বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫২ পি.এম
অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত
অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ইতালির ভেনিসে হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তিনি পুলিশে অভিযোগ করেন, যখন তিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে হামলার শিকার হন।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তায় বাঁধন উল্লেখ করেন, "মামলা না করে ভেনিস থেকে বাংলাদেশে ফিরবো না।" তিনি আরও বলেন, "আমি কেস ফাইল না করে ভেনিস থেকে বাংলাদেশে আসছি না। এটার শেষ আমি দেখে ছাড়ব।"
বাঁধন জানান, ইতালির পুলিশ তার সহযোগিতা করেছে এবং হামলার পর পুলিশ তাকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয়। পরে, ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের কার্যালয় থেকে যোগাযোগ করা হয় এবং তিনি থানায় গিয়ে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেন।
অভিনেত্রী আরও জানান, ঘটনার সব প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে হামলায় জড়িত কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
ইতালির সংবাদমাধ্যম ইল গাজ্জেত্তিনো জানিয়েছে, ভেনিস প্রশাসনও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের হামলা ও মানসিক লাঞ্ছনার শিকার হন বাঁধন। হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ বলে গালাগাল করে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে ইতালীয় পুলিশের বিশেষ শাখা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে, স্থানীয় সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ফেসবুক লাইভে এসে হামলা ও শারীরিক লাঞ্ছনার কথা জানান বাঁধন। বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইতালি প্রবাসী কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি ফোর্ড মোটর কোম্পানির সমালোচনা করেছেন, চীনা প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতার অভিযোগ তুলে। তবে, ডেট্রয়েটভিত্তিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি এই অভিযোগকে ‘ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে করা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার মার্কিন পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিম ফার্লিকে লেখা চিঠিতে ডাফি বলেন, কোম্পানিটির ‘সাম্প্রতিক কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলো একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে।’
ডাফির মতে, একটি ঐতিহ্যবাহী মার্কিন ব্র্যান্ড ক্রমেই চীনা সরকারের সমর্থনপুষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার ভবিষ্যৎকে জড়িয়ে ফেলছে। তিনি উল্লেখ করেন, মিশিগানের মার্শালে ফোর্ডের ‘ব্লুওভাল ব্যাটারি পার্ক’ কারখানায় চীনা ব্যাটারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিএটিএল-এর প্রযুক্তি ব্যবহারে পরিবহন মন্ত্রণালয় ‘উদ্বিগ্ন’ রয়েছে।
ডাফির বক্তব্য অনুসারে, চীনা প্রযুক্তিগত জ্ঞান ব্যবহার করা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার স্বাধীনতা নিশ্চিত করার নীতির মূল উদ্দেশ্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।
ফোর্ডের চীনা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অন্যান্য সহযোগিতারও সমালোচনা করেন ডাফি। তিনি স্পেনে চীনের গিলি কোম্পানির সঙ্গে ফোর্ডের যৌথ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।
এছাড়া, চীন থেকে লিংকন ব্র্যান্ডের গাড়ি উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েও ফোর্ডের সমালোচনা করেন ডাফি।
ফোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডাফির চিঠিতে ‘তথ্যগত ভুল’ রয়েছে এবং কোম্পানিটির কার্যক্রম সম্পর্কে ভুল ধারণা দেওয়া হয়েছে।
কোম্পানিটি ডাফির চিঠিকে ‘শিরোনাম পাওয়ার জন্য ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া একটি প্রচেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছে।
ফোর্ড উল্লেখ করেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা সম্প্রতি ফোর্ডের সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে যে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন, সেগুলোও তারা তুলে ধরেছে।
ফোর্ড আগস্টে ফক্স বিজনেসকে দেওয়া বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যও উল্লেখ করেছে। লুটনিক তখন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‘ফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন ফিরিয়ে এনে আমাদের চমকে দেবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় পরিচয়পত্র ছবি ছাড়া তৈরি করার জন্য বায়োমেট্রিক ফিচার ব্যবহারের বিষয়ে জারি করা রুলটি হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। ফলে, ছবি সহ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরি করতে হবে।আজ বুধবার, বিচারপতি মো. ইকবাল কবির এবং বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।
এর আগে, ২০২২ সালে, রাজধানীর শাহজাহানপুর শান্তিবাগের বাসিন্দা সুমাইয়া আহমাদ মুনা আদালতে রিট আবেদন করেন, যেখানে তিনি জানান যে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী পর্দা করেন। এই রিট আবেদনে তার স্বামী মুহম্মদ আরিফুর রহমানকে অথরিটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।আদালতে আবেদনের পক্ষে আইনজীবী শেখ ওমর শরীফ এবং আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী ছিলেন।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, আবেদনকারী একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পর্দানশীন মুসলিম মহিলা, যিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলামের শরীয়তের নিয়মাবলী নিয়মিতভাবে পালন করেন। এই কারণে, তিনি ছবি তোলার ক্ষেত্রে বিরত থাকেন, যার ফলে তার পরিচয়পত্র নেই।
কিন্তু পরিচয়পত্রের অভাবে, তিনি নানাবিধ সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই, ছবি ছাড়া বিকল্প ব্যবস্থায় জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।
২০২২ সালের ৬ মার্চ, আদালত এই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন। রুলে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিলেন কেন ছবি ছাড়া বিকল্প পরিচয় তথা বায়োমেট্রিক ফিচার ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না।
এটি আজ বুধবার হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মলদোভা সীমান্তে ইউক্রেনের একটি তল্লাশি চৌকিতে রুশ ড্রোনের হামলায় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
এ তথ্য বুধবার ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে।
সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে উল্লেখ করেছে, ‘রাতের বেলায় রাশিয়া মলদোভার সীমান্তে স্টারোকোজাচে আন্তর্জাতিক সড়ক তল্লাশি চৌকিতে হামলাকারী ইউএভি (মানববিহীন আকাশযান) দিয়ে হামলা চালিয়েছে।’
তারা আরও জানায়, হামলার ফলে তল্লাশি চৌকির কাছে থাকা বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন এবং হামলার কারণে সেখানে আগুনও লেগে যায়। তবে কতজন আহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি প্রকাশ করেছে।
হামলার পর তল্লাশি চৌকিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পূর্বাভাস ক্রমাগত খারাপের দিকে যাচ্ছে রিপাবলিকানদের জন্য। এ অবস্থায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমলেও, তাকে প্রচারের মূল কেন্দ্রে রেখে দলটি বুধবার ডালাসে একটি ব্যতিক্রমী মধ্যবর্তী নির্বাচন সম্মেলন শুরু করতে যাচ্ছে।
দলটির আশা, ট্রাম্পকে সামনে রেখে নির্বাচনে সম্ভাব্য বড় পরাজয় এড়ানো সম্ভব হবে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের নামকরণ করা হয়েছে ‘ট্রাম্পাপালুজা’। আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। একই সঙ্গে, সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার জন্য তাদের কঠিন লড়াই করতে হবে।
এই সম্মেলনের মাধ্যমে ট্রাম্পের সমর্থকদের বোঝানো হবে যে, নির্বাচনে ট্রাম্প নিজেই যেন ব্যালটে প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।
সম্প্রতি দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, “আমি আপনাদের যা করতে বলছি, তা হলো— দয়া করে ধরে নিন যে আমিই ব্যালটে আছি। শুধু ভোট দিতে আসুন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
নির্বাচনী পূর্বাভাসকারী প্রতিষ্ঠান ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ জানাচ্ছে, প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা ২৩০টি আসন ও রিপাবলিকানরা ২০৫টি আসন পেতে পারে। সিনেটেও ডেমোক্র্যাটরা ৫১-৪৯ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে। এর আগে সিনেটে দুই দলের আসন ৫০-৫০ হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। রিপাবলিকানদের জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় পূর্বাভাস পরিবর্তন করে এই হিসাব দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার মাত্র ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প সম্মেলনের দুই রাতেই ডালাসের আমেরিকান এয়ারলাইনস সেন্টারে বক্তব্য দেবেন।
ট্রাম্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো, তার প্রতি ব্যক্তিগতভাবে অনুগত ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা, একই সঙ্গে যেসব স্বতন্ত্র ভোটার তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হচ্ছেন, তাদেরকে আরও দূরে ঠেলে না দেওয়া।
এছাড়া, মূল্যস্ফীতি, গ্যালনপ্রতি ৪ ডলারের বেশি পেট্রোলের দাম ও ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধও তার জনপ্রিয়তায় চাপ তৈরি করছে।
ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব আমেরিকার রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ম্যাথিউ গ্রিন এএফপিকে বলেন, “ট্রাম্প ব্যালটে থাকলেই তার অনেক সমর্থক ভোট দিতে যান।”
তিনি আরও বলেন, “তারা কট্টর রিপাবলিকান ভোটার নন, তারা কট্টর ট্রাম্প সমর্থক। তাই নভেম্বরের নির্বাচনে তাদের ভোটকেন্দ্রে আনতে ট্রাম্পকে সামনে রাখা কিছুটা যৌক্তিক।”
ট্রাম্পের জনসমর্থন ৩০-এর ঘরের মাঝামাঝি বা তার নিচে নেমে গেলে, তা ঐতিহাসিকভাবে প্রেসিডেন্টের দলের জন্য অত্যন্ত খারাপ মধ্যবর্তী নির্বাচনের ইঙ্গিত দিবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্দিষ্টভাবে আয়োজিত এটি রিপাবলিকানদের প্রথম জাতীয় সম্মেলন। তবে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে ডেমোক্র্যাটরাও এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।
এ সম্মেলনে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে না এবং দলের কোনো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমও থাকছে না।
এর পরিবর্তে আয়োজকেরা দুই রাতের একটি টেলিভিশন সমাবেশের মতো অনুষ্ঠান সাজিয়েছেন। সেখানে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি রিপাবলিকান প্রার্থীদের প্রচার করা হবে।
প্রতিনিধি পরিষদের ১০০ জনের বেশি সদস্য ও প্রার্থীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। প্রতি রাতে ৫০টিরও বেশি বক্তৃতা ও উপস্থাপনা থাকবে।
বুধবার সম্মেলনে মূল ভাষণ দেবেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার শেষ দিনের অনুষ্ঠানে তিনি ভাষণ দেবেন। এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বক্তব্য রাখবেন। মন্ত্রিসভার সদস্য, কংগ্রেসের নেতারা এবং প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের প্রার্থীরাও অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন।
রিপাবলিকানরা কর কমানো, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদনশিল্প ও প্রেসক্রিপশন ওষুধের দাম কমানোর বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার চালাবে। একই সঙ্গে তারা ডেমোক্র্যাটদের ‘অত্যন্ত উগ্র বামপন্থী’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করবে।
তবে কিছু রিপাবলিকান ব্যক্তিগতভাবে চাইছেন, ট্রাম্প যেন এসব নির্ধারিত বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকেন। কারণ, তার বক্তব্যে প্রায়ই ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও প্রচারের মূল বার্তার বাইরে থাকা নানা বিষয় প্রাধান্য পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ