শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৩ এম
বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের নবাগত ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নানা ধরনের প্রচারণা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এসব প্রচারণার কোনো কোনো বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও যাচাই-বাছাই ছাড়াই তা ছড়িয়ে পড়ায় বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা রেঞ্জের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এর আগে মোস্তাফিজুর রহমান বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চলতি বছরের জুলাইয়ে তাঁকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে সর্বশেষ তাঁকে ঢাকা রেঞ্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ঢাকা রেঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়নের পর ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট, মন্তব্য ও অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। এর মধ্যে কিছু পোস্টে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবি করা হয়েছে, আবার কিছু পোস্টে তাঁর দায়িত্ব পালনের প্রশংসা করা হয়েছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সব বক্তব্যের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে—এমন তথ্য নেই। ফলে কোনো পোস্ট বা অনলাইন বক্তব্যকে সরাসরি প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে গ্রহণের সুযোগ নেই।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে মূল প্রশ্ন এখানেই—যে অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, তার উৎস কী? অভিযোগের পক্ষে নথি বা প্রমাণ কোথায়? আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যই বা কী?
প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোস্তাফিজুর রহমান চলতি বছরের মার্চে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরে জুলাইয়ে তাঁকে খুলনা রেঞ্জে বদলি করা হয়। সর্বশেষ ১৭ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনে তাঁকে ঢাকা রেঞ্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
খুলনা রেঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বরিশাল রেঞ্জে দায়িত্ব পালনকালেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন পুলিশি কার্যক্রম নিয়ে তাঁর তদারকির কথা সংবাদ প্রতিবেদনে এসেছে।
এসব তথ্য অবশ্যই তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনের নথিভুক্ত কর্মকাণ্ডের অংশ; এগুলোর ভিত্তিতে ব্যক্তিগত চরিত্র বা সততার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য নয়।
তাঁকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান প্রচারণা সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা রেঞ্জের নবাগত ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিবেদককে বলেন, আমি আমার দায়িত্ব সততা ও দক্ষতার সঙ্গে পালন করে যাব এবং বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া প্রত্যেকটি দায়িত্ব যথাযথভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যা যা করা দরকার, সেটা করব।
নিজেকে নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অপপ্রচারকারীরা কী অপপ্রচার করে, তা দেখার সময় আমার নেই। আমি আমার কাজ নিয়েই সবসময় ব্যস্ত থাকি।
তিনি আরও বলেন, সরকারি সার্ভিসে আমি যদি ভালো কাজ করি, আমি অবশ্যই ভালো প্রতিদান পাব। আর যদি কোনো অন্যায় করি, সেটাও বাংলাদেশ সরকার দেখবে। ভালো কাজের হিংসা করে যদি কেউ কিছু লেখে, সে বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।
কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়ে অভিযোগ থাকলে তা যাচাই করা সাংবাদিকতার স্বাভাবিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে সেটিকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করাও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোনো পোস্ট, ফেসবুক আইডি কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বক্তব্য একা কোনো অভিযোগের প্রমাণ নয়। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন নথি, প্রত্যক্ষ বা নির্ভরযোগ্য তথ্য, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অবস্থান।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে অনলাইনে প্রচারিত প্রতিটি অভিযোগকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একইভাবে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে এসব প্রচারণার নেপথ্যে দায়ী করার মতো যাচাইযোগ্য তথ্যও পাওয়া যায়নি।
একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার নথি ও প্রমাণ সামনে আসা প্রয়োজন। আবার কোনো অভিযোগ অসত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সেটিও পাঠকের সামনে তুলে ধরা জরুরি।
তালাশ বিডির নীতি—প্রচার নয়, প্রমাণ; অভিযোগ নয়, যাচাই; আর একতরফা বক্তব্য নয়, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই সংবাদ প্রকাশ।
ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে প্রচারিত কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগের পক্ষে নতুন নথি বা যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যসহ প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডির অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী হাউজিং এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুলিশ জানিয়েছে, জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কাওসার হোসেন শিপনের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান শুরু করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি দল। দীর্ঘ সময় কৌশলগত অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে রূপাতলী হাউজিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ৫ আগস্ট ২০২৪ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
কাওসার হোসেন শিপন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তার উল্লেখযোগ্য প্রভাব ছিল। এ প্রভাবকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরোধ ও সংঘাতের ঘটনাও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার অনুসারীদের সঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের বিরোধের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
কাওসার হোসেন শিপনের রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি বরিশালের স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তার পারিবারিক সম্পর্ক নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারের সঙ্গে কাওসার হোসেন শিপনের পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কাওসার হোসেন শিপন জিয়া উদ্দিন সিকদারের চাচা শ্বশুর এবং জিয়া উদ্দিন সিকদার কাওসার হোসেন শিপনের বড় ভাই মো. ফিরোজ আহমেদের মে জামাই।
এই পারিবারিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন সময়ে নানা আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর কাওসার হোসেন শিপন দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থেকেও কীভাবে নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ও আলোচনা ছিল।
এদিকে, কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের পর কোনো মামলা হয়নি—এমন দাবিও স্থানীয়ভাবে আলোচনায় থাকলেও পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে তা মেলে না। পুলিশ জানিয়েছে, জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন এবং সেই মামলাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি জানান,কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) অলক কান্তি শর্মা, (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম ও ওসি তদন্ত লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ সময় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও কৌশলগত অবস্থান বজায় রাখার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কাওসার হোসেন শিপনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তবে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর সুনির্দিষ্ট নম্বর, ধারাসমূহ এবং মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে তালাশ বিডি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নামাজ ইসলাম ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসাবে গণ্য করা হয়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
হাদিসের আলোকে, নামাজ মুমিন এবং অমুসলিমের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষের সকল প্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখার পাশাপাশি আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই, প্রতিটি মুসলিমের জন্য দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা একটি অপরিহার্য দায়িত্ব।
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাল, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ০৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ:
ফজর- ভোর ৪: ৩২ মিনিট
জুমা- দুপুর ১১: ৫৬ মিনিট
আসর- দুপুর ৪: ১৭ মিনিট
মাগরিব- সন্ধ্যা ৬: ০৩ মিনিট
এশা- রাত ৭: ১৬ মিনিট
ফজর- ভোর ৪: ৩২ মিনিট (২০ সেপ্টেম্বর)
নামাজ আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় চুক্তিটি সই হবে বলে জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ পাবে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, চুক্তিটির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কোনো খরচ হবে না। এর মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও রক্ষায় ‘যা প্রয়োজন তা করার’ সক্ষমতা পাবে যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি দাবি করেন, চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া কোনো মার্কিন প্রতিপক্ষ গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে বা ‘সংবেদনশীল বিনিয়োগ’ করতে পারবে না।
তবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন চুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি বলেছেন, এই চুক্তি আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, চুক্তিটি ডেনমার্কের রাজ্যের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত অবস্থান ও গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদের গুরুত্ব তুলে ধরে ট্রাম্প দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথা বারবার বলেছেন। চুক্তিটি সেই দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন সমঝোতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় আবারও ‘সম্ভাব্য বিপদ’-এর সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আগের সতর্কতা তুলে নেওয়ার কয়েক মিনিট পরই নতুন করে এসব সতর্কতা জারি করা হয়।
কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, নতুন সতর্কতার আওতায় রয়েছে জাজান ও আবহা অঞ্চল, পাশাপাশি খামিস মুশাইত, জেদ্দা, তায়েফ ও ইয়ানবু গভর্নরেট।
রয়টার্স জানিয়েছে, সতর্কতাগুলোতে সম্ভাব্য বিপদের ধরন নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের উত্তেজনা বেড়েছে। এর মধ্যেই দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। গত কয়েক দিনেও জেদ্দা, তায়েফ, আবহা, জাজান ও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ