ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬'-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন


‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬

ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬'-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছে মন্ত্রিসভা।

দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন এই আইনের আওতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রমগুলো সমন্বিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে আজ বৃহস্পতিবার এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পত্তি দখল করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উত্থাপিত এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়াগুলোকে আরও সুগম, দ্রুত এবং সমন্বিত করা হবে।

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যের সঙ্গে এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

সরকারের অভিমত, নতুন আইন কার্যকর হলে বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা হ্রাস পাবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের দ্বৈততা দূর হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

এছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে।

আইনটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলসহ ঘোষিত শিল্পাঞ্চলকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনেছে, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের পদ্ধতি এবং সময়সীমা নির্ধারণ, ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে সহজ অনুমোদনের ব্যবস্থা এবং অব্যবহৃত সরকারি জমি, স্থাপনা, শেয়ার ও স্বত্ব উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করার সুযোগ।

এছাড়া বিনিয়োগ ও ব্যবসা-সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ এবং ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর খসড়াও অনুমোদিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

নতুন জ্বালানি কৌশলপত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে নতুন আমদানি নীতি আদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল, সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ, অনলাইন অনুমোদন ব্যবস্থা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুবিধার বিধান রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরের ধর্মঘর ইউনিয়নে তুমুল সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০–১২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাধবপুর হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


মাধবপুরের ধর্মঘর ইউনিয়নে তুমুল সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০–১২ জন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নে সুলতানপুর গ্রামে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট শিশুদের মধ্যে কথাকাটাকাটিকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে তা ধীরে ধীরে বড় আকার ধারণ করে এবং রাতের বেলায় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নারীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যদি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।

এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দাবি করেছেন যে তারা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনুক, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষ কান্নায় এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা ও সরফভাটা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার; জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা ও সরফভাটা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার; জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময়

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম মহোদয় আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা ও সরফভাটা পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে, তিনি থানা ও পুলিশ ক্যাম্পের সার্বিক কার্যক্রম, ব্যারাক, ডাইনিং, অস্ত্রাগার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন। তিনি ततজনিতে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম, সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। যৌক্তিক সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাসও প্রদান করেন।

এছাড়াও, জনগণের জানমাল রক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরবর্তীতে, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানাধীন ক্ষেত্র বাজার এলাকায় স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এলাকার বাসিন্দারা মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলাজনিত সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন এবং এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল ও অপরাধ দমনে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আইন নিজের গতিতেই চলবে এবং অপরাধে জড়িত যে-ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের চলমান অভিযান আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, কার্যকর পুলিশিং নিশ্চিত করতে জনসাধারণের সহযোগিতাই সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য নির্ভয়ে পুলিশকে জানাতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। পুলিশ সুপার আশ্বস্ত করেন, জনগণের জানমাল রক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সর্বদা আন্তরিক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ সময়, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পলাতক শেখ হাসিনার দেশে ফেরার রাজনৈতিক বাস্তবতা নেই : রিপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


পলাতক শেখ হাসিনার দেশে ফেরার রাজনৈতিক বাস্তবতা নেই : রিপন

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, পলাতক শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো রাজনৈতিক বাস্তবতা নেই এবং দেশের মানুষ তাকে আর কখনো গ্রহণ করবে না।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘আত্মোপলব্ধি ও আত্মপর্যালোচনায় অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের দীপ্ত শপথ’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলতাফ হোসাইন। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংগঠকেরা উপস্থিত ছিলেন।

ড. রিপন বলেন, গণভবন দখলের মতো ঘটনা জনগণের চূড়ান্ত অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ। তবে এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির পরিবর্তন কখনো রাতারাতি আসে না; তা ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশও সেই পথেই এগোচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে লুটপাট ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে আপিল বিভাগকে ব্যবহার করে নির্দেশনা আনা হয়েছিল, যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায়। তাই ফ্যাসিবাদের হাতে আর কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বা কোনো ধরনের অস্ত্র তুলে দেওয়া যাবে না। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, জুলাই জাতির আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং অন্যায় ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিজয়ের নাম।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিবর্তন ছাড়া ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে বলেন, মানুষ এখনও জুলাইকে ভুলে যায়নি; প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়েই জুলাইয়ের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে।

সভাপতির বক্তৃতায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি সরকার পতনের ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ন্যায়বিচার ও জনগণের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক অঙ্গীকার। তিনি বলেন, দুই বছর পরও জুলাইয়ের পরাজিত শক্তি পরিকল্পিতভাবে এ আন্দোলনকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। তবে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেই ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়া হবে।

শহীদ জননী রোকেয়া বেগম এমপি বলেন, সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকা না থাকলে জুলাই আন্দোলন সফল হতো না। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের উদ্দেশ্য ছিল ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন জনগণের সর্বস্তরের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো থেকে মুক্তির জন্য জনগণের দেওয়া সংস্কারের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে : ডিসি ফরিদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে : ডিসি ফরিদা

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেরানীগঞ্জ গার্লস স্কুলে আয়োজিত একটি অ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক রয়েছেন বললেন, শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট সচেতনতামূলক উদ্যোগই একটি পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠনে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। তাই নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবারই দায়িত্বশীল হতে হবে। পরিচ্ছন্নতা একটি অভ্যাস, আর এই অভ্যাস গড়ে তুলতে বিদ্যালয়ই সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং এটি প্রতিটি নাগরিকের সামাজিক দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরিত করা সম্ভব। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। সেই কারণে বিদ্যালয় থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে যে কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তথা, সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি সফল করতে সবারই নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সভা শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীদের উৎসেই বর্জ্য পৃথক করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং লাল, নীল ও কালো রঙের বিনে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ সময় পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য আলাদা করা এবং বিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার বিভিন্ন কৌশলও শেখানো হয়।

কেরানীগঞ্জ উপজেলার সব সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের জেলা প্রশাসক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ক্লিন স্কুল টিমের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি, বর্জ্য পৃথকীকরণ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশনা দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%