মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৯ পি.এম
বলিউডের অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদভানির ঘরে কি আসছে দ্বিতীয় সন্তান? এই প্রশ্নটি সম্প্রতি সালমান খানের একটি মন্তব্যের পর থেকে উঠে এসেছে। ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ওয়ার’-এ সিদ্ধার্থকে সালমান বলেন, “আশা করি খুব শিগগিরই আরো একটি সন্তান হবে।”
নতুন সিনেমা ‘দ্য ভাভান : ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’-এর প্রচারের জন্য ‘বিগ বস ২০’-এর মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং তামান্না ভাটিয়া। সেখানেই সিদ্ধার্থের বিয়ে এবং বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেন সঞ্চালক সালমান খান।
সালমান সিদ্ধার্থের কাছে জানতে চান, বিয়ের পর তার জীবন কেমন কাটছে এবং বাবা হওয়ার অনুভূতি কেমন। অভিনেতা জবাবে বলেন, “সবকিছুই খুব ভালো চলছে।”
এরপর সালমান মজা করে সিদ্ধার্থকে তার বিয়ের কথা মনে করিয়ে দেন। সিদ্ধার্থ জানান, একসময় সালমান তাকে বারবার বিয়ে করার পরামর্শ দিতেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে সালমান বলেন, “তখন সিদ্ধার্থ লাজুক বরের মতো ছিলেন।”
সিদ্ধার্থ জানান, তিনি এবং কিয়ারা তাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিন গোপন রেখেছিলেন। সঠিক সময়েই তারা সেই ‘গোপন’ বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছিলেন। তখন সালমান মজা করে বলেন, “সেই গোপন কথাই এখন সন্তানের মধ্যে।”
২০২৫ সালের জুলাইয়ে সিদ্ধার্থ এবং কিয়ারা কন্যাসন্তানের বাবা-মা হন। তাদের মেয়ের নাম রাখা হয়েছে সারায়াহ মালহোত্রা। বর্তমানে মেয়ের বয়স প্রায় ১৫ মাস। বাবা হওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে সিদ্ধার্থ বলেন, “বাবা হওয়াই তার কাছে সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি।”
মেয়েকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সিদ্ধার্থ জানান, তাদের মেয়ে খুবই আদরের। সে নতুন নতুন কথা বলছে এবং অনেক কিছু শিখছে। তার কাছে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি।
এরপর সালমান সিদ্ধার্থকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আশা করি খুব শিগগিরই আরো একটি সন্তান হবে।” সালমানের এই মন্তব্যের পর সিদ্ধার্থ-কিয়ারার দ্বিতীয় সন্তান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে দম্পতির পক্ষ থেকে দ্বিতীয় সন্তান আসার বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সিদ্ধার্থ এবং কিয়ারার সম্পর্কের শুরু ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়। দীর্ঘদিন নিজেদের সম্পর্ক ব্যক্তিগত রাখার পর ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমেরে ঘরোয়া আয়োজনে তারা বিয়ে করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় চলতি বছরের নভেম্বর মাসের ৭ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে হতে পারে, এই তথ্য জানিয়েছেন আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
তিনি মঙ্গলবার বিকেলে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
আরো পড়ুন
পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলে বের হবে—কারা ককটেল ফাটাচ্ছে
অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরও জানান, ফল প্রস্তুতির কাজ আমাদের চলমান রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে পরীক্ষার আয়োজন কিছুটা দেরিতে হলেও, ওই অঞ্চলের ফলাফল তৈরির জন্য অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সম্ভাব্য সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে সক্ষম হবে।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল চলতি বছরের ২ জুলাই এবং তা চলে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টে শেষ হলেও, চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চলতি মাসের ৯ তারিখে শেষ হয়েছে।
এ বছর সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম জানিয়েছেন, পুরান ঢাকার বংশালের ঐতিহ্যবাহী পুকুরের পাড় ভাঙনরোধ, সংরক্ষণ ও আধুনিকায়নের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পুকুরটির মালিকানা বা ব্যবস্থাপনা সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তরিত হলে উন্নয়নকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
আজ রাজধানীর নগর ভবনে প্রশাসকের সভাকক্ষে বংশাল এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদসহ স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা এলাকার দীর্ঘদিনের নাগরিক সংকট, বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা এবং যাতায়াত ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। তারা বংশালের পুরনো পুকুরটির পাড় ভেঙে আশপাশের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, 'বংশাল পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী একটি এলাকা। এখানকার পুরনো পুকুরটির পাড় ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের বাসাবাড়ি ও ভবন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় পুকুরটি সংরক্ষণ করা জরুরি।'
তিনি আরো বলেন, 'পুকুরটি সিটি কর্পোরেশনের অধীনে না এলে সেখানে সরকারি তহবিলে উন্নয়নকাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় মুরুব্বিরা এটি ডিএসসিসির ব্যবস্থাপনায় বুঝিয়ে দেওয়া মাত্রই আমরা কাজ শুরু করব। এটিকে সৌন্দর্যবর্ধন, লাইটিং ও সবুজায়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক পার্কের আদলে গড়ে তোলা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন।'
প্রশাসক জানান, সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখার জন্য ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে একটি কারিগরি দল দ্রুতই বংশালের পুকুরটি পরিদর্শনে যাবে। তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পঞ্চায়েত কমিটির সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে পুরান ঢাকার এই ঐতিহ্য রক্ষায় ডিএসসিসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মিরপুর ডিওএইচএস-এ নির্মিত 'অপরাজিতা' বহুতল ভবনে শহীদ পরিবারের জন্য ফ্ল্যাট বরাদ্দপত্র আজ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হস্তান্তর করা হয়েছে, যা বিডিআর বিদ্রোহ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এবং বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বা নিহতদের জন্য।
এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিডিআর বিদ্রোহ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন আভিযানিক ও অনাভিযানিক কারণে শহীদ ও গুরুতর আহত মোট ৭০টি পরিবারের জন্য বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ডিওএইচএস সেন্ট্রাল কমিটির তত্ত্বাবধানে সরকারের অনুমোদনের মাধ্যমে মিরপুর ডিওএইচএস-এ দু’টি ভবনে ১৫৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বরাদ্দগ্রহীতাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর, সেনাসদর এবং সেনাকল্যাণ কনস্ট্রাকশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড (এসকেসিডি)-এর কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়, যারা বিডিআর বিদ্রোহ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন আভিযানিক ও অনাভিযানিক কারণে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন অথবা গুরুতর আহত হয়েছেন।
এছাড়া, অনুষ্ঠানে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মঙ্গলবার এক কিশোর গুলি চালানোর ফলে ১১ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ পরে হামলাকারী কিশোরকে আটক করেছে।
এ তথ্য দেশটির একজন মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।
মানিসা প্রদেশের তুরগুতলুতে স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই এলাকা পশ্চিমাঞ্চলের পর্যটন শহর ইজমিরের নিকটে অবস্থিত। প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয় থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
তুরস্কে স্কুলে গুলিবর্ষণের ঘটনা সাধারণত বিরল। তবে গত এপ্রিলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে পরপর দুই দিন দুটি হামলার ঘটনা ঘটে, যা ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
তুরস্কের তুরগুতলু থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর প্রকাশ করেছে।
বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘১১ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত। হামলাকারী কিশোরকে দ্রুত শনাক্ত করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, হামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজনের বাবা-মা ও দাদাকেও আটক করা হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। আতঙ্কিত অভিভাবকরাও সেখানে জড়ো হন।
ডএইচএ সংবাদ সংস্থা সিসিটিভির একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কালো জিনস, কালো জ্যাকেট এবং সবুজ পোশাক পরা এক তরুণ রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার হাতে একটি লম্বা নলের আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।
আইএইচএও একই ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে তাকে দৌড়াতে দেখা যায়।
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি জানিয়েছে, হামলাকারীর কাছে অস্ত্রটি ছিল একটি শটগান।
স্কুলের বাইরে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় এক নারীকে চিৎকার করতে দেখা যায়। দর্শনার্থীরা স্কুলের বেড়ার পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন।
গুরলেক জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি কিশোরটির কাছে কীভাবে পৌঁছালো, অস্ত্রটি কীভাবে সংরক্ষণ ও তদারকি করা হয়েছিল এবং ঘটনার আগে তাকে হয়রানি করা হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই বিদ্যালয়ে দিনের সব ক্লাস স্থগিত করা হয়েছে।
তুরস্কের স্কুলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টির পাঁচ মাস পর এই হামলা ঘটল। গত এপ্রিলে পরপর দুটি স্কুলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
এপ্রিল মাসে দক্ষিণাঞ্চলীয় কাহরামানমারাশ প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর গুলি চালায়। এতে একজন শিক্ষক এবং ১০ ও ১১ বছর বয়সী নয় শিক্ষার্থী নিহত হয়। ঘটনাস্থলেই হামলাকারীর মৃত্যু হয়।
এর এক দিন আগে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশে এক কিশোর তার সাবেক উচ্চ বিদ্যালয়ে গুলি চালায়। এতে ১৬ জন আহত হয়। পুলিশ তাকে ঘিরে ফেললে সে নিজের জীবন নেয়।
পরপর ওই দুই হামলার পর প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এক উপশিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করেন। একই সঙ্গে তার সরকার আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানায় আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রতিশ্রুতি দেন।
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার এক দিন পর এই হামলা ঘটল। শিক্ষাবর্ষটি শুরু হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর। এর এক দিন আগে শিক্ষামন্ত্রী ইউসুফ তেকিন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফতচি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নির্ধারণ করে একটি প্রটোকলে স্বাক্ষর করেন।
তিনি জানান, প্রথমবারের মতো ৩১ হাজার স্কুলের জন্য নিরাপত্তা তদারককারী নিয়োগ করা হয়েছে।
মুস্তাফা বলেন, মন্ত্রণালয় স্কুলগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়ন করেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের ঝুঁকিপূর্ণ স্কুলগুলোতে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা সেখানে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত স্কুলগুলোতে পুলিশ লিয়াজোঁ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ