০২:৩২ এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনের সময় ভাঙচুরের ভিডিও ধারণ করার কারণে তৌফিককে হত্যা করেছে শ্রমিক পরিচয়ধারী আওয়ামী দুর্বৃত্তরা।
তিনি মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২ অক্টোবর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার পূর্ব মির্জাপুরে নোমান টেরি টাওয়েল লি. এর সামনে নোমান টেরি টাওয়েল লি. ও তালহা ফেব্রিকস লি. এর শ্রমিকরা ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎমন্ত্রী: গত আট মাসে জ্বালানি আমদানিতে ৪৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি
এ সময় শ্রমিক পরিচয়ধারী অনেকেই সহিংস হয়ে ওঠে। কিছু শ্রমিক গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের গেট এবং প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের জন্য উচ্ছৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। যখন তৌফিক সেটির ভিডিও ধারণ করতে যান, তখন শ্রমিক পরিচয়ধারী দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর করে। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় কে বা কারা তাকে সেখান থেকে নিয়ে গিয়ে ঢাকার উত্তরাস্থ শিন শিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (মঙ্গলবার) আনুমানিক রাত ৮টায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি আরও লেখেন, তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনা প্রমাণ করে যে শ্রমিক আন্দোলন এখন শ্রমিকদের মধ্যে নেই। আওয়ামী দুর্বৃত্তরা দেশকে অশান্ত করতে চক্রান্ত শুরু করেছে। হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে বিক্ষোভ সৃষ্টি করে দেশে অরাজকতা তৈরির উদ্দেশ্যে তারা কাজ করছে। জামায়াত-এনসিপিকে তিনি আহ্বান জানান, আওয়ামী দুর্বৃত্তদের প্রতিহত করতে রাজপথে নামতে। তাদের ফাঁদে পা দিলে নিজেদের রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন