বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫২ পি.এম
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ৯৫ বছর বয়সী হাজী শামসুল হক মোল্লার খোঁজ নিয়েছেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল হাজী শামসুল হকের বাড়িতে গিয়ে প্রবীণ ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেয়।
সংগঠনের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ছয় সন্তানকে বড় করেছেন, ৯৫ বছর বয়সে বাবার ঠাঁই হলো গাছতলায়’—শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন, যেন এ বৃদ্ধের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এর ফলস্বরূপ, আজ কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কোটালীপাড়া উত্তর হিরন গ্রামে হাজী শামসুল হক মোল্লার বাড়িতে পৌঁছায়।
প্রতিনিধিরা বৃদ্ধের শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপহার ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লার নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি আরও জানান, তারা জানতে পেরেছেন যে, হাজী শামসুল হকের ছেলেরা তাকে পুনরায় বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং আমৃত্যু তার দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিষয়টি তারা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করবেন।
উল্লেখ্য, ৯৫ বছর বয়সী হাজী শামসুল হক মোল্লা দীর্ঘ সময় পরিশ্রম করে দুই ছেলে ও চার মেয়েকে বড় করেছেন। সম্প্রতি, নিজের জমিজমা ছয় সন্তানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পর তিনি সন্তানদের কাছেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে, বসতবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হলে, তিনি বাড়ির পাশের একটি গাছতলায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। তার এই দুরবস্থার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়।
প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমদ, শাহাদাত হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, ছাত্রনেতা মশিউর রহমান মহান ও আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক উদ্ধার এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ সামগ্রিক কার্যক্রমে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাঁর হাতে এই সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এস. এম. শফিউল্লাহ্।
থানা সূত্রে জানা যায়, যোগদানের পর থেকেই জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন, চিহ্নিত মাদক কারবারি ও অপরাধীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান এবং জিআর-সিআর ওয়ারেন্ট তামিল করার ক্ষেত্রে ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব করা এবং সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তা প্রাপ্তি সহজতর করার ক্ষেত্রেও তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
এই অর্জনের পর প্রতিক্রিয়ায় ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম তাঁর এই সাফল্যের কৃতিত্ব জোরারগঞ্জ থানার সকল পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় জনসাধারণকে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনে এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের স্পৃহা আরও বাড়িয়ে দেয়। ভবিষ্যতেও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে এবং অপরাধ নির্মূলে আরও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠিতে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রতাপ এলাকায় ঝালকাঠি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো।
ঝালকাঠিতে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে জেলার শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষায় আরও বেশি সুযোগ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাজারো লাল শাপলার উপস্থিতিতে প্রতিনিয়তই রঙিন প্রজাপতি আর ভ্রমরের ওড়াউড়ি ভিন্ন এক সৌন্দর্য তৈরি করেছে। অন্যদিকে প্রকৃতির পাখিরাও লুকোচুরি খেলা করে মুগ্ধতা ছড়ায় দর্শনার্থীদের মধ্যে। সূর্যোদয়ের আলোকচ্ছ ছড়িয়ে পড়ামাত্রই যেন মন উদাস করা এক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে পরিণত হয় পূর্ব চরমনসা গ্রামের ‘সাহেববাড়ির শাপলাবাগান’। সেই দৃশ্য অবলোকনে দর্শনার্থীদের সঙ্গে প্রকৃতিও যেন অপার আনন্দে মেতে ওঠে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চর মনসা গ্রামে ‘সাহেববাড়ির শাপলাবাগানের’ অবস্থান। ভোরের আলো ফুটতেই বাগানজুড়ে ফুটে ওঠে হাজারো লাল শাপলা। পাপড়ি মেলে থাকা এসব শাপলা প্রকৃতিকে করে তোলে আরও রঙিন ও নয়নাভিরাম। এ সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা।
ভবানীগঞ্জ-কুশাখালী-নোয়াখালী সড়কের পাশে গড়ে ওঠা বাগানটি স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। সকাল থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন সেখানে।
লক্ষ্মীপুর থেকে আসা শিক্ষার্থী মিম বলেন, অনেকের কাছ থেকে এ বাগানটির কথা শুনেছি। আজ পরিবারের সঙ্গে দেখতে এসেছি। খুব সুন্দর। বাগানটি বেশ উপভোগ করেছি।
কলেজ শিক্ষার্থী মো. ফুহাদ হাসান বলেন, বাগানটি প্রাকৃতিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। অনেকেই এখানে ঘুরতে আসেন। তবে কেউ কেউ ফুল ছিঁড়ে ফেলছেন, যা ঠিক নয়। এতে বাগানটি তার সৌন্দর্য হারাবে এবং প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হবে।
শাপলা বাগানের উদ্যোক্তা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শখ থেকেই বাগানটি করেছি। আমার উদ্যোগে অন্যদেরও ভালো লাগা তৈরি হচ্ছে, এতে আমি খুশি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী করেছি। অনেক কিছুই করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু সামর্থ্যের ব্যাপার আছে। আমাদের এদিকে দেখার মতো তেমন কিছু নেই। শাপলা বাগানটি এখন অনেকের ভালো লাগার জায়গা, আমারও ভালো লাগে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং আধুনিকায়নের জন্য দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে বাগেরহাটের মোংলায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি গণমাধ্যমের কাছে এ তথ্য জানান।
এই প্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। এর উদ্দেশ্য হলো মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বন্দরসেবার আধুনিকায়ন করা।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী একদিনের সরকারি সফরে খুলনা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে হেলিকপ্টারে করে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে মোংলায় পৌঁছান।
মোংলায় পৌঁছানোর পর, প্রধানমন্ত্রী ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনস বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনা পক্ষে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান লি চংইয়াং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এমওইউ অনুযায়ী, দুই পক্ষ জ্বালানি, শিল্প অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ