সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৫ এম
ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ পশ্চিম তীরে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ’ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, গাজায় ইসরাইল যে ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে, পশ্চিম তীরেও একই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, ডানপন্থি রিলিজিয়াস জিওনিজম পার্টির নেতা স্মোটরিচ এই মন্তব্য করেন। তিনি পশ্চিম তীরের কিছু অঞ্চলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) সীমিত স্বায়ত্তশাসন বিলুপ্ত করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
স্মোটরিচের এই মন্তব্য এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব ‘সুক্কোত’ উপলক্ষে, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রবেশের বিভিন্ন পথ ‘সম্পূর্ণভাবে বন্ধ’ করার নির্দেশ দেয়।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পশ্চিম তীরের রামাল্লা শহরের আশপাশে ইসরাইলি বাহিনী চলাচলে কড়াকড়ি আরও বাড়িয়েছে। বেশ কিছু শহর ও গ্রামের সড়ক এবং প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
রামাল্লার উত্তরে তুরমুস আয়্যার প্রবেশপথও বন্ধ করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের হয়রানি করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াফা জানিয়েছে।
এছাড়া আবুদ, নবী সালেহ, আতারা ও তাইবেহ এলাকার প্রবেশপথ বন্ধ করা হয়েছে। ইয়াবরুদ ও আইন সিনইয়া এলাকার প্রবেশপথে সামরিক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
স্মোটরিচ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ এবং ওই অঞ্চলে ইসরাইলের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পক্ষে দৃঢ় সমর্থক। নির্বাচনের আগে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক জোটগুলোর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনের জন্য তিনি নিজের রাজনৈতিক অংশীদারদের ছেড়ে যাবেন না।
তিনি আরও বলেন, তার রাজনৈতিক শিবির ইহুদি পরিচয়, জায়নবাদ, ভূমির প্রতি ভালোবাসা, বসতি স্থাপন এবং নিরাপত্তা নীতির মতো বিষয়গুলোতে ঐকমত্যে বিশ্বাস করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কওমি ধারার সাতটি ইসলামী দলের নেতারা নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করে ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য একটি বৈঠক করেছেন। ঐক্য প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ২৪ সদস্যের লিয়াজোঁ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তবে, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
গতকাল রবিবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরী মাদরাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।
বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা অংশগ্রহণ করেন। সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।
নতুন লিয়াজোঁ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই দিনের মধ্যে নিজেদের প্রতিনিধিদের নাম হেফাজতে ইসলামের মহাসচিবের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভায় ফিরে আসলে এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার হুমকি দিয়েছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বেন-গভির ফিলিস্তিনি বন্দি হাসান সালামেহর কারাকক্ষে গিয়ে তাকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছেন। তিনি সালামেহকে বলেন, ‘আমি তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দিতে চাই।’
ভিডিওটির সঙ্গে দেওয়া এক বিবৃতিতে বেন-গভির জানান, তিনি যদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন, তাহলে সালামেহর মতো বন্দিদের ‘মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করবেন’।
এছাড়া, একই বিবৃতিতে গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার নীতিও এগিয়ে নেওয়ার কথা জানান তিনি।
হাসান সালামেহ ১৯৯৬ সাল থেকে ইসরাইলে বন্দি রয়েছেন। ১৯৯০-এর দশকে প্রাণঘাতী কয়েকটি বোমা হামলার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাকে একাধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও বেন-গভিরের প্রকাশ করা ভিডিও নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা ভিডিওটিকে সালামেহর বিরুদ্ধে সরাসরি ‘মৃত্যুর হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করে এর নিন্দা করেছে।
বেন-গভিরের এই বক্তব্য আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দেশটির বন্দি নীতি এবং গাজা ও পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোর থেকে গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর একের পর এক হামলায় অন্তত চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছে আরো ১২ জন। আলজাজিরা সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গাজা সিটির উত্তরের তাওয়াম এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা বিভাগের একজন কর্মকর্তা।
এএনআই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আরো একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নাসের হাসপাতাল জানিয়েছে, দিনের শুরুতে খান ইউনিসের কেন্দ্রীয় এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে তিনি আহত হন। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এর আগে গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়, যাতে একজন নিহত হন। দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি অস্থায়ী তাঁবুতেও ড্রোন হামলা চালানো হয়, এতে আরো একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায় বলে আলজাজিরা জানিয়েছে।
এদিকে, ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে পরিচালিত একটি লক্ষ্যভিত্তিক হামলায় হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ান নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, হামাসের অর্থনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে তাদের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানান, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, খান ইউনিসে হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ানকে হত্যা করা হয়েছে। ইসরায়েলি নেতৃত্ব দাবি করে, হামাসের অর্থের প্রবাহ ও সংগঠনের কার্যক্রমে আবু আলওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নেতানিয়াহু ও কাটজ বলেন, হামাসের নেতৃত্ব ও অর্থের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাজায় হামাসের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।
তারা আরো বলেন, হামাসের কমান্ডার ও সদস্যদের খুঁজে বের করা হবে এবং সংগঠনটির অর্থের উৎসগুলোকে লক্ষ্য করা হবে। একই সঙ্গে হামাসের অবকাঠামো ধ্বংস করার কাজও চলবে বলে জানান তারা। ইসরায়েলি নেতৃত্বের ভাষ্য, হামাসকে আবার শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। গাজায় হামাসের অস্তিত্ব না থাকা পর্যন্ত তাদের অভিযান বন্ধ হবে না। আবু আলওয়ান নিহত হওয়ার ঘটনা গাজায় হামাসের অর্থনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বড় ধরনের অভিযানগুলোর একটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা আজ সোমবার শুরু হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষা দুপুর ১টায় ইংরেজি (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। পরীক্ষার কোড ২২০২ এবং প্রতিটি পরীক্ষা দুপুর ১টায় শুরু হবে। পরীক্ষার সময়কাল প্রশ্নপত্রে উল্লেখ থাকবে।
সূচি অনুযায়ী, আজ প্রথম পরীক্ষায় ইংরেজি (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিভিন্ন তারিখে বাংলা, ইংরেজি, আরবি, সংস্কৃত, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, ইসলামী শিক্ষা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, অর্থনীতি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, মনোবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ব্যাবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। ব্যাবহারিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় যথাসময়ে জানানো হবে। পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ কলেজে যোগাযোগ করে ব্যাবহারিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় জেনে নিতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সব তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে প্রশ্নপত্রের ট্রাংক ট্রেজারি থেকে বের করা যাবে না। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ