শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ পি.এম
ফরিদপুর, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনের ফলে ভিটে মাটি হারানো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
আজ শনিবার ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি এ সময় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল ও নগদ অর্থ তুলে দেন।
কর্মসূচিতে বক্তারা উল্লেখ করেন, দুর্যোগ ও সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পুনর্বাসন এবং চিকিৎসায় এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এ সময় ফরিদপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমর সানীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও ট্রল দেখা যায়। তবে ঢালিউডের এই জনপ্রিয় নায়ক এসব নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। বরং তিনি দাবি করেন, তার জীবনে এমন কোনো কাজ নেই, যা নিয়ে ট্রল করা সম্ভব।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল ও সমালোচনার বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ওমর সানী। এ সময় তিনি সরাসরি কথা বলার অভ্যাস, জীবনযাপন এবং ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করেন।
ট্রল প্রসঙ্গে ওমর সানী বলেন, "আসলে আমাকে নিয়ে ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ আমি আমার জীবনেও করিনি। হয়তো বা আমার কর্মকাণ্ডকে ট্রলের মতো করে ওরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কতগুলো ফালতু লোক আছে, যাদের অনেকে বট বাহিনীও বলে—যারা ট্রলের মতো করে। কিন্তু ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ আমার নেই।"
নিজের প্রতিবাদী স্বভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, "আমি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করি। এই সরাসরি কথা বলাটা অনেকের ভালো লাগে না। যাদের আঁতে ঘা লাগে, তারা এসব ছড়ায়। এসবে তাই পাত্তা দিই না। যারা এসব করে, তারা ফালতু লোক।"
সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যবহৃত একটি ঘড়ি নিয়েও তিনি কথা বলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দামি ঘড়ি নিয়ে মানুষের নানা ধরনের প্রচার-প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "অনেকেই বাংলাদেশে বলছে, ‘ভাই, আমার ঘড়িটা দেখছেন? এই ঘড়িটা কিন্তু প্রায় ২৯ লাখ টাকার।’ আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনটা দেখেছি। আমার হাতেও একটা ঘড়ি আছে। হয়তো আমি ওমর সানীকে এই ঘড়ি পরতে দেখে অনেকের কাছে খুব দামি মনে হচ্ছে। আসলে এটার দাম অত না, এটা মাত্র ১১০০ টাকা।"
নিজের সম্পদ নিয়ে বাড়তি জাহির করার অভ্যাস নেই বলেও জানান এই চিত্রনায়ক। তার ভাষ্য, "আমি এটা প্রাউডলি বলতে পারি, কোনো দিন কোনো কিছুতে আলগা বাহাদুরি করিনি। আমার মার্সিডিজ থাকার পরও আমি ফুটানি করি না। এটা নিয়ে বড় করে কথা বলার কিছু নেই।"
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া কোনো পোস্ট বা মন্তব্যের কারণে কখনো সেটি মুছে ফেলেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "না, এ রকম কখনো মনে হয়নি। কারণ, আমি পোস্ট কখনো ডিলিট করার মতো করিনি। একবার হয়তো বা করেছিলাম কিংবা দুবার করেছিলাম। কিন্তু আমি কাউকে ছোট করে কখনো পোস্ট করিনি। কেউ এমনটা দেখাতেও পারবে না।"
এ সময় শিল্পীদের কথা বলা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ওমর সানীর মতে, শিল্পীরা যেখানে তুলনামূলক কম কথা বলেন, সেখানে শিল্পী নন—এমন অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশি কথা বলেন।
১৯৯৪ সালের ২ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া দীলিপ সোম পরিচালিত ‘দোলা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় জুটি বাঁধেন ওমর সানী ও মৌসুমী। এরপর ‘আত্ম অহংকার’, ‘প্রথম প্রেম’, ‘মুক্তির সংগ্রাম’, ‘হারানো প্রেম’, ‘গরিবের রানি’, ‘প্রিয় তুমি’, ‘সুখের স্বর্গ’, ‘মিথ্যা অহংকার’, ‘ঘাত প্রতিঘাত’ ও ‘লজ্জা’সহ বহু সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। পর্দার এই জুটি বাস্তব জীবনেও ঢালিউডের পরিচিত তারকা দম্পতি হিসেবে দর্শকের ভালোবাসা পেয়ে আসছেন। ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই তারকা দম্পতি। তাঁদের দুই সন্তান ফারদিন ও ফাইজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৬০ বছর বয়সী হালিম সর্দার নিহত হয়েছেন।
এই ঘটনা ঘটেছে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের খয়েরপুর গ্রামে। নিহত হালিম সর্দার ছিলেন মৃত কলম সর্দারের পুত্র।
কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ এই ঘটনায় বকুল সর্দার (৩০) নামের একজনকে আটক করেছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সকাল ৮টায় হালিম সর্দার বাড়ি থেকে বের হয়ে চাপাইগাছি বিলের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় মান্নান গ্রুপের এক সমর্থক নজরুলের বাড়ির ছাদ থেকে বল্লম ছুড়ে মারলে তা সরাসরি হালিমের গলার মধ্যে ঢুকে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা হালিম সর্দারকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলামপুর ইউনিয়নের খয়েরপুর এলাকায় মসজিদের ব্যাটারি চুরিকে কেন্দ্র করে মান্নান মেম্বার ও বকুল এবং ইউসুফ মেম্বার ও মেহেদী সমর্থকদের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছিল। ভোরবেলায় চাপাইগাছি বিলের পাশে দুই গ্রুপ সংঘর্ষের জন্য জড়ো হলে হালিম বাড়ি থেকে বের হন। তখনই মান্নান মেম্বারের সমর্থক নজরুলের বাড়ির ছাদ থেকে বল্লম ছুড়ে মারা হলে হালিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের উপর হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দুষ্কৃতিকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে তিনি এই দাবি তুলে ধরেন।
তিনি জানান, মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা চালিয়ে সেটি গুঁড়িয়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার গরমের আঁচ এবার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর পড়েছে। রাতের অন্ধকারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি ধ্বংস করে সেখানে রহস্যজনক একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াত আমির প্রশ্ন করেন, কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? এর পেছনে যারা রয়েছে, তাদের পরিচয় এখন আর গোপন নেই। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবে নিবারণ হচ্ছে না। তারা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, অন্যদিকে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।
দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, আর কত দিন এই ধরনের ঘটনা চলবে? দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে একসময় জনগণের হাতেই তাদের শাস্তি পেতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি থানার বাউন্ডারি দেয়ালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার পোস্টার লাগানোর অভিযোগ উঠেছে কালকিনি পৌরসভার সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এনায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে। পোস্টার লাগানোর সময় তিনি নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ঘটনাটি লাইভ করেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে কালকিনি থানার বাউন্ডারি দেয়ালে পোস্টার লাগানোর এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ সময় এনায়েত হোসেনের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা মারুফসহ আরও কয়েকজনকে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে তারা কালকিনি উপজেলা পরিষদে গিয়ে ইউএনও কার্যালয়ের সামনেও একই ধরনের পোস্টার লাগান এবং এনায়েত হোসেন ফেসবুক লাইভে বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর তারা কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রাঙ্গণেও গিয়ে ব্যানার ও পোস্টার লাগান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তারা এসব কার্যক্রম চালান। এ সময় দুই দফায় ফেসবুক লাইভে পুরো কার্যক্রম প্রচার করা হয়। তবে এতক্ষণ ধরে প্রকাশ্যে এসব কর্মকাণ্ড চললেও ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক কোনো পুলিশি তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে কালকিনি থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
স্থানীয়দের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার বাউন্ডারি দেয়ালে প্রকাশ্যে পোস্টার লাগিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করার পরও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের সঙ্গে প্রশাসনের কোনো ধরনের যোগসাজশ বা সখ্যতা রয়েছে কি না, সে প্রশ্নও তুলেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলমের বক্তব্য জানতে সাংবাদিকরা একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। এমনকি থানায় গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি বলে সাংবাদিকদের দাবি। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় তথ্য ও বক্তব্য চাইলে তিনি নানা অজুহাতে বক্তব্য দিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তবে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস বলেন, “ভিডিও দেখে যারা এ কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সখ্যতা না থাকলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা এমন প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড করার সাহস পেত না। তবে তাঁর এ বক্তব্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামনে প্রকাশ্যে এমন কর্মকাণ্ড ঘটার পরও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হলো না কেন। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য কর্মকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলমের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ