বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:১৪ পি.এম
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৃহস্পতিবার দেশটির দূরপ্রাচ্যের কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন। এই সফরের কারণে দ্বীপপুঞ্জটির দাবিদার জাপান ‘তীব্র’ প্রতিবাদ জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে উত্তেজনা বিদ্যমান রয়েছে। জাপানে এইসব দ্বীপ ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ হিসেবে পরিচিত। ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপগুলো দখল করে নেয়।
মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।
ক্রেমলিন কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। রুশ সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি সেখানে একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে তাকে ক্যাভিয়ারও পরিবেশন করা হয়।
পুতিন সাখালিনে ঘনিষ্ঠ রুশ দ্বীপ সফরের পর কুরিল দ্বীপপুঞ্জে যান। সাখালিনে রাশিয়ার নৌবাহিনী সামরিক মহড়াও চালাচ্ছিল।
রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তি জানিয়েছে, সাখালিনে পুতিন ‘রাশিয়ার পূর্ব সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা’ সম্পর্কে একটি বৈঠক করেন।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো অবনতি ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে চীন ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক গভীর হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে জাপান পুতিনের সফরের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনেও জাপানের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই সফরের বিরুদ্ধে জাপান সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।’
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন হোক্কাইডোর উত্তরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জটি দখল করে নেয়। তারপর থেকে সেখানে সামরিক উপস্থিতি মস্কো বজায় রেখেছে।
২০১০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বিতর্কিত ভূখণ্ডটি সফরকারী প্রথম রুশ নেতা। পরে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালেও তিনি সেখানে কয়েকবার সফর করেছেন।
বিতর্কিত চারটি দ্বীপ আগ্নেয় কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অংশ। এই দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ থেকে দক্ষিণে জাপানের প্রধান উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইডো পর্যন্ত বিস্তৃত একটি প্রশস্ত বাঁক তৈরি করেছে।
১৯৪৫ সালের ৮ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। দুদিন আগে হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলা হয়েছিল। যুদ্ধ শেষ হওয়ার ছয় দিন আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন এ যুদ্ধ ঘোষণা করে।
দুই দেশেই দ্বীপগুলো প্রায় একই নামে পরিচিত। রুশ ভাষায় এগুলো কুনাশির, হাবোমাই, শিকোতান ও ইতুরুপ। অপরদিকে জাপানি ভাষায় এগুলো কুনাশিরি, হাবোমাই, শিকোতান ও এতোর্ফু নামে পরিচিত।
প্রায় ২০ হাজার রুশ নাগরিক কঠোর আবহাওয়ার মধ্যে এসব দ্বীপে বাস করছেন। তবে, দ্বীপগুলোতে সোনা ও রুপাসহ খনিজ সম্পদ রয়েছে। সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদও এখানে বিদ্যমান।
দ্বীপগুলো দখলের পর মস্কো সেখানে বসবাসকারী প্রায় ১৭ হাজার জাপানি নাগরিককে বিতাড়িত করে।
পরবর্তীতে স্নায়ুযুদ্ধের সময় দ্বীপগুলো কৌশলগতভাবে গুরুত্ব পায়। যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপানের মুখোমুখি অবস্থানে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেখানে বিমান ও নৌঘাঁটি স্থাপন করে।
টোকিও ও মস্কোর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে চলমান আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। ১৯৫৬ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সময় সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ বিতর্কিত দ্বীপগুলোর দুটি জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর আলোচনা আবার শুরু হলেও এতে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জার্মানির সাবেক রাষ্ট্রদূত স্টেফান জাইবার্ট ইসরাইল সরকারের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরে দেশটির ‘বিপর্যয়কর’ বসতি স্থাপন নীতি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। বুধবার প্রকাশিত একটি গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে তিনি এ ধরনের সমালোচনা প্রকাশ করেন।
সাপ্তাহিক পত্রিকা ডি জাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ব্যক্ত করেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের নীতি হচ্ছে ‘মানসিক ও শারীরিক সহিংসতার মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত করার’ একটি বাস্তবায়ন।
বার্লিন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। আধুনিক জার্মানি দীর্ঘ সময় ধরে নাৎসি যুগ ও হলোকাস্টের ভয়াবহতার প্রায়শ্চিত্ত করতে ইসরাইলের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জাইবার্ট তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানিয়েছেন, মার্কেলের সেই বক্তব্য—‘ইসরাইলের নিরাপত্তা জার্মানির রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের স্বার্থের অংশ’—এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমারেখার মধ্যে থাকা ইসরাইলকে বুঝানো হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘যদি হামাসের প্রাণঘাতী হামলা, হিজবুল্লাহর সমান প্রাণঘাতী পরিকল্পনা অথবা ইরানের কারণে ইসরাইলের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে আমাদের অবশ্যই এই রাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
তবে তিনি জাইটকে বলেন, ‘জর্ডান উপত্যকার বসতি স্থাপনকারীদের বিষয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনে এগুলো অবৈধ বসতি। এগুলো একটি মতাদর্শের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে যে, এই ভূমি শুধুমাত্র আমাদের এবং ঈশ্বর এটি আমাদের দিয়েছেন।’
‘রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের স্বার্থের ধারণা এত দূর বিস্তৃত নয়। এটি অন্য একটি জনগোষ্ঠীর ওপর শ্রেষ্ঠত্ববোধকে সমর্থন করে না।’
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনিদেরও এটি জানানো প্রয়োজন যে নিজেদের রাষ্ট্রে বসবাসরত ইসরাইলি জনগণের অধিকারকে সম্মান করতে হবে।
জাইবার্ট বলেন, ‘আমরা যখন—সঙ্গত কারণেই—বলছি যে আমরা ইসরাইলের পাশে আছি, তখন আমাদের কী বোঝাতে চাই, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।’
তবে তিনি বলেন, ‘এর অর্থ এই নয় যে ইসরাইল রাষ্ট্রের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। যেমন দখলদারিত্ব, যা বর্তমানে ৬০তম বছরে প্রবেশ করছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত দুই সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে ইরান থেকে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে যে, ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বেলুচেস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে ওই দুই ব্যক্তি নিহত হন।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, একই ঘটনায় আরো চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সিস্তান ও বেলুচেস্তান প্র province কোন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এবং অবকাঠামোর ক্ষতি করার লক্ষ্যে ইরানে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন।
এদিকে ইরানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাসুল সানায়ি-রাদ মন্তব্য করেছেন যে, ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধ হলে ইরান আরো কঠোরভাবে এবং আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে। ফার্স নিউজ এজেন্সি তার বক্তব্যের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সুপ্রিম লিডারের কার্যালয়ের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সানায়ি-রাদ বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধে আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছি। ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধ হলে আমরা আরো দৃঢ়ভাবে এবং আরো আক্রমণাত্মকভাবে প্রতিরোধ করব।’
যুক্তরাষ্ট্রের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, ইরানের ‘শত্রু’ অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে দেশের ভেতরে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। তবে সেসব পরিকল্পনা সফল হওয়ার দাবি তিনি করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। জামিন পাওয়ার পর তিনি সংবাদমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান।
২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর ‘অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশন’ এর এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকার আদালতে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা এবং মূল্য পরিশোধ করবেন বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু পরে শাড়িটির মূল্য পরিশোধ না করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ ঘটনায় মামলার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ডিবির দেয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত এবং তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান অভিনেত্রী। আদালতে অভিনেত্রীর পক্ষের আইনজীবী শাড়ি প্রচারণার প্রমাণ উপস্থাপন করেন, যা দেখে তাতে সন্তুষ্ট হয়ে তিশাকে জামিন দেন আদালত।
জামিন পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন, "আমার অনেক সম্মান হানি হয়েছে। আমি একটা কথা বলতে চাই আজকে যিনি আমার নামে এ কাজটা করেছেন আমাকে হ্যারেস করার জন্য তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে তিনি এটা করেছেন, আমাকে হুমকিও দিয়েছেন। সেগুলো আমি পরে আপনাদের জানাবো।"
তানজিন তিশা আরও বলেন, "আমি একটা কতাই বলবো, তারও কিন্তু একটা মেয়ে আছে। আজকে আমি ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি আত্মসাৎ করেছি। ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে এটা কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আমি আদালতে আসবো। তাই আমি চাই, কেই যেন কাউকে এভাবে ভবিষ্যতে হ্যারেস না করে। আমি যেন আইনে একটা ন্যায়বিচার পাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ার নন্দীগ্রামে ফলজ বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ই আগষ্ট) বিকেল সারে ৩টার সময় নন্দীগ্রাম মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের মাঝে কাঠাল, পেয়ারা, জাম, জলপাই সহ উক্ত ফলজ বৃক্ষ বিতরণ করা হয়।
বগুড়া জেলা সেচ্ছাসেবক দলের নির্দেশনা মোতাবেক উক্ত ফলজ বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেন নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবক দল।
উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল হাকিম রিন্টুর নেতৃত্বে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো, সাবিরুল ইসলাম (চঞ্চল) তালুকদার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কোরবান আলী, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাজু আহম্মেদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক তারেক আহম্মেদ, সানাউল্লাহ বাকি, সেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুল মান্নান, সিপন তালুকদার, হেলাল, রানা প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ