ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নালিতাবাড়ীতে হাম প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ


নালিতাবাড়ীতে হাম প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে হাম প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়াতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে সভা এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় নালিতাবাড়ী পৌর শহরের তারাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা শিরিনসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির সময়, বিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে হাম প্রতিরোধ, এর লক্ষণ, করণীয় এবং টিকাদানের গুরুত্ব বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এছাড়াও আশপাশের এলাকার পথচারীদের মধ্যেও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ নালিতাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি তৌকির আহম্মদ তানজিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা শিরিন বলেন, ‘হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সচেতনতা ও সময়মতো টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

সভাপতির বক্তব্যে তৌকির আহম্মদ তানজিল উল্লেখ করেন, ‘স্বাস্থ্য সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। হাম প্রতিরোধে টিকাদান ও সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও শিশু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাঈমুর হাসান রিফাত বলেছেন, ‘সচেতনতাই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আমরা চাই প্রতিটি পরিবার হাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুক এবং শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করুক।’

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমিত সরকার, দপ্তর সম্পাদক রাবায়েত হাসান রাব্বি, নারী বিষয়ক সম্পাদক ববিতা পারভীন আঁখি, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শান্তসহ অন্যান্য সদস্যরা।

আয়োজকরা জানান, স্কুল শিক্ষার্থী, এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং সাধারণ পথচারীদের মধ্যে প্রায় এক হাজার সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র‌্যালি ও সমাবেশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মসজিদে নববীতে প্রতিদিন বিতরণ হচ্ছে ২৩৫ টন জমজমের পানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ এম


মসজিদে নববীতে প্রতিদিন বিতরণ হচ্ছে ২৩৫ টন জমজমের পানি

মসজিদে নববী এবং পবিত্র মসজিদে হারামের অন্যতম আকর্ষণ জমজম কূপের পানি। এই পানি প্রতিটি মুসল্লি মসজিদে অবস্থানকালে বিনামূল্যে পান করতে পারেন।

জমজম কূপ মক্কায় অবস্থিত হওয়ায়, মক্কার মসজিদে হারামে এর বিতরণ করতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু মসজিদে নববীতে, যেখান থেকে শত শত মাইল দূরে অবস্থিত, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের জন্য পানির ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশ্ন উঠছে, সেখানে মুসল্লিদের জন্য আসলে প্রতিদিন কত পরিমাণ পানির প্রয়োজন হয়? সম্প্রতি তাদের কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রকাশিত তথ্যে এর উত্তর পাওয়া গেছে।

দুই পবিত্র মসজিদের সেবাবিষয়ক সাধারণ কর্তৃপক্ষ জানায়, সারা বছর ইবাদতকারী এবং দর্শনার্থীদের চাহিদা পূরণের জন্য, মসজিদে নববীতে প্রতিদিন প্রায় ২৩৫ টন জমজমের পানি বিতরণ করা হয়। তাদের মতে, এটি দুই পবিত্র মসজিদে আগত মুসল্লিদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করার চলমান প্রচেষ্টার একটি অংশ।

এই উদ্দেশ্যে, মসজিদে নববী এবং তার চত্বরজুড়ে ১০ হাজারেরও বেশি জমজম পানির কুলার (ডিসপেনসার) স্থাপন করা হয়েছে। এই কুলারগুলোতে নিয়মিত পানির সরবরাহ ও পুনরায় ভরার ব্যবস্থা করা হয় এবং সার্বক্ষণিক তদারক করা হয়। এর পাশাপাশি, জমজমের পানির গুণগত মান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাধুনিক বিশেষায়িত পানি পরীক্ষণ প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালিত হয়। এর ফলে মুসল্লিরা নিরাপদ এবং সহজ উপায়ে এই বরকতময় পানি গ্রহণ করতে সক্ষম হন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব সেবা মসজিদে নববীর দর্শনার্থীদের যত্ন ও কল্যাণে গড়ে তোলা সমন্বিত সেবাব্যবস্থার অংশ, যার লক্ষ্য সর্বোচ্চ মানের গুণগত সেবা ও কার্যকর পরিচালনার মাধ্যমে আগতদের সর্বোত্তম সুবিধা প্রদান করা।

সূত্র : রিয়াদ ডেইলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেশিক্ষণ থাকলেই চোখে জ্বালা, জেনে নিন এর সম্ভাব্য কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ এম


বেশিক্ষণ থাকলেই চোখে জ্বালা, জেনে নিন এর সম্ভাব্য কারণ

গ্রীষ্মকালে তীব্র রোদ, ধুলাবালি, দূষণ ও শুষ্ক গরম হাওয়ার কারণে চোখের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন: চোখে জ্বালা, চুলকানি, শুষ্কতা, লালভাব এবং অতিরিক্ত জল পড়া অথবা অস্বস্তি। যেভাবে গরমে শরীরে পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ে, ঠিক তেমনভাবে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতার ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে।

এ বিষয়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের প্রাকৃতিক পানি দ্রুত বাষ্পীভূত হয়ে যায়। ফলে চোখের পৃষ্ঠে আর্দ্রতা কমে যায় এবং জ্বালা কিংবা অস্বস্তি অনুভূত হয়। দীর্ঘ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে থাকলেও এ সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। পোশাকি ভাষায় যাকে বলা হয় ড্রাই আইজ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, এসি ঘরে কেন চোখ জ্বালা করে—

চোখ জ্বালার কারণ

গরমকালে চোখের শুষ্কতা বা ড্রাই আইজ চোখের জ্বালার অন্যতম প্রধান কারণ। অতিরিক্ত গরম ও শুষ্ক হাওয়ার কারণে চোখের পানি দ্রুত শুকিয়ে যায়। শহরাঞ্চলে গ্রীষ্মকালে ধুলো, দূষণ ও বিভিন্ন অ্যালার্জির মাত্রা বেড়ে যায়, যা চোখে জ্বালা, চুলকানি ও লাল ভাবের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যদি আপনার চোখ একটু বেশি সংবেদনশীল হয়, তাহলে তো কথাই নেই।

চোখের যত্ন

আপনার চোখের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখলে চোখের আর্দ্রতাও বজায় থাকে। দীর্ঘদিন ড্রাই আইজের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লুব্রিকেটিং আই ড্রপ কিংবা আর্টিফিশিয়াল টিয়ার ব্যবহার করা যেতে পারে।

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম

গরমে বাইরে কম বের হওয়ার ফলে অনেকেই দীর্ঘ সময় মোবাইল, ট্যাব কিংবা ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকেন। স্ক্রিনের দিকে একটানা তাকিয়ে থাকলে চোখের পলক ফেলার হার কমে যায়। এর ফলে চোখ দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ক্লান্তি, জ্বালা ও অস্বস্তি বাড়ে।

সুইমিংপুলেও হতে পারে সমস্যা

গরমে অনেকেই সাঁতার কাটতে পছন্দ করেন। তবে সুইমিং গগলস ছাড়া ক্লোরিনযুক্ত পুলে সাঁতার কাটলে চোখে জ্বালা ও লালভাব দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া

সাময়িক জ্বালা কিংবা অস্বস্তি অনেক সময় নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে চোখ লাল থাকে, ব্যথা হয়, ফোলা দেখা দেয় এবং ঝাপসা দেখতে শুরু করেন অথবা আলোতে অতিরিক্ত অস্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এসব চোখের সংক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় বিনামূল্যে ৩০ রোগীর চোখের ছানি অপারেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ এম


নকলায় বিনামূল্যে ৩০ রোগীর চোখের ছানি অপারেশন

শেরপুরের নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৩০ জন দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার মাটি এলাকায় অবস্থিত ইকো ভিলেজ ভিশন সেন্টারের ব্যবস্থাপনায় ময়মনসিংহের ডা. কে. জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে তাদের চোখের অপারেশন করা হয়েছে।

মাটি’র এরিয়া কো-অর্ডিনেটর মাহবুব রহমানের তত্ত্বাবধানে ৩০ জন রোগীর মধ্যে ১৫ জন পুরুষ এবং ১৫ জন মহিলা রোগী ছিলেন। তাদের যাতায়াতসহ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অপারেশন করা হয়েছে। তিনি জানান, মাটির উদ্যোগে বছরে কয়েকবার, যথা ৩০ জন রোগী হলেই, তারা ময়মনসিংহের ডা. কে. জামান বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে রোগীদের বিনামূল্যে চোখের অপারেশন সম্পন্ন করেন। তাদের এই মহৎ কাজে স্থানীয়সহ সুবিধাভোগী চক্ষু রোগীরা অত্যন্ত খুশি প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় হেলথকেয়ার সেন্টারের উদ্যোগে চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ এম


নকলায় হেলথকেয়ার সেন্টারের উদ্যোগে চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

শেরপুরের নকলা উপজেলার গনপদ্দী এলাকায় অবস্থিত আব্দুল করিম সরকার হেলথকেয়ার সেন্টারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে, এর পাশাপাশি বৃক্ষরোপন কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, হেলথকেয়ার সেন্টার প্রাঙ্গণে, ব্যবস্থাপক শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে গাছ রোপন ও তার তত্বাবধানে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে একটি করে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এসময় আব্দুল করিম সরকার হেলথকেয়ার সেন্টারে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শরিফুল ইসলাম জানান, জাতীয় সংসদের চলতি ৫ বছরে প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে দেশব্যাপি ২৫ কোটি গাছের চারা রোপন করা হবে। তারা এই ৫ বছরে অন্তত ২৫শ’ গাছের চারা রোপন ও বিতরণ করবেন। তিনি বলেন, ‘সুস্থভাবে মানুষের জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার উপর সুনজর বাড়াতে হবে। বিশেষ করে পতিত জমিতে, বাড়ির আশেপাশে, হাট-বাজারে, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠা প্রাঙ্গনসহ সুবিধাজনক স্থানে বৃক্ষরোপনের প্রতি জোর দিতে হবে। আজকে রোপন করা প্রতিটি গাছ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি প্রাণিকুলের আশ্রয়স্থল সৃষ্টিতে, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে ও পরিবেশ দূষণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তিনি জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা সংস্থাসহ দাতা সংস্থা ও ব্যক্তি পর্যায়ে নিজ নিজ জায়গা থেকে পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির সামনের সাড়িতে আসার আহবান জানান শরিফুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%