ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কারও বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না: রুমিন ফারহানা


কারও বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না: রুমিন ফারহানা

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা মন্তব্য করেছেন, 'কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না।' এদিকে, তিনি এভাবে বক্তব্য প্রচার বন্ধের বিষয়টিও প্রশ্ন তুলে বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, 'প্রত্যেকের হাতে গণমাধ্যম আছে, তারা চাইলে হাসিনার বক্তব্য শুনতে পারবে।'

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সরাইল উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনাসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, 'গণমাধ্যম কেবল ২৬টি চ্যানেল নয়। আজকাল প্রত্যেকের হাতে গণমাধ্যম আছে। যারা শুনতে চায়, তারা শুনতে পারবে। এভাবে কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না। আমরা শেখ হাসিনার আমলে দেখেছি তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। কোর্টের আদেশ দিয়ে নিষিদ্ধ ছিল। সেটা যদি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটাই বা কী করে গণতন্ত্র হয়?'

তিনি বলেন, 'উনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশের নাগরিক। উনার পরিবার এবং উনার বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অবদান আছে। উনার পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে তখন আওয়ামী লীগ ছিল একমাত্র দল। সব কিছু বিবেচনায় উনার বয়সও হয়েছে, বাংলাদেশে যদি ফিরে না আসেন, উনার দলের অবস্থা কী দাঁড়াবে বা উনার এত দিনের যে রাজনৈতিক ইতিহাস—সেটারই বা কী হবে। সব কিছু বিবেচনায় আমার কমনসেন্স বলে উনি ফিরে আসবেন।'

ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, 'এটা দেশের আইন-শৃঙ্খলার যে নাজুক পরিস্থিতি—সেটাই ইঙ্গিত করে। দলগুলোর যে তাদের ছাত্রসংগঠনের ওপর কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ নেই এবং দিনশেষে আবারও যে আমরা পুরনো রাজনীতিতেই ফিরে যাচ্ছি, সেটিই ইঙ্গিত করে।'

আরও পড়ুন: মধুপুরে জালেমন বেগম হত্যা মামলার আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার

এদিকে, সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সরাইল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায় উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান বয়কট করে স্থানীয় বিএনপি। এরপর রুমিন ফারহানা সরাইলের পর আশুগঞ্জের অনুষ্ঠানেও যোগ দেন। সেখানে তিনি জুলাই আন্দোলনসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিশিগানের প্রাইমারি নির্বাচনে ব্যালটেই ফুটে উঠল ডেমোক্র্যাটদের অভ্যন্তরীণ বিভাজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


মিশিগানের প্রাইমারি নির্বাচনে ব্যালটেই ফুটে উঠল ডেমোক্র্যাটদের অভ্যন্তরীণ বিভাজন

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের অঙ্গরাজ্যে মঙ্গলবার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইমারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বামপন্থি এক চ্যালেঞ্জার এবং দলীয় নেতৃত্ব-সমর্থিত এক কংগ্রেসওম্যানের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। এই নির্বাচনে ইসরাইল ইস্যু, নির্বাচনে জয়ের সক্ষমতা এবং জাতীয় পর্যায়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতাটি এক রকমের প্রক্সি লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

বিজয়ী প্রার্থী নভেম্বরে অবসর নিতে যাওয়া ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্সের শূন্য হওয়া আসনে রিপাবলিকান দলের সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার জন্য এটি ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।

ডেট্রয়েট থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে, সিনেটে নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে ডেমোক্র্যাটদের মিশিগানের আসন ধরে রাখার পাশাপাশি রিপাবলিকানদের দখলে থাকা আরও চারটি আসনে জয় পেতে হবে। এই কারণে, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে দুই দলের মধ্যে পালাবদল হওয়া এই অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি শুধুমাত্র আদর্শিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ নেই।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই নির্বাচনের ফলাফল থেকে জানা যাবে যে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বর্তমান বামপন্থী উত্থান দলীয় নিরাপদ আসনের বাইরে জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যগুলোতেও সফল হতে পারবে কি না, অথবা মিশিগানের দলীয় মূলধারা তাদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম কি না।

ওয়েন কাউন্টির সাবেক স্বাস্থ্য পরিচালক আবদুল এল-সাইয়েদ বামপন্থি নেতা বার্নি স্যান্ডার্স ও আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজের সমর্থন পেয়েছেন। তিনি নিজেকে শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে লড়াই করার একজন প্রার্থী হিসেবে প্রমাণ করতে চেষ্টা করছেন এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, দলীয় নেতৃত্ব এবং ক্রমশ অজনপ্রিয় হয়ে পড়া ইসরাইলপন্থী দাতাদের বিরোধিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

অন্যদিকে, ডেট্রয়েট শহরতলির চারবারের কংগ্রেসওম্যান হেইলি স্টিভেন্স অভিজ্ঞতা, উৎপাদন শিল্প এবং নির্বাচনে জয়ের সক্ষমতাকে প্রচারের মূল বিষয় করেছেন। তিনি সিনেটে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার থেকে শুরু করে মিশিগানের গভর্নর গ্রেচেন হুইটমারের সমর্থনও পেয়েছেন।

- বামপন্থিদের উত্থান? -

সাম্প্রতিক কিছু জনমত জরিপ অনুযায়ী, এল-সাইয়েদ এগিয়ে রয়েছেন। এতে দেখা যাচ্ছে চলতি প্রাইমারি মৌসুমে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক এই সাফল্যের পর বামপন্থিদের সবচেয়ে বড় জয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

তার সমর্থকদের দাবি, প্রচারণায় স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে, যে কোনো অর্থদাতা নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর না করেও প্রগতিশীলরা অঙ্গরাজ্যজুড়ে একটি শক্তিশালী জোট গড়ে তুলতে সক্ষম।

স্টিভেন্সের প্রত্যাশা, জনমত জরিপে যথাযথভাবে প্রতিফলিত না হওয়া কৃষ্ণাঙ্গ ভোটার, বয়স্ক ডেমোক্র্যাট এবং কলেজ ডিগ্রিহীন ভোটারদের সমর্থন তিনি পাবেন।

ডেট্রয়েটের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় আধা ঘণ্টার পথের শহর বার্মিংহামে ভোট দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এখনও প্রচুর ভোট পাচ্ছি। মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার ফোনে একের পর এক কল আসছে। মানুষ ভোট দিতে যেতে এবং আমার মতো একটি প্রচারণাকে নভেম্বরে এগিয়ে যেতে দেখতে উৎসাহিত।’

- ইসরাইল ইস্যুতে তীব্র বিভাজন -

ইসরাইলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থন নিয়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বড় মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

স্টিভেন্স ইসরাইলকে অব্যাহত সামরিক সহায়তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং গাজায় ইসরাইল গণহত্যা চালানোর অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। অন্যদিকে, এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সহায়তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির (এআইপিএসি)-এর প্রভাবের সমালোচনা করেছেন। সেখানেই তিনি বলেছেন, ইসরাইল বিশেষভাবে একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে থাকা উচিত নয়।

বৃহৎ আরব-আমেরিকান জনগোষ্ঠী এবং গাজা যুদ্ধ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ থাকা মিশিগানে এআইপিএসি ও অন্যান্য পক্ষের প্রায় ৯ কোটি ডলারের ব্যয় এবং ব্যাপক প্রচারাভিযান ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে ইসরাইলপন্থি লবির প্রভাব যাচাইয়ের জন্য আরেকটি জাতীয় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

প্রচারণার শেষদিকে, দুজন প্রার্থী ব্যক্তিগত আক্রমণ বাড়িয়ে দেন। এল-সাইয়েদ স্টিভেন্সকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অযোগ্য প্রার্থী’ বলে মন্তব্য করেন। জবাবে স্টিভেন্স অভিযোগ করেন, এল-সাইয়েদ তার নিজেস্ব সমস্যার জন্য ইহুদি-আমেরিকানদের দায়ী করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত

বর্তমানে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে দেশটির অর্থনীতির আকার ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার বহুমুখী প্রবৃদ্ধি কৌশল গ্রহণ করেছে।

বুধবার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, রাজ্যসভায় লিখিত এক বার্তায় দেশটির অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এ তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের (এপ্রিল ২০২৬) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার প্রায় ৫ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পরিণত হবে।

সীতারামন উল্লেখ করেন, সরকার কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, উৎপাদনশিল্পের বিকাশ, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতকে সহায়তা, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, সরবরাহব্যবস্থা উন্নয়ন এবং ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

এছাড়াও, আয়কর ও জিএসটি সংস্কারের মাধ্যমে করব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা, উদ্ভাবন ও ডিজিটালাইজেশন উৎসাহিত করা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকেও জোর দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি মূলধনী ব্যয় বৃদ্ধি, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) নীতির উদারীকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিচক্ষণ রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সামষ্টিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পদক্ষেপও এই কৌশলের অংশ।

উৎপাদনশিল্পকে শক্তিশালী করতে প্রোডাকশন লিংকড ইনসেনটিভ (পিএলআই), মেক ইন ইন্ডিয়া, ন্যাশনাল লজিস্টিকস পলিসি, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম এবং পিএম গতিশক্তি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো।

ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতের জন্য ঋণ গ্যারান্টি বৃদ্ধি, ইমার্জেন্সি ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম, এমএসএমই শ্রেণিবিন্যাসের সংশোধন, ট্রেড রিসিভেবলস ডিসকাউন্টিং সিস্টেম (টিআরইডিএস) শক্তিশালী করা হচ্ছে। সহজতর উদ्यम নিবন্ধন, সরকারি ই-মার্কেটপ্লেসে (জিইএম) প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের আওতায় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সেবা খাতে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (জিসিসি), মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের উন্নয়নেও জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানযোগ্যতা বৃদ্ধির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এবং, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হসপিটালিটি, আঞ্চলিক মেডিক্যাল হাব এবং বিশ্ববিদ্যালয় টাউনশিপ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও কৃষি খাতে সেচ, প্রযুক্তি ব্যবহার, ডিজিটাল কৃষি, ফসলের বহুমুখীকরণ, ফসল-পরবর্তী অবকাঠামো এবং বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী সীতারামন জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক বাজেটগুলোতে সেমিকন্ডাক্টর, ইলেকট্রনিক্স, বায়োফার্মাসিউটিক্যাল, বিরল খনিজ, রাসায়নিক, মূলধনী যন্ত্রপাতি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং উন্নত উৎপাদনশিল্পকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া, পিএম-সেতু প্রকল্পের মাধ্যমে শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সীতারামনের মতে, এসব পদক্ষেপ ভারতের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করবে এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ‘সারফেসি আইন, ২০০২’-এর আওতায় ব্যাংকগুলো ২ লাখ ১৫ হাজার ৭০৯টি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলার সঙ্গে জড়িত অর্থের পরিমাণ ১ লাখ ৩ হাজার ১৮০ কোটি রুপি। এর মধ্যে ব্যাংকগুলো ৩২ হাজার ৪৬৬ কোটি রুপি আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুরির অভিযোগে কথা বলতে গিয়ে হামলার শিকার ব্যবসায়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


চুরির অভিযোগে কথা বলতে গিয়ে হামলার শিকার ব্যবসায়ী

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের নন্দনগর (খাদিমপাড়া) গ্রামে চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ী মো. বাতির মিয়া (৬৩) হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিবারের অভিযোগ করে জানায়, গত ৪ আগস্ট দুপুরে শাহকালা মাজারসংলগ্ন তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাসান ভেরাইটিজ-এ চুরির বিষয়ে কথা বলতে গেলে একই এলাকার হাসেম মিয়া এবং তার ছেলে হাসিব আহমেদ তার ওপর হামলা চালান। হামলার ফলে বাতির মিয়া মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান।

পরিবার উল্লেখ করে যে, এর আগেও দোকান থেকে মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন মালামাল চুরির ঘটনায় থানায় একটি জিডি করা হয়েছিল। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা হলো, তবে সম্প্রতি আবারও দোকানে চুরির ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ময়জুল ইসলাম জানান, চুরির বিষয়ে কথা বলার সময় হঠাৎ হামলা করে তাদের। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাজাদ আলী সাজুও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত হাসেম মিয়া ও হাসিব আহমেদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটি কোনো ডকুমেন্টারি নয়: রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটি কোনো ডকুমেন্টারি নয়: রাষ্ট্রপতি

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, শহীদ আবু সাঈদের ছবি নেই যেসব ডকুমেন্টারিকে, সেগুলোকে কোনো ডকুমেন্টারি বলা যায় না।

তিনি বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টারিতে অনেক ভুল বিদ্যমান। প্রথম ভুল হলো, সেখানে আবু সাঈদের ছবি নেই। আবু সাঈদ বিপ্লবের একটি প্রতিচ্ছবি এবং প্রতীক। যদি তার ছবি না থাকে, তাহলে এটা কোনো ডকুমেন্টারি নয়। ডকুমেন্টারিতে খালেদা জিয়ার ছবি রাখতে ভুল হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এরপর আমাদের মানসিকভাবে শান্ত থাকা উচিত ছিল। সংসদে ওয়াকআউট করা সঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, এই সরকার আপনাদের নির্বাচিত সরকার। যদি আমরা ভুল করি, সেটি শুধরে দেবেন। আমরা আওয়ামী লীগ হতে পারব না। আওয়ামী লীগে কোনো লজ্জাবোধ নেই।

আধিকাংশের আগে, অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিষয়ক ডকুমেন্টারিতে উল্লেখযোগ্য ঘটনার প্রতি শহীদ পরিবারের সদস্যদের এবং জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন করা হয়, যেখানে তাদের অভিযোগ তুলে ধরা হয় যে, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আন্দোলনের বিভিন্ন অধ্যায় যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি।

ডকুমেন্টারি প্রদর্শন শেষ হতে না হতেই মিলনায়তনের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিবাদ শোনা যায়। শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাগণ দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে আপত্তি জানান। তাদের অভিযোগ ছিল যে, ডকুমেন্টারিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পরম্পরা এবং শহীদদের আত্মত্যাগ যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%