১০:১০ এম
জর্ডানে মার্কিন সেনা সদস্যদের ওপর হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সেনা হত্যার প্রতিশোধ নিতে এবং ইরানকে ‘দ্রুত শাস্তি’ দিতে তারা ইরানি বাহিনীর ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে।
সामाजिक যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, এই হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে আনা। সেই সাথে, জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলাকারী ইরান সশস্ত্র বাহিনীর ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বাহিনীকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া। সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭ জুলাই জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় দুইজন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া, আরো একজন সেনা সদস্য এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
হামলায় চারজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছিলেন, যাদের চিকিৎসার জন্য জর্ডানের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তবে চিকিৎসা শেষে চারজনকে ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং সামান্য আঘাত পাওয়া অন্য কর্মীরা আবার কাজে ফিরে গেছেন। গত মার্চ মাসের পর এই প্রথম ইরানের সরাসরি হামলায় কোনো মার্কিন সেনা নিহত হলেন।
আরও পড়ুন: আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, বাতাসের গতি পৌঁছাল ১৫০ কিলোমিটারে
এদিকে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তাদের ‘অপারেশন লাইটনিং’-এর ১৪তম পর্বের অংশ হিসেবে তারা জর্ডানের আল-আজরাক বিমান ঘাঁটির জ্বালানি মজুত কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়েছে। একই সাথে, তারা জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালায়।
ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগের বিবৃতি অনুযায়ী, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কুয়েতের আল-উদাইরি ক্যাম্পের একটি গোলাবারুদের ডিপো, আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটির সদর দফতর ভবন ও গোলাবারুদের ডিপো এবং বেশ কয়েকটি যোগাযোগ সেতুকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক হামলা চালিয়েছিল, তার প্রতিশোধ হিসেবেই ইরান টানা সপ্তম রাতে এই অভিযান পরিচালনা করে। আর এর জবাবেই এবার নতুন করে পাল্টা বিমান হামলা শুরু করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন