বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:১০ এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক্ষণে একই সময়ে এবং একই স্থানে তিনটি সংগঠন তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সম্ভাবনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একই স্থানে এবং একই সময়ে তিনটি সংগঠন তাদের সমাবেশের ঘোষণা দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হলো। এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনকে এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স উপহার কর্মসূচির ঘোষণা দেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নেতারা। পরে একই স্থানে বেলা সাড়ে ১২টায় শিবিরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং মবতন্ত্রের অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ছাত্রদল। এর আগে গত মঙ্গলবার, বিভিন্ন দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত ৭০ জন আহত হন বলে জানা যায়। ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এমনকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবির বিরুদ্ধে মব করার চেষ্টা করে শিবির। শিক্ষার্থীরা ছারপোকার কামড়ে এবং মেসে মানবেতর জীবনযাপন করে মারাত্মকভাবে হতাশ এবং জকসুর একাংশের প্রতি ক্ষুব্ধ। শাখা ছাত্রদলের দাবি, যখন শিবির মব করার চেষ্টা করে, তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের সরাসরি প্রতিরোধ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগরে একটি মাছধরা ট্রলারে জলদস্যুরা হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ১২ জন জেলে আহত হয়েছেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোররাত ৪টার সময় কুয়াকাটা থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে খাম্বা বয়া বাতি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। হামলার সময় দস্যুরা ট্রলার থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মাছ, জাল এবং জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য লাখ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত মাঝি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকার আবুল কালামের ছেলে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পরে বাড়ি ফিরেছেন।
ভুক্তভোগী ট্রলার এফবি মিম-এ থাকা জেলে ইব্রাহীম জানান, মাছ নিয়ে তীরে ফেরার পথে কালো পতাকা টানানো হলুদ রঙের ট্রলারে প্রায় ২৫ জন সশস্ত্র জলদস্যু তাদের ট্রলারটি ঘিরে ফেলে। ট্রলারে থাকা ১৬ জন জেলের মধ্যে ১২ জনকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রলারে থাকা মাছ, জাল, ডিজেল, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা।
মহিপুর মৎস্যজীবী সমিতির নেতা ফজলু গাজী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সমুদ্রে জলদস্যুদের তৎপরতা কম ছিল। কিন্তু সম্প্রতি গভীর সমুদ্রে তাদের আনাগোনা আবার বেড়েছে। ফলে জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দস্যুদের গ্রেপ্তার এবং গভীর সমুদ্রে কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নৌ টহল বৃদ্ধি করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের নিজামপুর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার শহীদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি এখনও আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। আমি বর্তমানে অভিযানে রয়েছি। বিস্তারিত জানার জন্য গোয়েন্দা শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
পায়রা বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন তারকুন বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. এ. আর. খান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তিনি ছিলেন ১০০ বছর বয়সী।
১৯৯৬ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করতেন।
দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা ও জনসেবায় তার দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর শুনে দোহারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এলাকাবাসী তথা তার শুভানুধ্যায়ীরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিন রাজধানীর বাসিন্দারা কিছু না কিছু কেনাকাটার জন্য মার্কেট অথবা বাজারে যান। পাশাপাশি তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতেও যান। কিন্তু যদি প্রয়োজনীয় কেনাকাটা অথবা ঘুরতে গিয়ে দেখা যায় ওই এলাকার মার্কেট বন্ধ, তাহলে সময় নষ্ট হয় এবং সেই কারণে মনও খারাপ হয়ে যায়।
তাহলে বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নিতে হবে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট), রাজধানীর কোন কোন অঞ্চলের দোকানপাট ও মার্কেটগুলো বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে সেগুলো হলো মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মাদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
এছাড়া যেসব মার্কেটগুলো বন্ধ থাকবে সেগুলো হলো শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্নফুলি গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার ক-অপরারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্থান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট ও সাকুরা মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে প্রতিদিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়ে থাকে সরকারের বেশিরভাগ দফতর, সংস্থা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অনেক সংগঠন এর মাধ্যমে।
এই বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উল্লেখযোগ্য কর্মসূচিগুলোর মধ্যে কী কী থাকতে যাচ্ছে, তা দিনের শুরুতেই জেনে নেওয়া যেতে পারে।
বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আওতায় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।
এদিকে, দুপুর ১২টায় রাজধানীর উত্তরার নওয়াব হাবিবউল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঢাকা-১৮ আসনের জন্য মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬-এর উদ্বোধন হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসাবে যোগ দেবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মোস্তফা জামান। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ