ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০ বছরের পুরনো বাস চলতে না দিলে ১ নভেম্বর ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি


২০ বছরের পুরনো বাস চলতে না দিলে ১ নভেম্বর ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতি ২০ বছরের পুরনো বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং ফিটনেস থাকা গাড়ি সড়কে চলাচলের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। সমিতির নেতারা আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না এলে ১ নভেম্বর থেকে রংপুর বিভাগের সব জেলায় সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে রংপুর নগরীর জেলা মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আলটিমেটাম দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম বসুনিয়া লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গাড়ির বয়সের ভিত্তিতে চলাচল বন্ধ না করে এর প্রকৃত অবস্থা, যান্ত্রিক সক্ষমতা ও ফিটনেস বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় পরিবহন খাতে সংকট সৃষ্টি হবে এবং সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়বে।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিআরটিএর নীতিমালা অনুযায়ী বাস ও মিনিবাসের ইকোনমিক লাইফ ২০ বছর এবং ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের ক্ষেত্রে ২৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নিয়মের কারণে সারা দেশে নিবন্ধিত ২০ বছরের পুরনো ৫৬ হাজারের বেশি বড় বাস ও ২৮ হাজারের বেশি মিনিবাস চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পরিবহন মালিকদের দাবি, এত বিপুলসংখ্যক গাড়ি একসঙ্গে চলাচলের বাইরে চলে গেলে বিকল্প পরিবহনের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করা কঠিন হবে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সারা দেশে নতুন নিবন্ধন পাওয়া বাসের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭৩৬টি, যার মধ্যে মিনিবাস ছিল ২২০টি। ফলে পুরনো গাড়ি সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন গাড়ি যুক্ত না হলে যাত্রী পরিবহনব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

বয়স নয়, ফিটনেসকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি

সংবাদ সম্মেলনে পরিবহন নেতারা জানান, একটি গাড়ির বয়স ২০ বছর হলেই সেটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায় না। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ পরিবর্তন ও প্রয়োজনীয় মেরামতের মাধ্যমে পুরনো গাড়িও চলাচলের উপযোগী রাখা সম্ভব। তাই শুধু বয়সের ভিত্তিতে গাড়ি বাতিল না করে কারিগরি পরীক্ষা ও ফিটনেসের ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

তাদের দাবি, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৪০ ধারায় নির্ধারিত শর্তে চেসিস ছাড়া গাড়ির অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এই অবস্থায় গাড়ির বয়সকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হলে আইনের ওই বিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্য তৈরি হতে পারে।

রংপুর অঞ্চলের অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে পরিবহন নেতারা বলেন, এ অঞ্চল কৃষিনির্ভর। এখানকার অনেক পরিবহন মালিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। তাদের পক্ষে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নতুন বাস কেনা সম্ভব নয়। পুরনো গাড়ি বাতিল করে নতুন গাড়ি কেনার বাধ্যবাধকতা তৈরি হলে অনেক মালিক আর্থিক সংকটে পড়বেন। এর ফলে পরিবহন ব্যবসা, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান এবং যাত্রীসেবায় প্রভাব পড়বে।

নেতাদের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও কিছু আমদানিকারককে সুবিধা দিতে আমলাতান্ত্রিক পর্যায় থেকে সরকারকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, এর ফলে বাস্তবতা বিবেচনা না করেই পরিবহন মালিকদের ওপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপের আশঙ্কা

আরও পড়ুন: পানির মধ্যেই ঢালাই, বের হয়ে গেছে রড: কাঠালিয়ায় বিএডিসির স্লুইসগেট নির্মাণে অনিয়ম

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিপুলসংখ্যক পুরনো বাস একযোগে বাতিল করে নতুন গাড়ি আমদানি করতে হলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হবে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, সচল রাখা সম্ভব এমন গাড়িতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংযোজন ও মেরামতের মাধ্যমে পরিবহনসেবা চালু রাখলে তুলনামূলক কম খরচে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

পরিবহন নেতারা বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। তবে গাড়ির প্রকৃত অবস্থা যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাঁরা ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচলের পক্ষে নন। তাঁদের মূল দাবি, ফিটনেস থাকা গাড়ি যেন শুধু বয়সের কারণে বাতিল না হয়।

ধর্মঘট হলে ভোগান্তিতে পড়বেন যাত্রীরা

রংপুর বিভাগে বাস চলাচল বন্ধ হলে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার যাত্রীদের পাশাপাশি কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। পণ্য পরিবহন ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থাতেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন: মীরসরাইয়ে স্বজনদের তিন দিনব্যাপী বইপড়া উৎসব শেষ

রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির উপদেষ্টা ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলালের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় বাস-মিনিবাস মোটর মালিক সমিতির সভাপতি শ্রী ভবানী শংকর আগরওয়াল, সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিমুল বারী রাজসহ পরিবহন খাতের নেতারা।

সমিতির নেতারা জানান, আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে দাবির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা চান তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ১ নভেম্বর থেকে রংপুর বিভাগের সব জেলায় সর্বাত্মক পরিবহন ধর্মঘট পালন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ১ বিজিবি অধিনায়কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ১ বিজিবি অধিনায়কের

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগামী (২০ অক্টোবর) রাজশাহী শহরস্থ রাজশাহী ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার, পিএসসি, জি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে বিজিবির পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক। এ সময় তিনি দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারত্ব ও সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

রাজশাহী ধর্মসভা পূজামণ্ডপে পূজা উদযাপন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত পরিদর্শন নির্বিঘ্ন, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।#

 
 

--

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গোৎসবের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিতে শুভেন্দুর চরম অব্যবস্থাপনা নগ্ন হয়ে পড়ল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


দুর্গোৎসবের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিতে শুভেন্দুর চরম অব্যবস্থাপনা নগ্ন হয়ে পড়ল

উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দের মাঝে ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি ঘটে। চোরবাগান দুর্গোৎসব প্যান্ডেলে হুড়োহুড়ি ও পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু ঘটে এবং ২৫ জনেরও বেশি গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার ফলে রাজ্যজুড়ে শোক, হাহাকার এবং জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের দীর্ঘ ছয় দশকের ভিড় নিয়ন্ত্রণের সুনাম থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপি সরকারের অদক্ষতা, পুলিশের দলীয়করণ, এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উগ্র রাজনীতির কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে বলে সমালোচনা চলছে।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন, কলকাতা শহর প্রতিবছর দুর্গাপূজায় কোটি কোটি মানুষের ভিড় সামলাতে অভ্যস্ত। কিন্তু চোরবাগানের ঘটনা প্রমাণ করে যে সঠিক ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। বৃষ্টির সময় প্যান্ডেলে প্রবেশের সংকীর্ণ পথ এবং জনস্রোত নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশের ন্যূনতম ব্যবস্থা ছিল না।

সাবেক রাজ্যসভা সদস্য ও প্রাক্তন আইএএস অফিসার জওহর সরকারের মতে, পুলিশ বাহিনী ভিড় নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞ কৌশল প্রয়োগের চেয়ে নতুন শাসকদলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণে বেশি ব্যস্ত ছিল। যখন ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি ছিল, তখন পুলিশ প্যান্ডেলের বাইরে বামপন্থী রাজনৈতিক দলের বইয়ের স্টল স্থাপন ও বিরোধীদের দমন করতে ব্যস্ত ছিল।

মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা এবং মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। অধিকাংশ সাধারণ মানুষের পক্ষে ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা সম্ভব নয়। চিকিৎসার গাফিলতি ঢাকার চেষ্টা এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের ২৭% মুসলিম জনগোষ্ঠী, শিক্ষার্থী এবং বিরোধী পক্ষকে লক্ষ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করে আসছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া থেকে শুরু করে সনাতনী আচার-আচরণ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, তিনি প্রশাসনিক যোগ্যতার চেয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক প্রভাবকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়্যার এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে একটি "একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক" শাসনব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা ছাঁটাই এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে হওয়া নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সরকারে মন্ত্রী পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা নেই।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক তৃণমূল নেতাদের দলে টেনে এবং পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে রাজ্যে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। উৎসবের মৌসুমে উত্তর ভারতের খাদ্যাভ্যাস ও ধর্মীয় আচার চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা রাজ্যের বহুমাত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। উত্তর কলকাতার এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা প্রমাণ করে যে রাজনৈতিক বক্তৃতা, অর্থ কিংবা উগ্র মেরুকরণ দিয়ে ভালো শাসনব্যবস্থা তৈরি করা যায় না।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলকাতা সফর করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার চেষ্টা করলেও সাধারণ মানুষের ক্ষোভ কমেনি। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশকে অবিলম্বে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে একজন "উগ্র রাজনৈতিক প্রচারক" না হয়ে একজন দায়িত্বশীল প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে আচরণ করতে হবে, অন্যথায় এই গণক্ষোভ বিজেপি সরকারের স্থায়িত্বকেই বড় প্রশ্নের মুখে ফেলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের আদেশ স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের আদেশ স্থগিত

চেম্বার আদালত আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে দ্রুত বকেয়া কর আদায়ের আদেশ স্থগিত করেছেন। এই আদেশের ফলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর আপাতত গ্রামীণ কল্যাণকে পরিশোধ করতে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ প্রদান করেন। আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে, গত ১০ সেপ্টেম্বর, হাইকোর্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এনবিআরের দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশনা দেয়।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে। আদালত এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে রায়টি প্রদান করে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি রিট খারিজ করে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে একই বেঞ্চ ২৯ আগস্ট তা প্রত্যাহার করে নেয়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, দ্বৈত বেঞ্চের দ্বিতীয় বিচারপতি একসময় এসব মামলায় সরকারের পক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাই রায়টি ডিফেক্টিভ (ত্রুটিপূর্ণ) হবে।

তখন প্রধান বিচারপতির কাছে মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭—এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণ ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের প্রধান কোচ হলেন মিসবাহ-উল-হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


নেপালে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের প্রধান কোচ হলেন মিসবাহ-উল-হক

নেপাল প্রিমিয়ার লিগ (এনপিএল) টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসরে সুধুরপশ্চিম রয়্যালসের প্রধান কোচ হিসেবে পাকিস্তান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক নিয়োগ পেয়েছেন।

সুধুরপশ্চিম রয়্যালসের ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিসবাহর নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তারা জানায়, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের অন্যতম শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি, সাবেক অধিনায়ক ও প্রধান কোচ মিসবাহ উল হক এখন সুদূরপশ্চিম রয়্যালসের।’

এনপিএলের প্রথম দুই আসরে সুধুরপশ্চিম রয়্যালসের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন নেপালের সাবেক খেলোয়াড় জগৎ তামাতা। প্রথম দুই আসরে ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি সুধুরপশ্চিম। এবার মিসবাহর অধীনে শিরোপা খরা কাটানোর লক্ষ্য তাদের।

নেপাল ক্রিকেটের সাথে যুক্ত হতে পেরে এবং নতুন দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বসিত ৫২ বছর বয়সী মিসবাহ।

ফ্র্যাঞ্চাইজির দেওয়া এক বিবৃতিতে মিসবাহ বলেন, ‘আসন্ন মৌসুমে সুধুরপশ্চিম রয়্যালসের প্রধান কোচ হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। নেপালে ক্রিকেটের প্রতি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা সম্পর্কে অনেক শুনেছি। এবার নেপাল ক্রিকেটের অংশ হতে এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সাথে কাজ করতে মুখিয়ে আছি।’

পাকিস্তানের হয়ে তিন সংস্করণেই খেলেছেন মিসবাহ। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ২৭৬ ম্যাচে ১১,১৩২ রান করেছেন তিনি।

২০১৭ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন মিসবাহ। এরপর কোচিং পেশায় যুক্ত হন তিনি। ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় দলের প্রধান কোচ ও প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০২৬ সালে পেশোয়ার জালমির ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মিসবাহ। ঐ বছর শিরোপা ঘরে তুলে পেশোয়ার।

এনপিএল আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। ২১ নভেম্বর ফাইনাল দিয়ে টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে।

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%