ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুদকের মামলায় মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, পরিবার বলছে ‘মৃত্যু নিয়ে তামাশা’


দুদকের মামলায় মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, পরিবার বলছে ‘মৃত্যু নিয়ে তামাশা’

ময়মনসিংহের ভালুকায় মৃত্যুবরণ করার প্রায় এক বছর পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এই ঘটনার পর ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, এটি ‘মৃত্যু নিয়ে তামাশা’ ছাড়া কিছুই নয়।

মামলাটি গতকাল ১৭ অক্টোবর ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে রেকর্ড করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুসারে, মৃত ব্যক্তি সাবেক সরকারি কর্মকর্তা এস এম ওমর আলী (৭৩)। তাকে মামলায় ২ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুরে সাবেক পিআইও (প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মামলায় তার স্ত্রী হোসনে আরাকে (৫৯) ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রুয়েটে জঙ্গল থেকে সাইকেল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করলেন আনসার সদস্য

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আসামি হোসনে আরা দুদকের কাছে তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া, তার স্বামী এস এম ওমর আলী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিকালীন সময়ে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বৈধ করার উদ্দেশ্যে স্ত্রীর নামে এই সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন। মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এস এম ওমর আলী (বীরমুক্তিযোদ্ধা) ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। অথচ তার মৃত্যুর প্রায় এক বছর পর গতকাল (১৭ অক্টোবর) তার বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হলো। একজন মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এভাবে মামলা হওয়ায় দুদকের তদন্ত প্রক্রিয়া ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

ওমর আলীর ভাই সাইফুর ইসলাম গণমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মৃত্যু নিয়ে একটা তামাশা করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. বুলু মিয়া জানান, গত ৬ মাস আগে এই মামলার (অনুমোদনের) প্রক্রিয়া চলছিল। তখন আমাদের জানা ছিল না যে অভিযুক্ত ওমর আলী মারা গেছেন।

আরও পড়ুন: বেতাগীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি

অভিযোগের তদন্ত বা দীর্ঘ অনুসন্ধানকালে কেন এই তথ্য জানা সম্ভব হলো না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। বিষয়টি কিছুটা এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাইরে, এটা তো ভুলও হতে পারে। এখন তদন্তের সময় তার নাম (মামলা থেকে) বাদ দেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রিকেটারদের নিয়ে অনয়া বাঙ্গারের মন্তব্য পডকাস্টে ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


ক্রিকেটারদের নিয়ে অনয়া বাঙ্গারের মন্তব্য পডকাস্টে ভাইরাল

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের কন্যা অনয়া বাঙ্গার সম্প্রতি একটি ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। কৃষ্ণঙ্ক আত্রের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পডকাস্টের জনপ্রিয় খেলা ‘কিল, ম্যারি, হুকআপ’-এ তিনি অংশগ্রহণ করেন। এই খেলায় সমসাময়িক ভারতের তিন তরুণ ক্রিকেটার শুবমান গিল, অভিষেক শর্মা এবং শ্রেয়াস আইয়ারের নাম উল্লেখ করা হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উক্ত তিন ক্রিকেটারের নাম পছন্দ অনুযায়ী সাজাতে বলা হয়েছিল। অনয়া কোনো দ্বিধা ছাড়াই জানান, তিনি ভারতীয় অলরাউন্ডার অভিষেক শর্মা-কে বিয়ে করতে চান।

হুকআপ অপশনের জন্য তিনি তারকা ব্যাটার শুভমন গিলকে বেছে নেন। খেলার নিয়ম অনুযায়ী ‘কিল’ অপশনের তালিকায় শ্রেয়াস আইয়ারকে রেখেছেন।

সাক্ষাৎকারের অন্য একটি অংশে অনয়া ক্রিকেটারদের আকর্ষণীয়তার বিচারে একটি ব্যক্তিগত র‍্যাংকিং প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি অভিষেক শর্মাকে প্রথম স্থানে এবং শুভমন গিলকে দ্বিতীয় স্থানে রাখেন। এই তালিকায় শ্রেয়াস আইয়ার তৃতীয় এবং কিংবদন্তি ব্যাটার বিরাট কোহলিকে চতুর্থ স্থানে স্থান দেন।

অনয়া বাঙ্গার, যিনি পূর্বে আরিয়ান বাঙ্গার নামে পরিচিত ছিলেন, অতীতে মুম্বাইয়ের বয়সভিত্তিক পুরুষ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেছেন। সম্প্রতি থাইল্যান্ডে তার জেন্ডার-অ্যাফার্মিং সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে দীর্ঘ রূপান্তর প্রক্রিয়া শেষে।

এখন পর্যন্ত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে স্থানীয় নারী ক্রিকেটে অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। ২০২৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নারী ক্রিকেট ক্যারিয়ার নতুনভাবে শুরু করার লক্ষ্যে বর্তমানে তিনি কঠোর অনুশীলনের মধ্যে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসে লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসে লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস উদযাপন

বাহরাইনের রাজধানী মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ‘লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস’ পালিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দূতাবাসের হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার, এনডিসি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাহরাইনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, পেশাজীবী, বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার অনুষ্ঠানে বলেন, লালন ফকির ছিলেন একাধারে বাউল সাধক, দার্শনিক ও শিল্পী। তার দর্শন ও সংগীত বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বাউল গানকে ‘মানবতার মৌখিক ও বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাস্টারপিস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাউল সংস্কৃতির পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা ছড়িয়ে দিতে লালন সাঁইয়ের দর্শন আজও গুরুত্বপূর্ণ। তার জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং লোকসংগীত ও লোকসংস্কৃতির চর্চা, গবেষণা ও প্রসারে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে দেশের লোকসংগীত ও লোকজ ঐতিহ্যের গুরুত্ব আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে রাষ্ট্রদূত উপস্থিত অতিথিদের লালন সাঁইয়ের প্রেম, অহিংসা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

আলোচনা পর্ব শেষে লালন সাঁইয়ের জীবন ও দর্শনের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে আয়োজিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উপস্থিত অতিথিরা আগ্রহের সঙ্গে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্তন ক্যান্সার: রোগী নারীর, তবে সিদ্ধান্ত পরিবারে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


স্তন ক্যান্সার: রোগী নারীর, তবে সিদ্ধান্ত পরিবারে?

মাস আটেক আগে ব্যথা অনুভব করেননি। তাই সম্ভবত তিনি মনে করেছিলেন, এটি এমনিই সেরে যাবে। তবে ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালের ক্যান্সার বহির্বিভাগে পেশাগত কারণে একজন চিকিৎসকের চেম্বারে বসে থাকা অবস্থায় যে দৃশ্যটি দেখেছিলাম, তা সহজে ভুলে যাওয়ার মতো নয়। মধ্যবয়সী এক নারী তার স্বামীর সঙ্গে এসেছিলেন, হাতে পরীক্ষার রিপোর্ট। রিপোর্টে দেখা গেল, স্তন ক্যান্সার ইতিমধ্যে অনেক দূর ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রথমে চিকিৎসক নারীটিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘চাকাটা প্রথম কবে টের পেয়েছিলেন?’ স্বামীর কাছ থেকে উত্তর এল : ‘মাস আটেক আগে। তখন তো ব্যথা ছিল না, ভাবলাম এমনিই সেরে যাবে।’ এরপর চিকিৎসক আবার নারীটির দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এত দেরি করলেন কেন?’ এবারও জবাব দিলেন স্বামী। পুরো সময়টায় নারীটি প্রায় একটি কথাও বলেননি। প্রশ্নগুলো ছিল তার প্রতি, কিন্তু উত্তর দিচ্ছিলেন অন্য একজন। আমার মনে হয়েছে, আট মাস আগে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্তটিও সম্ভবত তিনি নিজে নিতে পারেননি।

আমরা কি ভুল মানুষের সঙ্গে কথা বলছি?

প্রতিবছর অক্টোবরে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাসে নারীদের জন্য আমরা একই পরামর্শ দিয়ে থাকি : নিজে পরীক্ষা করুন, চাকা পেলে দেরি করবেন না। এই বার্তাটি ভুল নয়। তবে প্রায় দুই দশক ধরে ওষুধশিল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং ক্যান্সার চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়মিত আলাপ আমাকে একটি ভিন্ন ধারণা দিয়েছে। দেরির বড় কারণ প্রায়ই নারীর অজ্ঞতা নয়, বরং তার চারপাশের মানুষের সিদ্ধান্ত।

বাংলাদেশের বহু পরিবারে একজন নারী চাইলেই হাসপাতালে যেতে পারেন না। যাতায়াতের টাকা, সঙ্গে যাওয়ার লোক, বাড়ির কাজ সামলানোর ব্যবস্থা, সবকিছুর জন্যই অনুমতি বা সাহায্য লাগে। স্তনের সমস্যা নিয়ে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে খোলামেলা কথা বলাও অনেকের জন্য সহজ নয়। অবিবাহিত মেয়ের ক্ষেত্রে এর সঙ্গে যোগ হয় বিয়ের দুশ্চিন্তা। তাই প্রথম পরামর্শটি অনেক সময় পরিবারের কারও কাছ থেকেই আসে, আর সেটি হয় ‘অপেক্ষা করো’।

চিকিৎসকেরা বলছেন, দেশে স্তন ক্যান্সারের রোগীদের বড় অংশ চিকিৎসার জন্য আসেন রোগ অনেক এগিয়ে যাওয়ার পর। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অধিকাংশ রোগীই রোগের শেষ পর্যায়ে ডাক্তারের কাছে আসেন, বিশেষ করে তৃতীয় পর্যায় (৪২.২%) এবং চতুর্থ পর্যায় (১৮.০%), (তথ্যসূত্র : Factors Associated With Delay in Seeking Medical Care Among Breast Cancer Patients in Bangladesh by Dr. Moni Rani, Radiotherapy Department, Rangpur Medical College)। অথচ শুরুতেই ধরা পড়লে এই রোগের চিকিৎসা অনেক সহজ হয়, খরচও কমে, আর ভালো হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেশি থাকে। দেরির মূল্য শেষ পর্যন্ত পুরো পরিবারকেই দিতে হয় : দীর্ঘ চিকিৎসা, জমি বা গয়না বিক্রি, আর অনেক ক্ষেত্রে সন্তানদের মা হারানো।

সিদ্ধান্ত যারা নেন, বার্তাটি তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। নইলে সচেতনতার প্রভাব সীমিতই থেকে যাবে। তাই আমার প্রস্তাব, স্তন ক্যান্সার সচেতনতার একটি অংশ সরাসরি পুরুষদের লক্ষ্য করে সাজানো হোক।

মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়িতে গেলে সাধারণত নারীদের সঙ্গেই কথা বলেন। কিন্তু বাড়ির পুরুষ সদস্যদেরও এই আলোচনায় যুক্ত করা জরুরি; অন্তত এ কথা জানানোর জন্য যে, স্তনে চাকা মানেই দ্রুত ডাক্তার দেখানো, ব্যথা থাকুক বা না থাকুক। এতে সিদ্ধান্তের গতি বাড়তে পারে।

পুরুষেরা যেখানে নিয়মিত জড়ো হন, সেখানেও বার্তা পৌঁছানো সম্ভব। জুমার খুতবা, ইউনিয়ন পরিষদের সভা বা কারখানার সাপ্তাহিক মিটিংয়ে দুই মিনিটের একটি বার্তাই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ইমাম, জনপ্রতিনিধি ও কর্মস্থলের ব্যবস্থাপকেরা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

গণমাধ্যমের প্রচারণাতেও একই বিষয় প্রযোজ্য। নারীর পাশাপাশি স্বামী, ছেলে বা বাবার চরিত্র আনা দরকার, যারা নিজেরাই বলছেন, ‘চলো, কালকেই ডাক্তার দেখাই।’ মানুষ যা দেখে, তা থেকেই শেখে। তাই বার্তাটি এমনভাবে দেখাতে হবে, যাতে সিদ্ধান্তের দায় যাদের হাতে, তারাই তা গুরুত্ব দিয়ে নেন।

একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। স্তনের বেশিরভাগ চাকাই ক্যান্সার নয়। সুতরাং আতঙ্ক ছড়ানো লক্ষ্য নয়। লক্ষ্য হলো, চাকা পাওয়ার পর সিদ্ধান্তটা যেন সপ্তাহের মধ্যে হয়, মাসের পর মাস পরে নয়।

শেষ কথা

সেদিন চেম্বার থেকে বের হওয়ার সময় স্বামী ভদ্রলোক চিকিৎসককে বলছিলেন, ‘আগে জানলে তো আগেই আনতাম।’ তার কথায় অনুশোচনা ছিল। হয়তো তিনি সত্যিই জানতেন না।

এই অক্টোবরে আমরা যদি সেই না জানা মানুষদের কাছে পৌঁছাতে পারি, তাহলে হয়তো আগামী বছর কোনো চিকিৎসকের চেম্বারে এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না, ‘এত দেরি করলেন কেন?’

লেখক : ফার্মাসিস্ট ও ক্যান্সার চিকিৎসা বিষয়ে কর্মরত পেশাজীবী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভ সূচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভ সূচনা

ঘরের মাঠে ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফি'র উদ্বোধনী ম্যাচে নেপালকে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মেয়েরা নেপালের বিরুদ্ধে ৩৩–২০ গোলের বিশাল জয় অর্জন করেছে।

রবিবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে খেলেছে স্প্যানিশ কোচ আনা আলোনসোর শিষ্যরা। প্রথম অর্ধে নেপাল সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের কৌশলের সামনে তারা টিকতে পারেনি।

বিরতির আগে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ১৩–৯ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি আরও তীব্র করে তারা ব্যবধান বাড়িয়ে বড় জয় নিশ্চিত করে।

দলের এই দাপুটে জয়ে মূল কাণ্ডারি হিসেবে আলপনা আক্তার ছিলেন। ৭টি দুর্দান্ত গোল করে তিনি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। তাঁর সঙ্গে আক্রমণে দারুণ নৈপুণ্য দেখান মিষ্টি খাতুন ও শ্যামলী মিং, যাদের ব্যাট—বা বলা যায় হাত—থেকে আসে ৬টি করে গোল। দলের অধিনায়ক ইসমেতারা নিশি ৫টি ও সায়মা জান্নাত সীমা করেছেন ৪টি গোল।

এছাড়া মাসুদা আক্তার ২ গোল এবং পূর্ণিমা রানী, অনুরাধা পাহান ও তাসনিয়া রহমান আরশা ১টি করে গোল করেন।

সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতির চার দলের এই টুর্নামেন্টে এত বড় ব্যবধানের জয় বাংলাদেশকে ফাইনালের পথে মানসিকভাবে অনেকটা এগিয়ে রাখবে।

২০১৯ এসএ গেমসে নেপালের কাছে হারের যে ক্ষত ছিল, এই বড় জয় তাতে প্রলেপ দেওয়ার পাশাপাশি বাড়তি তৃপ্তি এনে দিয়েছে। আগামীকাল নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%