০৯:০৯ পি.এম
আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে, দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও ফুটবলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জন করল স্পেন। তবে এই ঐতিহাসিক জয় ছাড়াও ফুটবলপ্রেমীদের বেশি অবাক করে দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণী।
৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত ইতিহাসের বৃহত্তম এই ফুটবল মহাযজ্ঞ শুরু হওয়ার আগেই প্রযুক্তির দুনিয়ায় এক অভিনব পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। বর্তমান সময়ের শীর্ষ চার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবটের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কার মাথায় উঠবে বিশ্বজয়ের মুকুট? আশ্চর্যজনকভাবে, টুর্নামেন্টের সমীকরণ শুরুর আগেই চারটি ভিন্ন চ্যাটবট সর্বদিক বিবেচনা করে স্পেনের জয়ের ব্যাপারে একসাথে একমত হয়েছিল, যা মাঠের লড়াইয়ে শতভাগ সত্যি প্রমাণিত হলো।
আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
চ্যাটজিপিটি, ক্লদ এআই, গুগল জেমিনি এবং মাইক্রোসফট কো-পাইলটের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে পরিসংখ্যান ও সম্ভাবনার বিচার জানতে চাওয়া হয়েছিল, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ কারা জিতবে? সে সময় চ্যাটজিপিটি তাদের গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত মডেলের ওপর ভিত্তি করে স্প্যানিশ দলকেই বিশ্বজয়ের দৌড়ের জন্য সবচেয়ে এগিয়ে রেখেছিল। একইভাবে গুগল জেমিনিও তাদের পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছিল যে, স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের গাণিতিক সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি এবং তারা ট্রফি জয়ের তালিকায় একদম শীর্ষে অবস্থান করছে। মাঠে স্পেনের প্রতিটি আক্রমণ ও কৌশল, জেমিনির সেই গাণিতিক পূর্বাভাসকেই যেন সত্য প্রমাণ করেছে। অন্যদিকে, ক্লদ এআই স্পেনের এই সম্ভাব্য সাফল্যের পেছনে তাদের দুর্দান্ত স্কোয়াড এবং লামিন ইয়ামালের মতো তরুণ প্রতিভাদের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছিল। সদ্য ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্পেনের ওপর বুকমেকারদের যে ভরসা ছিল, তা টুর্নামেন্টের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ধরে রাখতে পেরেছে দলটি। এ ছাড়া, মাইক্রোসফটের কো-পাইলট বিভিন্ন ডেটা মডেল ও অপ্টা সিমুলেশনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আগেই জানিয়েছিল যে, টুর্নামেন্টের অন্য যেকোনো দলের চেয়ে স্পেনের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ।
শক্তিশালী বেঞ্চ এবং সাম্প্রতিক ফর্মের কারণে, প্রেডিকশন মডেলগুলোর দেওয়া সেই রায়কে সত্যে রূপ দিয়ে, মাঠের লড়াইয়েও শেষ হাসি হাসল স্পেনই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন