০৭:৫৩ পি.এম
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ১ নম্বর বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি দীর্ঘ সময় ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের বিভিন্ন অংশের ছাদ ও পলেস্তারা খসে পড়ার কারণে পরিষদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে হেলমেট পরে কাজ করছেন। সেবা নিতে আসা লোকজনও ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) পরিবার পরিকল্পনায় কর্মরত আয়া সবিতা রানীর মাথায় ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে তিনি আহত হন।
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, ভবনের প্রায় প্রতিটি কক্ষের ছাদ ও দেয়ালের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। পরিষদে দায়িত্বরত লোকজন মাথায় হেলমেট পরে অফিসের কাজ করছেন। বাইরে থেকে আসা লোকজনও হেলমেট ছাড়া ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছেন। এ অবস্থায় এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, দ্রুত ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত
বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোরশেদুর রহমান জানিয়েছেন, ভবনের কোনো কক্ষই নিরাপদ নয়। হলরুম ও তথ্যসেবা কেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতেও প্রতিদিন মানুষ সেবা নিতে আসেন। পলেস্তারা খসে পড়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাই দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাসুদ সরদার বলেছেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার জানিয়েছেন, জায়গার স্বল্পতার কারণে বর্তমান স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। পুরোনো ভবনটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ভিত্তিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।
আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র্যালি ও সমাবেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন