ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ওয়াশিংটনে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র


ওয়াশিংটনে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্প প্রশাসনের নিয়োগ দেওয়া রাষ্ট্রদূতের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন আটকে রাখা এবং বেশ কিছু মার্কিন কূটনীতিকের ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এই তথ্য জনায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ওই কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন, পরিস্থিতির সমাধান হয়ে গেলে রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিওত্তির ভিসা পুনরায় বহাল করা হবে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

রাজনৈতিক প্রক্রিয়াটিতে রাষ্ট্রদূত গ্রহণ সাধারণত একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এ ক্ষেত্রে মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, এখানে একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের ভিসা বাতিল অথবা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর মানে এই নয় যে তাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, বরং এর অর্থ হল, তিনি এখানে ভিসা ছাড়াই অবস্থান করছেন। তারা আরও জানিয়েছে, যদি আমাদের মনোনীত রাষ্ট্রদূতকে অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করা হয়, তবে তার ভিসা পুনর্বহাল করা হবে।

এই ভিসা বাতিলের ঘটনা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা সরকারের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেড়ে চলা দূরত্বের সর্বশেষ উদাহরণ। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, লুলার সরকার রক্ষণশীলদের সেন্সর করছে বা বিচারপ্রক্রিয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটাচ্ছে। এদিকে, লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে রক্ষণশীলদের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা নিয়ে ব্রাজিল তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের বিষয়ে ব্রাজিল সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

গত মাসে ব্রাজিল জানিয়েছে, তারা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রমবিষয়ক ব্যুরোর কর্মকর্তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করেছে। ব্রাজিলের মতে, তারা এই সফরের মাধ্যমে আগামী অক্টোবরের নির্বাচনের আগে দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ ও দুর্বল করার চেষ্টা করেছিলেন।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসার মাঝে দেশে আসার পর চলতি মাসেই লন্ডনে ফিরে যাবেন ইলিয়াস কাঞ্চন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ এম


চিকিৎসার মাঝে দেশে আসার পর চলতি মাসেই লন্ডনে ফিরে যাবেন ইলিয়াস কাঞ্চন

ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন দীর্ঘ ১৫ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন। তিনি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ৬০টির বেশি কেমোথেরাপি গ্রহণ করেছেন। জটিল রোগের দীর্ঘ চিকিৎসার ফলে নায়কের আগের চেহারা হারিয়েছে এবং কথা বলার সময় তার কষ্ট হচ্ছে।

গত রবিবার (২ আগস্ট), বাংলাদেশ সময় গভীর রাতে, তিনি স্ত্রী ও জামাতাকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। সোমবার (৩ জুলাই) বিকেলে তিনি ঢাকায় পৌঁছান।

দেশে ফিরে আসার পর বিমানবন্দরে উপস্থিত স্বজন ও ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, "আলহামদুল্লিলাহ্ ভালো আছি, শরীর ভালো আছে। সবার উদ্দেশ্যে যেটি বলার সেটি দোয়া চাই। এবং আমার দোয়া সবার জন্য রইল।"

গত বছরের এপ্রিলে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুগছেন। সেই হাসপাতালে তিনি মেয়ে ইমা ইসলামের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত আগস্টে লন্ডনের একটি হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকেরা টিউমারের একটি বড় অংশ অপসারণ করলেও, ঝুঁকির কারণে পুরো টিউমার অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। পরে চিকিৎসকরা জানান, তার ব্রেন ক্যানসার হয়ে গেছে।

পরিবার জানিয়েছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন করে মোট ১২ সপ্তাহের চিকিৎসায় প্রায় ৬০টির বেশি কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে। এরপর তিনি প্রথম ধাপের ওরাল থেরাপি শেষ করে দ্বিতীয় ধাপের আরও তিন মাসের ওরাল থেরাপি নিয়েছেন। তিন ধাপে সব মিলিয়ে মোট শ খানেক কেমোথেরাপি নিয়েছেন। তবে দেড় বছরের বেশি সময় দেশের বাইরে থাকতে থাকতে তিনি অস্থির হয়ে উঠেছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়, এবং উন্নতি ঘটছে না।

তৃতীয় ধাপের থেরাপি শেষ হয়েছে ৩০ জুলাই। এর পর নতুন করে চিকিৎসা শুরু হবে। এর আগে কিছু সময় দেশের মধ্যে কাটাতে চান তিনি। এই উদ্দেশ্যে তিনি দেশে আসছেন।

অন্যদিকে, সাংবাদিক লিটন এরশাদ জানিয়েছেন, "ইলিয়াস কাঞ্চনের দেশে ফেরাটা বেশি দিনের জন্য নয়।" কারণ ১৫ আগস্ট লন্ডনের হাসপাতালে পুনরায় ইলিয়াস কাঞ্চনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হবে। তাই আগামী ১৪ আগস্টের আগেই নায়ক আবার লন্ডনে ফিরে যাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বছরেও হয়নি সংযোগসেতু, দুর্ভোগে সরাইলের ৫০-৬০ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ এম


বছরেও হয়নি সংযোগসেতু, দুর্ভোগে সরাইলের ৫০-৬০ হাজার মানুষ

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের নাইলা ও শোলাবাড়ি এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত জাফর খালের ওপর দীর্ঘ ২৫ বছরেও একটি সংযোগসেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ। বছরের পর বছর স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পানিশ্বর ও চুন্টা ইউনিয়নের অন্তত ১৫ থেকে ২০টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদর, জেলা শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াতের জন্য এই পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু সেতু না থাকায় প্রতিবছর স্থানীয়দের চাঁদায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। নৌযান চলাচলের সুবিধার্থে সাঁকোটি উঁচু করে নির্মাণ করায় নারী, শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীদের চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সাঁকো পারাপারে জনপ্রতি ৫ টাকা করে নেওয়া হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবল স্রোতে প্রায়ই সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপরও বছরের সাত থেকে আট মাস এই সাঁকোই কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা। প্রতিবছর সাঁকো থেকে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। অতীতেও খাল পার হতে গিয়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তৌহিদ মিয়া বলেন, “প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। জনস্বার্থে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সরাইল উপজেলা প্রকৌশলী ছিবগাত উল্লাহ জানান, ওই স্থানে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও এ বিষয়ে ডিও লেটার দিয়েছেন। অনুমোদন পেলেই নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী কেলেঙ্কারি ও ব্যাংক কর্মকর্তা অপহরণের অভিযোগে বহিষ্কৃত এনসিপি নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ এম


নারী কেলেঙ্কারি ও ব্যাংক কর্মকর্তা অপহরণের অভিযোগে বহিষ্কৃত এনসিপি নেতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এবং কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে এনসিপির বগুড়া জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরানকে সাময়িকভাবেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি, তার বিরুদ্ধে কেন চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সেই বিষয়ে দুই কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর চেয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এনসিপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সেল থেকে এই নোটিশটি জারি করা হয়।

এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে এই নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, শওকত ইমরানের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনের আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়ে উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের কাছে তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিপি বগুড়া জেলা মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব রিগান হোসেন জানান, দলের নীতি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যাচাই করা হয়। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনার কাজ চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অভিযুক্ত শওকত ইমরানের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত সোমবার (৩ আগস্ট)। ওইদিন শওকত ইমরানের একটি ২৭ সেকেন্ডের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ উঠেছে, ভিডিওতে তাকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। তবে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ ওঠে। গত শনিবার (১ আগস্ট) ইসলামী ব্যাংক নওগাঁ শাখার কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলামকে বগুড়া শহরের ফ্লাইওভার এলাকা থেকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে শওকত ইমরানের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাওরের জনপ্রিয়তার আড়ালে যা ঘটছে বুরকিনা ফাসোয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ এম


ট্রাওরের জনপ্রিয়তার আড়ালে যা ঘটছে বুরকিনা ফাসোয়

মাত্র ৩৮ বছর বয়সে ২০২২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বুরকিনা ফাসোর ক্ষমতায় আসেন ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে। পশ্চিমা প্রভাব এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে তিনি আফ্রিকার অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছেন। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার জনপ্রিয়তা বেড়ে গেলেও, দেশের ভেতরে নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিয়ে তার সরকার ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।

আল জাজিরার একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে ট্রাওরের জনপ্রিয়তার কারণ এবং তার সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

ক্ষমতায় আসার পর ট্রাওরে ফরাসি সেনাদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছেন এবং পশ্চিমা সামরিক অংশীদারিত্ব থেকে সরে এসে রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করেছেন। এছাড়া, তিনি বুরুকিনা ফাসোর বিপ্লবী নেতা টমাস সংকারার আদর্শকে সামনে এনে জাতীয়তাবাদী ভাবধারাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন। স্থানীয় কৃষি উৎপাদন ও জাতীয় সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ জোরদারের উদ্যোগও তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

তবে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। আল-কায়েদা ও আইএস-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এখনো ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।

রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ট্রাওরের সরকার সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। গত এপ্রিলে তিনি জনগণকে গণতন্ত্রের কথা ভুলে যেতে আহ্বান জানান। তার সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম সীমিত করেছে। এছাড়া সুশীল সমাজ, সাংবাদিক ও ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

ধর্মীয় ক্ষেত্রেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নতুন ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের আওতায় কয়েকজন প্রভাবশালী সুন্নি আলেমকে গ্রেপ্তার এবং ধর্মীয় কার্যক্রমে নজরদারি বৃদ্ধির ঘটনা তার সমর্থনের ওপরও প্রভাব ফেলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আফ্রিকার সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ট্রাওরে শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু প্রতীকী এই সাফল্য সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান করতে পারেনি।

ওয়াগাদুগুর একজন তরুণ নেতা রয়টার্সকে বলেন, একজন আফ্রিকান নেতাকে পশ্চিমা শক্তির সামনে দৃঢ় অবস্থান নিতে দেখে গর্ব অনুভূতি হয়েছে। তবে রাজনৈতিক গর্ব দিয়ে মানুষ যে জীবন যাপন করে না, সেটিও মনে রাখতে হবে। দেশের সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচারও চায়।

বিশ্লেষকদের অভিমত, ইব্রাহিম ট্রাওরে সার্বভৌমত্বের বার্তাকে শক্তিশালী রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু সামরিক শাসনের মাধ্যমে তিনি বুরকিনা ফাসোয় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারবেন কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%