মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর কিশোরগঞ্জ
১০:২৯ এম
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে এলজিইডি'র গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তার নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ ও চাপের মুখে অবশেষে সংশ্লিষ্ট রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃপক্ষ।
উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ' ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর-পিরিজপুর পাকা রাস্তার দক্ষিণ গোবরিয়া (জাব্বা বাড়ী) মোড় হতে পূর্ব গোবরিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজ পায় চট্টগ্রামের মেসার্স ইউনূস এন্ড ব্রাদার্স' নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বেশ কিছু দিন আগে এ রাস্তার নির্মাণ কাজ শুরু করেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই শুক্রবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কাজ করতে থাকলে তা স্থানীয় যুবসমাজের নজরে আসে। কাজের এই প্রকাশ্য অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এলাকাবাসী। তারা তাৎক্ষণিকভাবে কাজে বাধা দেন এবং নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। এ সময় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় তারা। সাথে সাথে এসব ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ রাস্তা নির্মাণ কাজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও নজরদারির অভাবে প্রতিষ্ঠানটি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করার সাহস পেয়েছেন। যা আদৌও কাম্য নয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'মেসার্স ইউনূস এন্ড ব্রাদার্স' কুলিয়ারচরের আরও বেশ কয়েকটি রাস্তার নির্মাণ কাজের টেন্ডার পেয়েছে। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যাপক দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এতদিনেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জনগণের প্রতিবাদের খবর পেয়ে উপজেলা এলজিইডি অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মামুন মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি অনিয়মের সত্যতা পেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সাময়িকভাবে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। একই সাথে ব্যবহৃত নিম্নমানের সামগ্রী দ্রুত সরিয়ে নিয়ে ভালো ও মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী দিয়ে পুনরায় কাজ শুরু করার তাগিদ দেন।
এব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী মো. ইউনূস মিয়াকে পাওয়া না যাওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মামুন মিয়া রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "আমরা কাজের মানের ব্যাপারে কোনো আপস করব না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ইতিমধ্যেই সমস্ত নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ভালো ও মানসম্মত উপাদান দিয়ে পুনরায় কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
এলাকাবাসী আশা করছেন, এলজিইডি কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে এবার যেন রাস্তাটির টেকসই ও মানসম্মত নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে আরো দুই মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হন। এর ফলে সংঘাতে নিহত মোট মার্কিন সেনাসদস্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা শুরু হয়েছে, যাতে ইরানি বাহিনীকে ‘দ্রুত শাস্তি’ দেওয়া হবে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, সর্বশেষ নিহত দুই সেনা জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় নিহত হন। এছাড়াও, ওই হামলার পর একজন মার্কিন সেনাসদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করার ২৪ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে না।
সংঘাতটি মূলত আকাশপথে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, তবে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির ঘটনা দেখিয়েছে যে, স্থলযুদ্ধে অংশ না নিয়েও তারা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে শনিবার পর্যন্ত জর্ডানে সর্বশেষ প্রাণহানির বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিবৃতি দেননি।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে ইরানের ড্রোন হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন। পরে ১ মার্চ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলায় আহত এক সেনা মারা যান।
এছাড়া মার্চের শেষদিকে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হলে আরো ছয় সেনাসদস্য নিহত হন। সম্প্রতি আরব সাগরে একটি সামরিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একজন নৌবাহিনীর পাইলটও নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, গত তিন সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে অন্তত ৫০ জন নিহত এবং ৫০০-এর বেশি আহত হয়েছেন, দাবি করেছে তেহরান। নিহতদের মধ্যে শুক্রবার একটি সেতুতে হামলায় নিহত আটজনও রয়েছেন। এ ছাড়াও চলমান সংঘাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজে কর্মরত ব্যক্তি, বিদেশি শ্রমিক এবং ইসরায়েল ও লেবাননের আরও বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছেন।
সূত্র : এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদন কারখানা স্থাপনে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।
সম্প্রতি ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে এ বিষয়ে ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তিতে বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিন ওয়াং নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি অনুযায়ী, ৩৬ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর কারখানাটি স্থাপন করা হবে। পূর্ণ উৎপাদনে গেলে কারখানাটি বছরে ২৪ হাজার টন সুতা এবং ২০ মিলিয়ন মিটার গ্রে ওভেন ফেব্রিক উৎপাদনে সক্ষম হবে। এছাড়া প্রকল্পটিতে ৫৮০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বাংলাদেশ তথা বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ায় হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরো বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেপজা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির সফল ও নির্বিঘ্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের ব্যাপক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭০ জন।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৮ জুলাই) রাশিয়ার তামবভের কোটভস্কে অনলাইন খুচরা বিক্রেতা ওয়াইল্ডবেরিজের একটি গুদামে ভয়াবহ হামলা চালায় ইউক্রেন। একইসঙ্গে, মস্কোর ইলেক্ট্রোস্তালে একই প্রতিষ্ঠানের আরেকটি গুদামে হামলা চালায় জেলেনস্কি বাহিনী। হামলায় বেশ কয়েকজন কর্মী নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অনেকেই।
একই দিন বেলগোরোদ অঞ্চলেও ড্রোন হামলা চালানো হয়। নোগিনস্কে একটি তেল ডিপোতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যার কারণে কাছের একটি মাতৃসদন ও আবাসিক ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, এক রাতেই ১৯টি অঞ্চলের আকাশে, পাশাপাশি ক্রিমিয়া, আজভ সাগর ও কৃষ্ণসাগর এলাকায় মোট ৩৭৯টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হামলার লক্ষ্য ছিল রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদন ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে ব্যবহৃত দুটি বড় লজিস্টিক কেন্দ্র। তাঁর দাবি হলো, মস্কো ও তামবভ অঞ্চলের এসব স্থাপনা থেকে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত যন্ত্রাংশ এবং নেভিগেশন সরঞ্জাম সরবরাহ করা হতো। এ ছাড়া, একটি তেল স্থাপনা এবং কৃষ্ণসাগর, আজভ সাগর ও অধিকৃত ক্রিমিয়ার কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সফল হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেছে কিয়েভ।
এদিকে, রাশিয়ার সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ দাবি করেছেন, দোনেৎস্ক অঞ্চলের কৌশলগত শহর ক্রাসনি লিমানের ইউক্রেনীয় বাহিনীর সংগঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শহরটি দখলের শেষ পর্যায়ের অভিযানে রয়েছে রুশ বাহিনী, যা কনস্তানতিনিভকা অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ আরও বৃদ্ধি করেছে এবং স্লোভিয়ানস্ক-ক্রামাতোরস্ক অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার কথাও তিনি জানান।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের বন্দর, প্রতিরক্ষা শিল্প, গোলাবারুদ গুদাম, ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো ও সেনা অবস্থান লক্ষ্য করে গত এক সপ্তাহে ১৯টি সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ড্রোন ব্যবহার করে কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের সামরিক কাজে ব্যবহৃত একাধিক কার্গো জাহাজে হামলার দাবিও জানিয়েছে মস্কো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসহ উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
অপরদিকে, আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সকল এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ