বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৭ এম
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী পাইলগাঁও জমিদারবাড়ি। স্থানীয়ভাবে ‘বাবুরবাড়ি’ নামেও পরিচিত এই প্রাচীন স্থাপনাটি ভাটি অঞ্চলের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
প্রায় সাড়ে ৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই জমিদারবাড়িকে সরকারি পর্যটন তথ্যসূত্রে তিন শত বছরেরও বেশি পুরোনো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাড়িটির দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কুশিয়ারা নদী। নদী, সবুজ প্রকৃতি ও প্রাচীন স্থাপত্য মিলিয়ে জায়গাটির রয়েছে আলাদা ঐতিহাসিক সৌন্দর্য।
জমিদার বংশের ইতিহাস:
ঐতিহাসিক অচ্যূতচরণ চৌধুরীর বর্ণনা অনুযায়ী, পাইলগাঁওয়ে প্রাচীনকালে পাল বংশীয় মানুষের বসতি ছিল বলে বংশীয় সূত্রে জানা যায়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রজন্মের মাধ্যমে এ পরিবারের বিস্তার ঘটে।
বংশের এক পর্যায়ে উমানন্দ ধর ওরফে বিনোদ রায় দিল্লির মোহাম্মদ শাহ বাদশাহর কাছ থেকে চৌধুরী সনদ লাভ করেন বলে ঐতিহাসিক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে। তাঁর বংশধরদের মধ্যে মাধবরাম জনহিতকর কাজের জন্য পাইলগাঁওয়ে একটি বড় দিঘি খনন করেন, যা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ফের ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
বাজুস আরও জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচর সংলগ্ন সাগরে মাছ ধরার ট্রলার বিকল হয়ে পাঁচদিন ধরে ভেসে থাকার পর ১৮ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে স্বজনদের পাঠানো একটি মাছ ধরার ট্রলারে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জের জোবায়ের এন্টারপ্রাইজের মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী। তিনি বলেন, ‘তাদের একটি ট্রলার পাঠিয়ে জেলেদের উদ্ধার করা হয়েছে।’
উদ্ধারকারী ট্রলারে থাকা বিকল ট্রলারের মালিক হানিফ মাঝির ভাই ফিরোজ রাঢ়ী জানান, তার ভাইসহ ট্রলারের ১৮ জন মাঝিমাল্লাকেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সোনারচর সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের পাচকপাট স্লুইসগেট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এর আগে শনিবার সাগরে মাছ ধরার পর রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হানিফ মাঝির মালিকানাধীন ট্রলারের পাখা ভেঙে যায়। এরপর থেকে সোনারচর ও রূপারচরের মাঝামাঝি এলাকায় বিকল অবস্থায় নোঙর করেছিল ট্রলারটি।
মঙ্গলবার নেটওয়ার্ক পাওয়ার পর ট্রলার মালিক হানিফ মাঝি বিষয়টি তার এলাকার আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারীকে জানান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে উদ্ধারের সহায়তা চাওয়া হয়।
তিন নম্বর সতর্কসংকেতের মধ্যে উত্তাল সাগরে উদ্ধার অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে আড়তদারের পাঠানো ট্রলারে পাঁচদিন পর ১৮ জেলেকে উদ্ধার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিউটেশন ফাইলে ১০–২০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ, জালালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের দাবি:
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমিসেবা নিতে গিয়ে অনিয়ম, হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ তুলেছেন একাধিক সেবাগ্রহীতা। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা নিয়াজ মাখদুম। পাশাপাশি জালালের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় ও ভূমি অফিসের বিভিন্ন কাজে মধ্যস্থতার অভিযোগও উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নামজারি বা মিউটেশন, খতিয়ান সংশোধন, ওয়ারিশসূত্রে জমির রেকর্ড, জমাভাগসহ বিভিন্ন ভূমিসেবা পেতে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো কোনো মিউটেশন ফাইলের কাজ করিয়ে দেওয়ার জন্য ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চুক্তি করা হয়।
সরকারি ফি বনাম কথিত অতিরিক্ত অর্থ: সরকারি ভূমি তথ্য বাতায়নে প্রকাশিত ফি অনুযায়ী, মিউটেশন আবেদনের কোর্ট ফি ২০ টাকা, নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা এবং অনুমোদনের পর DCR ফি ১,১০০ টাকা। সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ অনুযায়ী এর বাইরে ১০–২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হলে সেই অতিরিক্ত অর্থের বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
জালালের মাধ্যমে লেনদেনের অভিযোগ: ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জালাল ভূমি অফিসকেন্দ্রিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন। তার মাধ্যমে ফাইলের কাজ দ্রুত করে দেওয়ার কথা বলে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ফাইলের ধরন ও জমির জটিলতা অনুযায়ী টাকার অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়। একাধিক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে এভাবে অর্থ নেওয়া হয়ে থাকলে মোট লেনদেনের পরিমাণ কত-তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসতে পারে।
অন্যের জমি ও জাল দলিল নিয়েও অভিযোগ: স্থানীয়দের অভিযোগ, অন্যের জমি নিজের নামে নামজারি করার চেষ্টা, ওয়ারিশদের বাদ দিয়ে রেকর্ড পরিবর্তন, সন্দেহজনক বা জাল দলিল ব্যবহার এবং জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টির মতো বিষয়েও দালালদের তৎপরতা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো জমি বা দলিলের বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগ নথিপত্র যাচাই ছাড়া সত্য হিসেবে দাবি করা যাচ্ছে না।
তদন্তের দাবি: ভুক্তভোগীরা বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বরিশাল জেলা প্রশাসনের কাছে পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মিউটেশনসহ সংশ্লিষ্ট ফাইলগুলো তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। বিশেষ করে নিয়াজ মাখদুম ও জালালের ভূমিকা, অর্থ লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ফাইলের নথিপত্র যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে নিয়াজ মাখদুম ও জালালের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
বিশেষ অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ