বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ পি.এম
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী বছরের শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুসারে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোর নির্বাচন ধাপে ধাপে শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।
জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রথম স্লটের নির্বাচন শুরু হলে, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে জানানো হয়েছে যে রমজান মাসের আগে তিনটি স্লটে দুই হাজার ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
আজ বুধবার, রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যদি প্রথম স্লটের নির্বাচন হয়, তাহলে তার ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "নভেম্বর-ডিসেম্বরে যেহেতু পাবলিক পরীক্ষা রয়েছে, ছাত্র-ছাত্রীরা যেনো নির্বিঘ্নে, সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, সেজন্য আগামী বছরের শুরু থেকে, অর্থাৎ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হতে পারে।"
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং চূড়ান্ত কিছুই হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। ইউপি নির্বাচনের জন্য সকল প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, "আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। আরও যেসব প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন সেটা করব।"
তিনি বলেন, "নির্বাচনের প্রস্তুতি একটা চলমান প্রক্রিয়া।" আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "রমজানের আগে একাধিক স্লটে ইউপি নির্বাচন করার চিন্তা করা হচ্ছে। রমজানের পরে আবার শুরু করে জুন মাসের মধ্যে সকল ইউপি নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।"
রমজানের পরে ইউপি নির্বাচন কবে শুরু হবে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "রমজানের পরেই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। কাজেই তখনকার অবস্থা বিবেচনা করে ঠিক করা হবে।"
ইসি মাছউদ বলেন, "নির্বাচনের ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে। যদি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রথম স্লটের নির্বাচন হয় তাহলে তার ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করতে হবে।"
স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, "ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরপরই আমাদের পৌরসভা নির্বাচন করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারলে তারপর পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকারের অন্য নির্বাচনগুলো হবে।"
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, সবারই সহযোগিতা লাগবে। স্কুল, কলেজের শিক্ষকসহ সকলের সহযোগিতা লাগবে। কাজেই সরকারের সাথে সমন্বয় করেই ভালো নির্বাচন করার জন্য আমরা চেষ্টা করব।"
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে উল্লেখ করে ইসি মাছউদ জানান, "সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইসির প্রস্তুতি সভায় আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।"
ইসি মাছউদ বলেন, "আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ স্বাভাবিক ধরেই আমরা কাজ শুরু করব এবং সেনাবাহিনীকে আমরা প্রথম ডাকবো না। তবে প্রথম ধাপে ইউপি নির্বাচন করে যদি মনে হয়, আইনশৃঙ্খলা আরো শক্ত হওয়া দরকার। সেক্ষেত্রে আমরা বিবেচনা করব। অন্যথায় স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে ডাকার প্রয়োজন এই মুহূর্তে অনুভব করছি না।"
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো ইউপি নির্বাচনও সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার শতভাগ প্রচেষ্টা থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "যেহেতু আমরা দেশব্যাপী একদিন একটা বড় নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছি, সেক্ষেত্রে ইউপি নির্বাচন এলাকাভিত্তিক বা সংখ্যাভিত্তিক এবং বিভিন্ন স্লটে হবে। আমরা চেষ্টা করব যতদূর সম্ভব গণ্ডগোল বা মারামারি বা হানাহানি বা যে সকল অনিয়ম সেটা যতদূর সম্ভব যেন কম হয়।"
এদিকে, দেশের মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২৭২টিতে আইন অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের বাধ্যবাধকতার কারণে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইসির সভা শেষে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ৬ জুনের আগেই স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়।
অপরদিকে, নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, আগামী জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। তিনি বলেন, "সুনির্দিষ্টভাবে আগামী ৬ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন শেষ করা বিষয়ে একটা টাইমলাইন ধরে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। এর মধ্যে যদি সব মামলা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি হয়ে যায় তখন ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা আরো বাড়বে। প্রায় ৫ হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ধাপে ধাপে করতে গেলেও এক একটা ধাপে সংখ্যাটা অনেক বড় হয়ে যাবে।"
তিনি বলেন, "আমরা আশা রাখি, পরীক্ষাগুলো ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে গেলে জানুয়ারির থেকে আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে পারবো।"
এদিকে, সম্প্রতি ‘ইউনিয়ন পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা’, ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। ইসির সংশোধিত বিধিমালায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ২৫ হাজার টাকা ও সদস্য প্রার্থীর জামানত ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয় ১০ লাখ ও সদস্য প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয় ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে কমিশন।
এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে হুমকি, ভীতি-প্রদর্শন ও বাধা প্রদানের শাস্তি অনধিক ২ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান করা হয়েছে।
অন্যদিকে কোনো প্রার্থী নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ অপেক্ষা কম পেলে তার জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হবে। একইসাথে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা সমান হলে কমিশন সর্বোচ্চ সমভোটপ্রাপ্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের মধ্যে পুনঃভোট গ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক ‘সাথী’ পদ থেকে অব্যাহতি এবং বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। আম্মারের পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।
‘শেষ অধিবেশনে ছিলাম!
তিনি উল্লেখ করেন, "এসে দেখি আমি নাকি নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা, অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে শিবির থেকে ২৫ সালে বহিষ্কার হইছি!"
আম্মার বলেন, "রাবি শিবিরের একটা ভয়াবহ গুণ আছে তারা মিথ্যাকে সত্য বানায় আর সত্যকে মিথ্যা।"
তিনি আরও বলেন, "আপনাকে বলবে আপনি নারীর সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করেছেন, চাঁদাবাজি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে পদ দিয়েছেন। এখন সমস্যা হলো ওরা এলিগেশন দেবে আর বলবে এবার প্রমাণ কর তুমি এটা করোনাই।"
আম্মার প্রশ্ন তোলেন, "আচ্ছা আমি যেটা করিনাই সেটার প্রমাণ আমি কিভাবে দেব? ধরেন হঠাৎ জানতে পারলেন আপনাকে একজন বললো চোর। এখন এই বলা কথা পুরো পাড়ায় ছড়িয়ে পড়ল এখন আপনি কিভাবে প্রমাণ করবেন আপনি চোর না?"
তাও আমি কিছু বিষয় আলাপ দেই-
১. নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা -
তিনি জানান, "আমি আমার ক্যাম্পাস লাইফে কোনো বোনের সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করেছি বলে মনে হয় না যেটা ভাইয়ের থেকে অন্যকিছু মিন করবে।"
আম্মার বলেন, "ইভেন আমি রাকসুতে আসা অনেক জুনিয়রদের তুই করে কথা বলি। আমার চরিত্র নিয়ে অন্তত আলাপ দিয়েন না কারণ আপনাদের একজন শাখা দায়িত্বশীল আছে যে দীর্ঘদিন প্রেম করে পরে বিয়ে করছে। হাসপাতালে দেখতে গেছিলাম, গিয়ে দেখি তার গার্লফ্রেন্ড তার বুকে হাত বুলাইয়া দিতেছে। সুতরাং শিবির নারী কেলেংকারীর জন্য বহিষ্কার করেনা এটা ক্লিয়ার।"
২. চাঁদাবাজির অভিযোগ
তিনি আরও বলেন, "সারা দেশে আমাকে নিয়ে একবার মিডিয়া ট্রায়াল হয়েছিল। ৭৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ। এটা এমন ছিল যে জুলাই নিয়ে একটা কনসার্ট করতে প্রশাসনকে অ্যাপ্রোচ করছিলাম। ততকালীন ভিসি স্যার বলেছিলেন এতো টাকা দিয়ে আমাদের আয়োজন করা সম্ভব না। তোমরা যদি চাও আমি রেকমেন্ড করে দিতে পারি সেটা নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে কথা বলতে পার। আমি তখনো এতো পরিচিত ছিলাম না। বিভিন্ন ব্যাংক, বিভিন্ন কোম্পানির কাছে এই প্রপোজাল লেটারটা নিয়ে যাই। এটা বাইরে এনে একদল সোনার ছেলে ছড়ায় যে আমি চাঁদা চেয়ে চিঠি দিছি।"
তিনি বলেন, "এই গর্দভদের আইডিয়াও নাই যে চাঁদা চেয়ে কেউ চিঠি দেয় কিভাবে? সেদিন থেকে আমার নামের আগে যুক্ত হলো চাঁদাবাজ।"
আম্মার অভিযোগ করেন, "৩। অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্য- বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন জায়গায় জায়গায় কমিটি দিচ্ছিল তখন রাজশাহীর স্থানীয় শিক্ষার্থীরা একটা কমিটি নিয়ে আসে। তাদের এ্যাজ ইউজুয়াল ধারণা হলো আমার কেন্দ্রীয় মানুষজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক এজন্য আমি এই রাজশাহীর কমিটি এনে দিছি। বাস্তবতা হলো আমি তাদের এই কমিটির আগে পিছে কোথাও ছিলাম না।"
তিনি বলেন, "এখন তারা ন্যারেটিভ তৈরি করে সেটা প্রতিষ্ঠিত করার ফুল পিআর পলিসি তাদের আছে যেমন আজকেরটাই চিন্তা করেন- কথা শুরু হইছে অ্যাম্বুলেন্স হাইজ্যাক নিয়ে তারা ঘুরাইয়া কবে ২৫ এ আমাকে বহিষ্কার করছিল সেটা স্ট্যাবলিশ করতেছে।"
আম্মার বলেন, "যাইহোক এবার আসি শিবির সংশ্লিষ্টতার আলাপে! যদি গুপ্ত/শুপ্ত আলাপ দেন তাহলে আমার থেকে অপেন এ ক্যাম্পাসের অনেক শাখা দায়িত্বশীলও নাই ইভেন রাবি শিবিরের রানিং শিবির সভাপতিও নাই।"
তিনি উল্লেখ করেন, "যখন এরা পরিচয় দিতে ভয় পাইত, ভয়ে দাড়ি সেভ করে মোচ রেখে নিজেরে বাম পরিচয় দিতো তখন শিবিরের অফিসিয়াল গানে অভিনয় করে আসছি আমি।"
আম্মার বলেন, "আমার রাকসু দপ্তরের অ্যাওয়ার্ড শেল্ফে এখনো সসাস (সেরাদের সেরা-০৫) এ অভিনয়ে চ্যাম্পিয়ন হইছিলাম সেই অ্যাওয়ার্ড আছে। আমি একাধিকবার প্রত্যেক পডকাস্টে বলছি- আপনি আমাকে হাজারবার শিবির বলতে পারেন কারণ আমি শিবিরের ক্রাইটেরিয়াতে পড়ে যাবো ডানপন্থি সংস্কৃতি চর্চার কারণে। এই ডানপন্থি আর কে আছে?"
তিনি জানান, "আমি কলরবের সঙ্গেও কাজ করছি। তারা যে পেপার সামনে আনতেছে এটা তাদের নিজেদের হতেই, তারা চাইলে এটা বানাতে পারেই। আমি তাদের কতোটুকু গুরুত্ব দিতেছি এটাই ফ্যাক্ট।"
আম্মার বলেন, "শিবিরের শাখায় যেদিন একজন গুটিবাজ, নোংরা, ধুরন্দর লোককে মেইন দায়িত্বে যেতে দেখেছি সেদিন থেকেই শিবিরের পলিসি বুঝা শেষ আমার।"
তিনি বলেন, "শতভাগ সত্য হলো শিবির কোথায় জায়গা পেলে যে ঠিক কি পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা দিতে পারে সেটা সালাহউদ্দিন আম্মারের থেকে বেশি কেউ জানে না। তারা একাধিক অভিযোগ এনেছে, একটা প্রমাণ আনেনি। শুধু এলিগেশন।"
আম্মার বলেন, "আমি সাংস্কৃতিক এরিয়ার বাইরে নিজের মস্তিষ্ক বিক্রি করে দিয়ে কোথাও থাকিনি এবং আমাকে কখনো রাখতেও পারবে না। আমি আমার আমলনামা নিয়ে দুনিয়া থেকে যাব এবং যে মিথ্যা অভিযোগগুলো আমার নামে যুক্ত হচ্ছে সেগুলো আমি নিয়ে যাব সেদিনের বিচারের জন্য।
আমি আজ আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বললাম!
তিনি আরও বলেন, "আমি আজ পর্যন্ত কোনোদিন আনিত অভিযোগগুলোর কোনোটার সঙ্গেই সম্পৃক্ত না। এখন যেটা আমি করিনি সেটার অভিযোগ যদি আমার বিরুদ্ধে দেন তো আমি প্রমাণ কিভাবে দেব? তাদের আল্লাহ মিথ্যাকে সত্য বানানোর অসীম ক্ষমতা দিয়েছে তবে এটা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। আশা করি আজকের পর থেকে দয়া করে কেউ শিবির বলে গালি দেবেন না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু দাবি করেছেন যে, রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন বিভাগকে দীর্ঘ ১৭ বছরে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন যে, রাষ্ট্রযন্ত্রের পঙ্গুত্বের ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এখনো অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসামঞ্জস্য বিদ্যমান রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা কমপ্লেক্সের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, কুড়িগ্রামকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। যদিও সরকার এই জেলা থেকে কোনো আসন পায়নি, তবুও উন্নয়নের ক্ষেত্রে কুড়িগ্রামকে অবহেলা করা হবে না। কারণ, এটি দেশের একটি পশ্চাৎপদ জেলা এবং এখানকার অনেক মানুষ এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, কুড়িগ্রামে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য কমানোর জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এসব প্রকল্পের বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানোর পাশাপাশি সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে, মন্ত্রী রাজারহাট উপজেলা কমপ্লেক্সের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন এবং পরে ভবনটি পরিদর্শন করেন। এ সময় কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসেন কায়কোবাদ, উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট সিরাজুল ইসলাম মোল্লাকে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যিনি বেঙ্গল টাইগার সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হয়েছেন এইচবিএম ইকবালের শেয়ার ট্রান্সফার করে, বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুমতি ছাড়াই।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ এবং বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল মোল্লার আবেদনের ভিত্তিতে এই আদেশ প্রদান করে।
বর্তমানে হাইকোর্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) স্থগিত করা প্রায় বন্ধ রয়েছে। তবে অবকাশকালীন ছুটির সময়ে হাইকোর্টের এই বেঞ্চ এমন আদেশ দিয়েছে।
এর আগে, ঐ ব্যক্তি ভিন্ন নামে সিআইবি রিপোর্ট স্থগিত করতে গিয়ে সফল হননি।
আদেশের পাশাপাশি আদালত একটি রুল জারি করেছে, যাতে জানতে চাওয়া হয়েছে কেন সিরাজুল ইসলাম মোল্লাকে ঋণখেলাপির তালিকায় রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট চারজনকে এই রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, আনন্দ আর উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে টঙ্গী সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবীন বরণ উৎসব। নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিনব্যাপী কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল সাজসাজ রব ও উৎসবের আমেজ।
পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার বলেন, কলেজজীবন একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়। নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে হবে। একই সঙ্গে নৈতিক মূল্যবোধ ধারণ করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান তারা।
নবাগত শিক্ষার্থীদের অনেকেই অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষাজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে পেরে তারা আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় গান, নৃত্য, নাটক ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়। এসব পরিবেশনা উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, মাহাবুব আলম শুকুর, রাশেদুল ইসলাম কিরণ, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি প্রভাষক বশির উদ্দিন, গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল হালিম মোল্লা, গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্য সচিব নাজমুল হোসেন মন্ডল, কোনাবাড়ী থানা বিএনপির সভাপতি বাবুল, জিএস স্বপন এবং টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সচিব আলাউদ্দিনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ