ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

তেল উৎপাদন বাড়াতে না দিলে ওপেক ছেড়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইরাকের


তেল উৎপাদন বাড়াতে না দিলে ওপেক ছেড়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইরাকের

তেল উৎপাদনকারী জোট (ওপেক) যদি উল্লেখযোগ্যভাবে বাগদাদকে তেল উৎপাদন বাড়াতে সহযোগিতা না করে, তবে ইরাক ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভাবনা ভাবছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরাকের এই জোটের সদস্যপদ ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ওপেকের জন্য একটি গুরুতর আঘাত হয়ে দাঁড়াবে, যেখানে মাত্র দুই মাস আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সংগঠন ছেড়ে বেরিয়ে গেছে।

সৌদি আরবের পরবর্তী বৃহত্তম উৎপাদক হিসেবে ইরাক গোটা গোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে ওপেক গঠন করা হয়েছিল ইরাকের রাজধানী বাগদাদে।

আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা

বর্তমানে দেশটির আয়ের বেশিরভাগই তেলের ওপর নির্ভরশীল, যা ইরান যুদ্ধের পর থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এ যুদ্ধ কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে ইরাক সরকার একটি আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং ওপেক কোটায় একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি প্রয়োজনীয় বিষয় বিবেচনা করা উচিত।

বৃহস্পতিবার ইরাকের তেল মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান যে ইরাক ওপেক ছেড়ে যাওয়ার কথা চিন্তা করেছে, তবে বর্তমানে এটাই তাদের সরকারের পরিকল্পনা, যা সদস্য হিসেবে থাকার এবং উচ্চতর কোটা দাবি করার।

জুলাই মাসের জন্য ইরাকের কোটা নির্ধারিত হয়েছে দৈনিক ৪৩ দশমিক ৭৮ লক্ষ ব্যারেল, যদিও বর্তমান উৎপাদন এই পরিমাণ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

আরও পড়ুন: মদিনায় হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের

তিনি আরও বলেন, ‘সৌদি আরব এবং অন্যান্য ওপেক মিত্রদের এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। তা না হলে, ইরাক উপলব্ধ সব বিকল্প বিবেচনা করতে বাধ্য হবে।’

তবে, ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিষয়টি আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এই পদক্ষেপ নেয়ার জন্য এখনও সময় আসেনি।’

এদিকে, ইরাকের তেল মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার বলেছে যে, বাগদাদ ওপেক থেকে তার সদস্যপদ ত্যাগের বিষয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা ইরাকি সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ করে না।

আরও পড়ুন: বাকৃবির শাহজালাল হলে ‘শাহী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২.০’-এর উদ্বোধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
পদ্মা সেতুর চার বছর

টোল আদায় ৩৩৯২ কোটি : ৩৫ বছরের লক্ষ্য থাকা সত্বেও উঠে যাবে ২২ বছরেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


টোল আদায় ৩৩৯২ কোটি : ৩৫ বছরের লক্ষ্য থাকা সত্বেও উঠে যাবে ২২ বছরেই

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালুর চার বছর পূর্ণ হওয়ার এই সময়ে লাভের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। ২০২২ সালের ২৬ জুন যখন যান চলাচল শুরু হয়, তখন থেকে সেতুটি থেকে টোল থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকারও বেশি।

এই সময়ে সেতুটি ব্যবহার করেছে আড়াই কোটিরও বেশি যানবাহন।

সেতু কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে সেতু উদ্বোধনের পর ২৭ লাখ ৯০ হাজার ৪৬৫টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয় ৪০২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে আদায় হয় ৮১৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ৮৩৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং ২০২৫ সালে ৮৮৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। চলতি বছরের ২৩ জুন পর্যন্ত টোল আদায় হয়েছে ৪৪৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

সর্বমোট চার বছরে টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৯২ কোটি ১৬ লাখ টাকায়।

অন্যদিকে, চলতি বছরের ঈদুল আজহায় এক দিনে পদ্মা সেতুর সর্বাধিক টোল আদায়ের রেকর্ড তৈরি হয়েছে। গত ৫ জুন ২৪ ঘণ্টায় ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন সেতু ব্যবহার করে এবং ওই দিন টোল আদায় হয় ৫ কোটি ৪৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

সেতু কর্তৃপক্ষের সূত্র মতে, সরকার সেতু নির্মাণের সময় যে সমীক্ষা করেছিল, সেসময় ৩৫ বছরের ভিতরে খরচ ওঠার প্রকল্পন তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে যে গতিতে টোল আদায় হচ্ছে, তাতে পদ্মা সেতুর পুরো খরচ উঠতে সর্বাধিক ১৮ বছর লাগবে। ২০৪৫ সালের মধ্যে পদ্মা সেতুর সম্পূর্ণ নির্মাণ ব্যয় উঠে আসবে। ২০২২ সালের জুনে সেতু উদ্বোধনের পরে হিসাব করলে মোট ২২ বছরেই উঠে যাবে বিশাল এই প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয়।

সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ জানিয়ে বলেন, পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায়ের পরিমাণ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। তবে, আর্থিক দিকের পাশাপাশি মানুষের ভোগান্তি হ্রাস করা এবং দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উজ্জীবিত করাই এই সেতুর সবচেয়ে বড় অর্জন।

লাভের পথে পদ্মা সেতু প্রকল্প সম্পর্কে বলা যায় যে, সরকারের স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ অর্থবিভাগের কাছে ঋণ নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে। ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে ঋণ হিসেবে দিয়েছিল সরকার।

সেতু বিভাগের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, প্রতি কিস্তিতে গড়ে ১৫৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল সেতু কর্তৃপক্ষ তাদের প্রথম এবং দ্বিতীয় কিস্তি ঋণ পরিশোধ শুরু করে। এ পর্যন্ত সেতু কর্তৃপক্ষ ১৬ কিস্তিতে ২ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা সরকারকে পরিশোধ করেছে।

ঋণ পরিশোধ, সরকারের ভ্যাট পরিশোধ এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ মিটিয়ে যমুনা সেতুর পরে সেতু কর্তৃপক্ষের দ্বিতীয় প্রকল্প হিসেবে লাভের মুখ দেখতে যাচ্ছে সরকার। ঋণ পরিশোধ ছাড়াও সেতু কর্তৃপক্ষ ৫০৮ কোটি টাকার মতো সরকারকে ভ্যাট পরিশোধ করেছে।

পদ্মা সেতুর টোল থেকে বাকিটা রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে ব্যয় হচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) আলতাফ হোসেন শেখ। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, সেতু কর্তৃপক্ষ নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করছে। এ পর্যন্ত ১৬টি কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে। এর বাইরে মোট টোল আদায়ের ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। তাছাড়া রক্ষণাবেক্ষণের খরচও রয়েছে। তবে যে গতিতে টোল আদায় বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমরা ব্রেক ইভেন্টে পৌঁছে যাবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থী শূন্য ৬২১টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


শিক্ষার্থী শূন্য ৬২১টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

দীর্ঘদিন ধরে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি না করানোর কারণে সরকারের পক্ষ থেকে দেশের ৬২১টি ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে বিধি মোতাবেক, এ সকল প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব ও পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আল মাসুদ করিমের স্বাক্ষরে এ বিষয়টি জানানো হয়।

বোর্ডের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, মোট ৬২১টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে এসএসসি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ৪৪৩টি এবং দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ১৭৮টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসকল কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে না, সেসব প্রতিষ্ঠানে আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব ধরনের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল করা হবে না, সেই বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা আগামী ২২ জুলাইয়ের মধ্যে বোর্ডে জমা দিতে বলা হয়েছে।

কারিগরি বোর্ড জানায়, বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৪ এর উপবিধি ৪.২, ৪.৪ এবং ৫.৪ অনুযায়ী শর্ত পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ভর্তি, ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরি এবং পাঠদানের অনুমতি প্রদানকালে যে সকল অন্য শর্তাবলি রয়েছে, সেগুলো পূরণে ব্যর্থ হলে সরকার অনুমোদনক্রমে বোর্ড যেকোনো প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে ৯৯ হাজার ৭২৬ শিশু পাবে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ পি.এম


নড়াইলে ৯৯ হাজার ৭২৬ শিশু পাবে ভিটামিন

নড়াইলের তিন উপজেলায় ৯৯ হাজার ৭২৬ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ২৮ জুন শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত মোট ১,০২০টি কেন্দ্রে শিশুদের ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।এ তথ্য জেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের অবহিতকরণ সভায় জানানো হয়েছে যা জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, বেলা ১১টায় সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে এ অবহিতকরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল।সভায় সিভিল সার্জন ডা: মো: আব্দুর রশিদ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা: মো: আব্দুর রশিদ বলেন, ভিটামিন এ শুধুমাত্র অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধই করে না বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা দূর করে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমায়। শিশু মৃত্যুরোধে জন্মের পর নবজাতককে কেবল মায়ের শালদুধ পান করানোর পরামর্শ দেয়া হয়।এছাড়া শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর পরামর্শও তিনি দেন।

কর্মশালায় সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমাইল হোসেন বাপ্পী, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দুলাল চন্দ্র গাইন, জেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মো: হাবিবুর রহমান মোল্যা, নড়াইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক এমএম মাহবুবুর রশিদ লাবুলসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে প্রায় ১১ কোটি টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


দিনাজপুরে প্রায় ১১ কোটি টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে, দিনাজপুরে প্রায় ১১ কোটি টাকার মূল্যের মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ধ্বংস কার্যক্রমটি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে সম্পন্ন হয়।

বিজিবি জানিয়েছে যে, দিনাজপুর সেক্টরের আওতাধীন জয়পুরহাট, ফুলবাড়ী ও দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের সদস্যদের অভিযানে এগুলো উদ্ধার করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মাদক একটি নীরব ঘাতক। এটি সমাজের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সকলের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

বিজিবির রংপুর রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম নাছের উল্লেখ করেন, মাদক একটি ভয়াবহ অভিশাপ যা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। তিনি বলেন, একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি শুধু নিজের জীবন নয়, তার পরিবার ও সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া, তিনি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নসমূহের সদস্যদের আন্তরিকতা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%