ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কড়াকড়ি


আজ থেকে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কড়াকড়ি

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে। এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে যাচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। গতবারের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিতে যাচ্ছেন ২ লাখ ৮৬৯ জন শিক্ষার্থী।

গতবারের পরীক্ষা থেকে এবারের পরীক্ষায় সকল শিক্ষা বোর্ডে একসাথে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানাচ্ছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই।

আজ বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। সারা দেশে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ঢাকা শহরের ৪০টি কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুন: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বাসের ধাক্কা, নিহত ২

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রশ্নপত্র বিতরণ, উত্তরপত্র সংরক্ষণ, ক্যালকুলেটর ব্যবহার এবং শৌচাগার তল্লাশিসহ ৩৫টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তবে সারা দেশে ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করা হবে এবং পরে নতুন প্রশ্নে পরীক্ষাগ্রহণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোনো কেন্দ্রে নকল ধরা পড়লে শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধেই নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাবিদদের মতামত হচ্ছে, সব বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগটি ইতিবাচক। তবে প্রশ্নফাঁস রোধ করা এবং সব বোর্ডে একই মানদণ্ডে উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আরও পড়ুন: পতিত সরকারের আমলে আলেমদের অকথ্য নির্যাতন করা হতো: রাষ্ট্রপতি

এবারের লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত, এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চালিয়ে যাব: বিরোধী দলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ এম


জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চালিয়ে যাব: বিরোধী দলীয় নেতা

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জানান, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে যে সংস্কার সনদ (চার্টার) তৈরি হয়েছিল, সেই সনদের ভিত্তিতে জনগণ গণভোট বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সরকার সেই রায় বাস্তবায়ন করতে পারেনি। যদি সংসদে সংবিধান সংস্কারের সুযোগ না হয়, তবে আমরা জনগণের কাছে যাব এবং জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সরকার জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে। দীর্ঘ আলোচনা শেষে ৩১টি দৃশ্যমান রাজনৈতিক সংগঠন একটি সংস্কার সনদে একমত হয়ে পৌঁছায়।

‘বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি’ ছাড়া বাকি সব দল সেগুলোতে শেষ পর্যন্ত স্বাক্ষর করেছে-এমন দাবি করেন তিনি।

জায়াতের আমির বলেন, একইদিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে অর্থবহ করার বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলের অঙ্গীকার ছিল। গণভোটে যে রায় আসবে, তা সবাই মেনে নেবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর ভিত্তিতে একটি সংস্কার পরিষদ গঠনের পরিকল্পনা ছিল এবং সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি, সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল।

‘বিরোধী দলের সব সদস্য দুই ধরনের শপথ নিলেও সরকারি দলের সদস্যরা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন, সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। সরকারের যুক্তি ছিল, বিষয়টি সংবিধানে নেই। অথচ অনেক বিষয়ই সংবিধানে আগে ছিল না। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনও সংবিধানে উল্লেখ ছিল না। অতীতে অনুষ্ঠিত প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় গণভোটও সংবিধানে ছিল না। কিন্তু জাতীয় প্রয়োজনেই সেগুলো কার্যকর হয়েছিল’-এটি উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি সুন্দরভাবে বলেন, গণভোটে প্রায় ৬৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তবে সেই রায় উপেক্ষা করে, দেশে নতুন রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে।

ডা. শফিক বলেন, সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করা হলেও তা কার্যকরভাবে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। পরে নোটিশের মাধ্যমে আলোচনা হলেও কোনো রুলিং বা সিদ্ধান্ত আসেনি। তখন বিরোধী দল সিদ্ধান্ত নেয়, সংসদে সুযোগ না পেলে জনগণের কাছে যাবে এবং জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিজার্ভ চুরি, অর্থ লোপাটসহ দুর্নীতির সহায়তার অভিযোগে সাবেক ৩ গভর্নরের নথি তলব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১০ এম


রিজার্ভ চুরি, অর্থ লোপাটসহ দুর্নীতির সহায়তার অভিযোগে সাবেক ৩ গভর্নরের নথি তলব

 

ফাইল ছবি

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, ফজলে কবির ও আবদুর রউফের তথ্য চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে।

রিজার্ভ চুরি, অর্থ লোপাটসহ দুর্নীতির সহায়তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ নথি চাওয়া হয়েছে, যা তিনজন সাবেক গভর্নরের বিরুদ্ধে রয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো আকতারুল ইসলাম আজ বুধবার জানিয়েছেন, এই চিঠিটি রিজার্ভ চুরি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, এস আলম গ্রুপের ঋণ জালিয়াতি এবং ব্যাংকিং খাতে নানা অনিয়মের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে।

দুদক জানিয়েছে, তলব করা নথিপত্র বিশ্লেষণের পর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদসহ পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।

দুদক সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগ অনুসন্ধানে উপ-পরিচালক মো. মোমিনুল ইসলাম, উপ-পরিচালক রণজিৎ কুমার কর্মকার এবং উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইয়াছিন মোল্লার সমন্বয়ে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে।

দুদকের তলবকৃত চিঠিতে বলা হয়েছে, সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের সুবিধা দিতে নীতিমালা প্রণয়ন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, এস আলম গ্রুপের ঋণ জালিয়াতি এবং বিভিন্ন ব্যাংকে অনিয়ম ও জালিয়াতির সুযোগ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগের বিষয়ে একটি অনুসন্ধান চলছে।

অনুসন্ধানের স্বার্থে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যের নাম, ঠিকানা, দায়িত্বকালসহ বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে দুদক। পাশাপাশি, ওই সময়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনসংক্রান্ত নথিও তলব করা হয়েছে।

চাওয়া নথির মধ্যে আরও রয়েছে, ২০১৬ এবং ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন (ডিওএস) ও ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট (বিআরপিডি) থেকে সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিট এবং বড় ঋণ পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনসংক্রান্ত যেকোনো জারি করা সব অনাপত্তিপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি।

অতিরিক্ত, ২০২০ সালের বিআরপিডি সার্কুলার-৮ অনুযায়ী শিল্প ও সেবা খাতে বিতরণ করা প্রণোদনা ঋণ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও প্রণোদনার পরিমাণও চাওয়া হয়েছে।

কয়েকটি ব্যাংকের মালিকানা দেওয়ার অনুমোদনপত্র, এ-সংক্রান্ত নোটশিটের সত্যায়িত অনুলিপি এবং সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সময়ে বিশেষ গ্রুপের মালিকানাধীন কয়েকটি ব্যাংককে নগদ সহায়তা দেওয়ার অনুমোদনসংক্রান্ত নথিও তলব করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ এম


২০২৭ সালের হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু

২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র হজ পালনে আগ্রহী যাত্রীদের জন্য প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম আজ (১ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছে, সৌদি সরকারের ঘোষিত হজ রোডম্যাপ অনুসারে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করা জরুরি।

আজ বুধবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি সরকারের হজ রোডম্যাপ অনুসরণ করে এই নিবন্ধনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ইচ্ছুক হজযাত্রীদের আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৭ এর মধ্যে তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সকলকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে সৌদি আরবের জেদ্দায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৭ সালের হজের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ প্রকাশ করে দেশটির হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বাংলাদেশ থেকে এই রোডম্যাপ গ্রহণ করেন।

ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৮ নভেম্বর দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম শুরু হবে। পবিত্র হজ ফ্লাইট পরিচালনার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ এপ্রিল। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৭ সালের ১৫ মে (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এছাড়া, ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং ৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৫ মে (৯ জিলহজ) অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের পবিত্র হজ।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন না করলে পরবর্তী হজ কার্যক্রমে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই আগ্রহী হজযাত্রীদের সময়মতো নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের পোশাক পরিবর্তন: গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ এম


পুলিশের পোশাক পরিবর্তন: গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরল

বেশ কয়েকদিন ধরে আলোচনার পর অবশেষে পুলিশের পোশাকের পরিবর্তন আনুষ্ঠানিকভাবে করা হয়েছে। নতুন পোশাকের রঙ হচ্ছে গাঢ় নীল এবং হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট, পাশাপাশি থাকবে খাকি রঙের প্যান্ট।

আজ বুধবার, বিএনপি সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের পর, গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে দেখা গেছে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিচালিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে নবনির্মিত ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।

অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে গাঢ় নীল শার্ট ও খাকি প্যান্ট পরা মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে হালকা জলপাই রঙের শার্ট এবং খাকি প্যান্ট পরিধানে দেখা যায়। ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ জানান, আজ থেকে নতুন পোশাক পরা শুরু করেছে পুলিশ সদস্যরা। তবে, সকল পুলিশ সদস্যের কাছে নতুন পোশাক পৌঁছাতে এখনও কিছু সময় লাগবে। পর্যায়ক্রমে সবাই নতুন ইউনিফর্ম পাবেন, এবং যারা ইতোমধ্যে পেয়েছেন তারা এখন নতুন পোশাকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

২৪ সালের ৫ আগস্ট, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশে সংস্কারের দাবি ওঠে। পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের দাবিও উঠেছিল। অতীতে, ২০ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুলিশ ইউনিফর্মের পোশাকের রঙ আইরন বা লোহা-ধূসর এবং প্যান্টের রঙ কফি শেল বা কফি-বাদামি ধূসর ছিল। পরবর্তীতে ২৫ নভেম্বর পুলিশ নতুন পোশাকে মাঠে কাজ শুরু করে। তবে, সেই পোশাকের বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ভিন্নমত দেখা যায়। অনেকেই পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। পোশাকের রঙ সম্পর্কেও প্রশ্ন ওঠে। নির্বাচিত বিএনপি সরকার দায়িত্ব নিতেই নতুন করে পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের দাবি উঠেছে। ১৮ জুন পুলিশ সদর দপ্তর পোশাকের রঙ পরিবর্তন করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

নতুন প্রজ্ঞাপনে পুলিশের শার্ট ও প্যান্টের পাশাপাশি জার্সি, কার্ডিগান, পুলওভার, জ্যাকেট, নারীদের পোশাক, মাথার আবরণ এবং পূর্ণহাতা পোশাকের রঙ-সংক্রান্ত বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

কথাগুলোতে বলা হয়েছে, আগে লোহা-ধূসর রঙের শার্টের উপরে লোহা-ধূসর রঙের ফুলহাতা জার্সি, কার্ডিগান বা পুলওভার ব্যবহারের কথা ছিল। তবে, নতুন বিধানে সেটির পরিবর্তে নীল রঙের শার্টের ওপর গাঢ় নীল রঙের ফুলহাতা জার্সি, কার্ডিগান বা পুলওভার যুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা পুলিশ ও এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি ও র‌্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে ট্রাউজার হবে খাকি রঙের টিসি টুইল কাপড়ের। শার্ট হবে গাঢ় নীল রঙের টিসি প্লেইন ফেব্রিক কাপড়ের। সাধার্য হবে শার্টের সামনে চারটি পকেট এবং সামনের দিকে সমদূরত্বে সাতটি বোতাম থাকবে।

নতুন প্রজ্ঞাপনে নারী পুলিশের পোশাক নিয়ে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। নারীরা চাইলে শাড়ি পরতে পারবেন, জেলা পুলিশ ও অন্যান্য ইউনিটে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে গাঢ় নীল ব্লাউজ পরিধানের অনুমতি রয়েছে। মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে হালকা জলপাই রঙের ব্লাউজ পরার কথা বলা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নারী পুলিশ সদস্যরা চাইলে মাথার আবরণ ব্যবহার করতে পারবেন। ট্রাফিক ইউনিটের নারী পুলিশ সদস্যরাও বছরের বিভিন্ন সময়ে পূর্ণহাতা শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন। গর্ভাবস্থায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটপ্রধানের অনুমতি নিয়ে সাধারণ পোশাক পরিধানের বিষয় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%