণ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: আলবেনিয়ায় মুসলিমপ্রধান দেশে বিক্ষোভের আগুন, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত

২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন। সেই থেকে টানা এই দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। ছাত্র রাজনীতি ও শিক্ষকতা থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতৃত্ব অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিব হন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ী এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মির্জা রুহুল আমিন পেশায় আইনজীবী ছিলেন। তিনি পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের দুইবারের সদস্য এবং পরে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য ছিলেন। এরশাদ সরকারের আমলে তিনি মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তাঁর মা মির্জা ফাতেমা আমিন।

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অর্থনীতিতে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। তবে তাঁর রাজনীতির শেকড় গড়ে উঠেছিল ছাত্রজীবনেই। বামপন্থী ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু করে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-এর মাধ্যমে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরির পথ পেরিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।

বিএনপি মহাসচিব হিসেবে দলের নীতি-নির্ধারণ ও সার্বিক কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। কঠিন সময়ে বিএনপি-কে সুসংগঠিত রাখা এবং দলের রাজনৈতিক অবস্থান টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।

আরও পড়ুন: এনআইডি নিবন্ধনের আবেদন বাতিলের নতুন কারণ জানাল নির্বাচন কমিশন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মির্জা ফখরুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ১৩তম জাতীয় সংসদে তাঁর আসনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঠিক পাশেই। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, দলের চরম সংকটে দীর্ঘদিনের ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে সম্মানিত করা হচ্ছে।

ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম পারিবারিক জীবনকেন্দ্রিক এক ব্যক্তিত্ব। স্ত্রী রাহাত আরা বেগম এবং দুই কন্যা মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহকে নিয়ে তাঁর পরিবার। তাঁর স্ত্রী বেসরকারি একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, বর্তমানে তিনি অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁর বড় মেয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এবং সিডনিতে পোস্ট ডক্টরাল ফেলো। ছোট মেয়ে ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

ছাত্রনেতা ও শিক্ষক থেকে শুরু করে তৃণমূলের রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব এই সব মিলিয়ে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক পথচলা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। রাষ্ট্রপতি পদে তাঁর এই মনোনয়ন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও নির্বাচনে কারচুপির শঙ্কা, ১১ দলের সতর্কতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০টির বেশি দেশের নিন্দা ইরানে মৃত্যুদণ্ডের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


৩০টির বেশি দেশের নিন্দা ইরানে মৃত্যুদণ্ডের

ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং কানাডাসহ ৩০টির বেশি দেশ বুধবার ইরানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে নিন্দা প্রকাশ করেছে। এই একটি যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে যাতে ভিন্নমত দমন করতে সক্ষম হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিকসহ, এই দেশের প্রতিনিধিরা ইরানে 'বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এবং মৃত্যুদণ্ডের নিয়মিত ব্যবহার' এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের কথা জানিয়েছে।

প্যারিস থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থাটি এই খবরটি প্রচার করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'ভিন্নমত দমন, জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং মানবাধিকার প্রয়োগকারী ব্যক্তিদের শাস্তি দিতে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।'

এছাড়া আরো উল্লেখ করা হয়েছে, 'ইরানের জনগণকে ভয় ছাড়াই তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।'

প্রাথমিকভাবে এই বিবৃতিতে ২৬টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কালাস যুক্ত ছিলেন, পরবর্তীতে 'আরও কয়েকটি দেশ এই ঘোষণায় অংশ নেয়।'

ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এএফপিকে জানিয়েছে, স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা বর্তমানে ৩২ এ পৌঁছেছে।

অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইতালি এবং জার্মানি সহ ইউরোপের আরো কিছু দেশ ইরানকে 'তাত্ক্ষণিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ বন্ধ করার এবং নির্বিচারে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়ার' অনুরোধ জানিয়েছে।

ইরানে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্বেগ বাড়ছে। বছরের শুরুতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। এরপর ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে এক যুদ্ধ শুরু হয়।

অগাস্টের শুরুতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেছেন, তেহরান 'ভয় সৃষ্টি করতে' মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ করছে।

জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯ মার্চ থেকে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত অভিযোগে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ জনের মামলার সাথে বিক্ষোভের সম্পর্ক রয়েছে।

তুর্ক বলেছেন, একই অভিযোগে আরও শতাধিক মানুষের মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে।

জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো ন্যায্য বিচার না পাওয়ার এবং জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে শুরু হওয়া একটি আন্দোলন ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নিয়েছিল।

ইরানি কর্তৃপক্ষ ৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে, কিন্তু তারা এদের সহিংসতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পরিকল্পিত 'সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড' কে দায়ী করেছে।

বিদেশভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো আরও বেশি মৃত্যুর পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে।

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো এক্সে বিবৃতিটি পোস্ট করে বলেছেন, 'ন্যায়বিচার ও মর্যাদার দাবিতে ইরানের জনগণের ওপর সংঘটিত ব্যাপক নৃশংসতার সাত মাস পরও সরকার ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে রক্তপাত অব্যাহত রেখেছে।'

২৮ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।

এরপর থেকে সংঘাত ও বিক্ষোভ— উভয়ের প্রেক্ষিতে ইরানে গ্রেফতার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইরানে ২ হাজার ১৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। চীনকে বাদ দিলে, এই সংখ্যা ইরানকে বিশ্বের সর্বাধিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশে পরিণত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলের প্রথম দিনে শিক্ষার্থী বন্দুক নিয়ে ঢুকেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলের প্রথম দিনে শিক্ষার্থী বন্দুক নিয়ে ঢুকেছে

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে একটি উচ্চবিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই একটি শিক্ষার্থীর কাছে বন্দুক পাওয়ার অভিযোগে স্কুল পুলিশ তাকে আটক করেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে সাউথ লস অ্যাঞ্জেলেসের সান্টি হাইস্কুলে এই ঘটনা ঘটে। লস অ্যাঞ্জেলেস স্কুল পুলিশ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে ঝামেলার কারণে প্রশাসনিকভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষ তল্লাশি চালিয়েছিল। এর ফলে এক শিক্ষার্থীর কাছে বন্দুক পাওয়া যায় এবং পরে ওই শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর বয়স ও পরিচয় প্রকাশ করেনি। নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে এমন ঘটনা ঘটার ফলে ক্যাম্পাসে বন্দুক পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্কুলের ভেতরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পুলিশ ও স্কুল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে সান্টি হাইস্কুল কিছু সময়ের জন্য লকডাউনও ছিল। পরে স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ক্লাসে ফিরে যায়।

ঘটনায় কাউকে গুলি করা হয়েছে বা কোনো শিক্ষার্থী আহত হয়েছে এমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্দুকটি কীভাবে পাওয়া গেছে এবং সেটি আগে কোনোভাবে ফায়ার করা হয়েছে কি না, তা তদন্তকারীরা দেখছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে, ক্যাম্পাসে বিপজ্জনক কোনো বস্তু নিয়ে আসা নিষিদ্ধ। এমনকি দেখতে অস্ত্রের মতো মনে হতে পারে এমন বাইরের জিনিসও স্কুলে আনতে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।

লস অ্যাঞ্জেলেস স্কুল পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে বলেছে, শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। অভিভাবকদেরকেও সন্তানদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ এবং বিপজ্জনক কার্যকলাপ এড়িয়ে চলার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। স্কুলের প্রথম দিনেই এমন ঘটনার ফলে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন স্কুলে আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষাপটে। এ ব্যাপারে যেন অস্ত্র প্রবেশ ঠেকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সান্টি হাইস্কুলে পাওয়া বন্দুকটি কোথা থেকে এসেছে, শিক্ষার্থী কেন সেটি স্কুলে নিয়ে এসেছে এবং তার বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হবে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপে পুতিনের সফর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপে পুতিনের সফর

ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৃহস্পতিবার  দেশটির দূরপ্রাচ্যের কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন। এই সফরের কারণে দ্বীপপুঞ্জটির দাবিদার জাপান ‘তীব্র’ প্রতিবাদ জানিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে উত্তেজনা বিদ্যমান রয়েছে। জাপানে এইসব দ্বীপ ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ হিসেবে পরিচিত। ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপগুলো দখল করে নেয়।

মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।

ক্রেমলিন কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। রুশ সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি সেখানে একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে তাকে ক্যাভিয়ারও পরিবেশন করা হয়।

পুতিন সাখালিনে ঘনিষ্ঠ রুশ দ্বীপ সফরের পর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে যান। সাখালিনে রাশিয়ার নৌবাহিনী সামরিক মহড়াও চালাচ্ছিল।

রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তি জানিয়েছে, সাখালিনে পুতিন ‘রাশিয়ার পূর্ব সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা’ সম্পর্কে একটি বৈঠক করেন।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো অবনতি ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে চীন ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক গভীর হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে জাপান পুতিনের সফরের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনেও জাপানের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই সফরের বিরুদ্ধে জাপান সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন হোক্কাইডোর উত্তরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জটি দখল করে নেয়। তারপর থেকে সেখানে সামরিক উপস্থিতি মস্কো বজায় রেখেছে।

২০১০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বিতর্কিত ভূখণ্ডটি সফরকারী প্রথম রুশ নেতা। পরে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালেও তিনি সেখানে কয়েকবার সফর করেছেন।

বিতর্কিত চারটি দ্বীপ আগ্নেয় কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অংশ। এই দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ থেকে দক্ষিণে জাপানের প্রধান উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইডো পর্যন্ত বিস্তৃত একটি প্রশস্ত বাঁক তৈরি করেছে।

১৯৪৫ সালের ৮ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। দুদিন আগে হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলা হয়েছিল। যুদ্ধ শেষ হওয়ার ছয় দিন আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন এ যুদ্ধ ঘোষণা করে।

দুই দেশেই দ্বীপগুলো প্রায় একই নামে পরিচিত। রুশ ভাষায় এগুলো কুনাশির, হাবোমাই, শিকোতান ও ইতুরুপ। অপরদিকে জাপানি ভাষায় এগুলো কুনাশিরি, হাবোমাই, শিকোতান ও এতোর্ফু নামে পরিচিত।

প্রায় ২০ হাজার রুশ নাগরিক কঠোর আবহাওয়ার মধ্যে এসব দ্বীপে বাস করছেন। তবে, দ্বীপগুলোতে সোনা ও রুপাসহ খনিজ সম্পদ রয়েছে। সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদও এখানে বিদ্যমান।

দ্বীপগুলো দখলের পর মস্কো সেখানে বসবাসকারী প্রায় ১৭ হাজার জাপানি নাগরিককে বিতাড়িত করে।

পরবর্তীতে স্নায়ুযুদ্ধের সময় দ্বীপগুলো কৌশলগতভাবে গুরুত্ব পায়। যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপানের মুখোমুখি অবস্থানে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেখানে বিমান ও নৌঘাঁটি স্থাপন করে।

টোকিও ও মস্কোর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে চলমান আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। ১৯৫৬ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সময় সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ বিতর্কিত দ্বীপগুলোর দুটি জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর আলোচনা আবার শুরু হলেও এতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে ইসরাইলের ‘বিপর্যয়কর’ নীতির সমালোচনা সাবেক জার্মান রাষ্ট্রদূতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


পশ্চিম তীরে ইসরাইলের ‘বিপর্যয়কর’ নীতির সমালোচনা সাবেক জার্মান রাষ্ট্রদূতের

ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জার্মানির সাবেক রাষ্ট্রদূত স্টেফান জাইবার্ট ইসরাইল সরকারের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরে দেশটির ‘বিপর্যয়কর’ বসতি স্থাপন নীতি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। বুধবার প্রকাশিত একটি গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে তিনি এ ধরনের সমালোচনা প্রকাশ করেন।

সাপ্তাহিক পত্রিকা ডি জাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ব্যক্ত করেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের নীতি হচ্ছে ‘মানসিক ও শারীরিক সহিংসতার মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত করার’ একটি বাস্তবায়ন।

বার্লিন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। আধুনিক জার্মানি দীর্ঘ সময় ধরে নাৎসি যুগ ও হলোকাস্টের ভয়াবহতার প্রায়শ্চিত্ত করতে ইসরাইলের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জাইবার্ট তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, মার্কেলের সেই বক্তব্য—‘ইসরাইলের নিরাপত্তা জার্মানির রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের স্বার্থের অংশ’—এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমারেখার মধ্যে থাকা ইসরাইলকে বুঝানো হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, ‘যদি হামাসের প্রাণঘাতী হামলা, হিজবুল্লাহর সমান প্রাণঘাতী পরিকল্পনা অথবা ইরানের কারণে ইসরাইলের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে আমাদের অবশ্যই এই রাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

তবে তিনি জাইটকে বলেন, ‘জর্ডান উপত্যকার বসতি স্থাপনকারীদের বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনে এগুলো অবৈধ বসতি। এগুলো একটি মতাদর্শের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে যে, এই ভূমি শুধুমাত্র আমাদের এবং ঈশ্বর এটি আমাদের দিয়েছেন।’

‘রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের স্বার্থের ধারণা এত দূর বিস্তৃত নয়। এটি অন্য একটি জনগোষ্ঠীর ওপর শ্রেষ্ঠত্ববোধকে সমর্থন করে না।’

তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনিদেরও এটি জানানো প্রয়োজন যে নিজেদের রাষ্ট্রে বসবাসরত ইসরাইলি জনগণের অধিকারকে সম্মান করতে হবে।

জাইবার্ট বলেন, ‘আমরা যখন—সঙ্গত কারণেই—বলছি যে আমরা ইসরাইলের পাশে আছি, তখন আমাদের কী বোঝাতে চাই, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।’

তবে তিনি বলেন, ‘এর অর্থ এই নয় যে ইসরাইল রাষ্ট্রের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। যেমন দখলদারিত্ব, যা বর্তমানে ৬০তম বছরে প্রবেশ করছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%