ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বরিশাল কর্নকাঠির আতঙ্কের নাম মাইনুল: জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী


বরিশাল কর্নকাঠির আতঙ্কের নাম মাইনুল: জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি এলাকায় গড়ে উঠেছে এক আতঙ্কের সাম্রাজ্য। নদীবেষ্টিত এই এলাকাটির সাধারণ মানুষের কাছে 'মাইনুল' যেন এক ত্রাসের নাম। জমি দখল, মাদক ব্যবসা, অটো-রিকশা থেকে চাঁদা আদায়সহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তার সন্ত্রাসী বাহিনী করছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বাহিনীর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না কেউ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইনুল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজনের অনুসারী হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তৎকালীন সময় থেকেই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন তিনি। পরবর্তীতে সদর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাক কাটা রুবেল’-এর অন্যতম সহযোগী হিসেবে নিজের বাহিনী আরও বিস্তৃত করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও রসদ জোগান

আরও পড়ুন: চকরিয়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে বরিশাল নগরীর সিএমবি রোড ও নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক হামলায় মাইনুল ফকির সক্রিয়ভাবে অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, হামলাকারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সন্ত্রাসীদের জন্য নিয়মিত খাবার ও প্রয়োজনীয় রসদ জোগানোর মূল দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

৫ই আগস্টের পর আত্মগোপন ও ফের তাণ্ডব

গত ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মাইনুল কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন। তবে কিছুদিন পর ফের রুবেল বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে কর্নকাঠি এলাকায় তাণ্ডব শুরু করেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে সাধারণ কৃষকদের জমি দখল, মানুষের মাছের ঘের দখল এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে অন্যের জমি খাস বা দখল করে দেওয়াই তাদের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: ফেনীতে পুলিশের অভিযানে ডাকাত ও কিশোর গ্যাংসহ ২৫ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ২২ পিস ইয়াবা

মহড়া ও গ্রেফতারি পরোয়ানা

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০:১৫ মিনিটের দিকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনি এলাকায় মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে প্রকাশ্যে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া দেয় মাইনুল বাহিনী। এতে পুরো এলাকায় মারাত্মক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, মাইনুলের অত্যাচারে নদীর ওপারের সাধারণ মানুষ সবসময় তটস্থ থাকেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে করা মামলায় বিজ্ঞ আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। তবুও প্রকাশ্যে এমন অস্ত্র মহড়া ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় বাসি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এলাকাবাসী অভিযোগ অতি দ্রুত এই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বিএনপির সংঘর্ষে ৮ জন আহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরীর পায়ে বিদ্ধ হলো গুলি সদৃশ বস্তু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৫ এম


উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা কিশোরীর পায়ে বিদ্ধ হলো গুলি সদৃশ বস্তু

খুলনা মহানগরীতে চলতি মাসে আবারও গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক ঘটনা সামনে এসেছে। নগরীর হরিণটানা থানার বয়রা আন্ধিরঘাট এলাকায় বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ফাতেমা আক্তার (১৭) নামের এক কিশোরী এই গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে এই গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার ক্ষেত্রে বিদ্ধ করা বস্তুটির প্রকৃত পরিচয় এখনো নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না, এটি কি আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি না কি অন্য কিছু।

প্রাথমিকভাবে এক্স-রে ফিল্ম পর্যবেক্ষণ করে পুলিশের ধারণা, এটি একটি এয়ারগানের গুলি হতে পারে। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও এখনো কোনো চূড়ান্ত মতামত পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। গুলিবিদ্ধ ফাতেমাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফাতেমা আক্তার জানিয়েছেন, খালার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি যখন বাড়ি থেকে বের হয়ে উঠানের মাঝামাঝি পৌঁছান, তখন হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শুনতে পান। ওই শব্দ শুনে তিনি ঘুরে দাঁড়ানোর সাথেসাথে ডান পায়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। নিচে তাকিয়ে দেখেন, তার পা থেকে রক্ত বের হচ্ছে।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার ডান পায়ে গুলি সদৃশ একটি ধাতব বস্তু বিদ্ধ রয়েছে। চিকিৎসকরা সেটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই বস্তুটি উদ্ধার করে পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি গুলি কি না।

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এক্স-রে পর্যবেক্ষণে এটি এয়ারগানের গুলি বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে এ পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

এদিকে, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ২৫ দিনেই খুলনা মহানগরীতে এটি তৃতীয় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটলো। এর আগে ১৪ জুলাই দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নগরীর সদর থানার শান্তিধাম মোড়ে দুর্বৃত্তরা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

৩ জুলাই নগরীর নতুন বাজার বেড়িবাঁধ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন এক স্কুলছাত্রী। আর ২ জুলাই লবণচরা থানার আশীবিঘা বালুর মাঠ এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন রাতুল শেখ (২২) নামের এক তরুণ।

টানা গুলির এসব ঘটনার কারণে নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে চলেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্নও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অল্প সময়ের মধ্যে একই মহানগরীতে একের পর এক গুলির ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

অপরদিকে, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এজন্য তিনি জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের যেকোনো কর্মসূচির সঙ্গে বিএনপির একাত্মতা থাকবে।

তিনি নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ফ্যাসিবাদের দোসরদের ইন্ধনে খুলনায় অপরাধ প্রবণতা দিনদিন বেড়ে চলেছে। এজন্য তিনি সচেতন সাংবাদিক এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় নগর বিএনপি কার্যালয়ে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা (এমইউজে) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসিবির শিক্ষা উৎসবের শেষ দিনে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২২ এম


আইসিসিবির শিক্ষা উৎসবের শেষ দিনে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষা উৎসবের শেষ দিনে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, স্কলারশিপ, ভর্তি প্রক্রিয়া, ভাষা পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং ভিসা-সংক্রান্ত তথ্য জানতে আগ্রহীরা বিভিন্ন স্টলে ভিড় করেন। গতকাল আইসিসিবির গুলনকশা হলে গিয়ে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে এক স্টল থেকে আরেক স্টলে ঘুরছেন। কেউ স্কলারশিপের সুযোগ খুঁজছেন, আবার কেউ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শর্ত, টিউশন ফি ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করছেন। অনেকেই একাধিক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া তিন দিনের এই শিক্ষা উৎসবে প্রথম দিন থেকেই ছিল ব্যাপক সাড়া। আয়োজকদের তথ্যমতে, শেষ দিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন। এবারের আয়োজনে ৪৫টিরও বেশি দেশের আড়াই হাজারের বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে দেশি-বিদেশি ৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা পরামর্শক সংস্থা অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় স্কলারশিপ, ভর্তি প্রক্রিয়া, ভাষা পরীক্ষার প্রস্তুতি, ভিসা গাইডলাইন এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক সেমিনার ও বিশেষজ্ঞদের আলোচনা। পরিবেশ সচেতনতার অংশ হিসেবে এবারও ছিল ‘লক্ষ্য এক কোটি বৃক্ষ’ কর্মসূচি। আয়োজক প্রতিষ্ঠান ফেয়ার কনভেইনার ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ গালিব বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ প্রতিবছরই বাড়ছে। সেই আগ্রহকে সঠিক তথ্য ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শের মাধ্যমে সহায়তা করাই আমাদের লক্ষ্য। একই ছাদের নিচে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও আরও বড় পরিসরে এ আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

এদিকে মেলা উপলক্ষে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পুরো প্রসেসিংয়ে মোট খরচ থেকে ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে নলেজ হাব। শুধু মেলা উপলক্ষেই তাদের এই ছাড়। নলেজ হাবের প্রতিনিধি আরিফ সৈয়দ বলেন, আমাদের স্টলে অনেক শিক্ষার্থীই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শর্ত, স্কলারশিপ এবং সম্ভাব্য খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন। বিশেষ করে কানাডা ও ইউরোপে উচ্চশিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। মালয়েশিয়ার সেজি ইউনিভার্সিটির এক প্রতিনিধি বলেন, এখন শিক্ষার্থীরা শুধু ভর্তি হওয়ার বিষয়টি নয়, বরং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার, গবেষণার সুযোগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও বিবেচনায় রাখছেন। তিন দিনে আমাদের স্টল থেকে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পরামর্শ নিয়েছেন। অ্যাডমিশন টু কানেক্ট এডুকেশন কর্মকর্তা সোহেল আহমেদ বলেন, শেষ দিন দুপুর পর্যন্ত ৪০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আমাদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত পরামর্শ নিয়েছেন। অধিকাংশ শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা এবং আইইএলটিএস প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহ দেখিয়েছেন।

মেলায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, এক জায়গায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাওয়ায় তথ্য সংগ্রহ ও সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ হয়েছে। এতে সময় যেমন সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি নির্ভরযোগ্য তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তানভীর হাসান বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করছি। এখানে এসে একই জায়গায় বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। স্কলারশিপ, টিউশন ফি, ভর্তি প্রক্রিয়া ও ভিসা নিয়ে অনেক তথ্য জানতে পেরেছি। এতে কোন দেশে আবেদন করব, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মেহজাবীন রহমান বলেন, অনলাইনে অনেক তথ্য পাওয়া যায় কিন্তু এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে সরাসরি তথ্য নেওয়ার সুযোগটা অনেক বেশি কার্যকর। বিশেষ করে স্কলারশিপ, ভাষা পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে যে পরামর্শ পেয়েছি, তা আমার জন্য খুবই সহায়ক হবে। এবারের শিক্ষা উৎসবে সরাসরি অংশ নিয়েছিল মালয়েশিয়ার সেজি ইউনিভার্সিটি এবং মরিশাসে অবস্থিত ভেলোর ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (ভিআইটি) মরিশাস ক্যাম্পাস। এ ছাড়া দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঢাকা আইইএলটিএস সেন্টার, নলেজ হাব, ড্রিম স্টাডি ইন্টারন্যাশনাল, এইচ অ্যান্ড এইচ গ্লোবাল এডুকেশন, এডু মেন্টর, ব্রাইট ফিউচার বাই স্যাম, স্টাডি উইন্ডো ইন্টারন্যাশনাল, অ্যাডমিশন কানেক্ট, টপটিয়ার এডুকেশন কনসালট্যান্ট, এইমস এডুকেশন, মাস্টারমাইন্ড ডিজিটাল, এমআইই ইংলিশ একাডেমি, এমআইই পাথওয়েজ, রাশিয়ান সেন্টার ফর এডুকেশন, স্টিকার ভিসা, এডুকোয়েস্ট, এডুকেয়ার এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন বাংলাদেশ এবং মাস্টার স্যাব অংশ নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাঙরের মুখ থেকে ফিরে আসার ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় বদলে গেল জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩১ এম


হাঙরের মুখ থেকে ফিরে আসার ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় বদলে গেল জীবন

ফিজি দ্বীপপুঞ্জের নীল জলে তখন সূর্যের আলো হালকা করে পড়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রশংসিত ফিশিং ইনফ্লুয়েন্সার হেনরি গিবস তখন ডাইভিংয়ের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিতে পানিতে নেমেছিলেন। কিন্তু কে জানত, সেই আনন্দঘন মুহূর্তে কিছুক্ষণের মধ্যে এক ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে! গভীর পানিতে ডুব দেওয়ার সময় হঠাৎ এক সামুদ্রিক শিকারীর মুখোমুখি হন তিনি।

বিকট এক আক্রমণ ঘটে পূর্বাভাস ছাড়াই। একটি হাঙর অতর্কিতে এসে আক্রমণ করে বসে হেনরির ওপর। যখন পানির নিচে চরম একটি মুহূর্তে জীবন-মৃত্যুর লড়াই চলছে, তখন তার দুই সঙ্গী বিশেষভাবে সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তারা মুহূর্তের বিলম্ব না করে হেনরিকে পানির ওপরে নিয়ে আসেন এবং দ্রুততার সাথে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালের বিছানায় শুরু হয় নতুন এক লড়াই। ডান পায়ে গুরুতর আঘাত নিয়ে তাকে একের পর এক কঠিন ট্রমা সহ্য করতে হয়। চিকিৎসকরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। তারপরে একে একে চারটি সফল সার্জারি এবং ডান পায়ে স্কিন গ্রাফট সম্পন্ন হওয়ার পর একসময় আশার আলো দেখতে পান হেনরি।

দীর্ঘ দুই সপ্তাহ পর অবশেষে হেনরি হাসপাতালের বিছানা থেকে ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে কয়েকটি ছবি শেয়ার করে তার অবস্থার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে এবং চিকিৎসকদের মতে, তিনি শিগগিরই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন। এই কঠিন সময়ে পাশে থাকা ফিজি এবং নিউজিল্যান্ডের শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

যদিও এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তার ওপর ভীষণ চাপ ফেলেছে, তবুও হেনরির মনে হাঙরের প্রতি বিন্দুমাত্র ক্ষোভ বা রাগ নেই। তিনি মনে করেন, তিনি নিজেই হাঙরের আবাসস্থলে প্রবেশ করেছিলেন এবং মূলত তাদের শিকারের এলাকায় গিয়ে পড়েছিলেন। এটিকে তিনি নিজের ভাষায় এমন একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা ভুল সময়ে ভুল জায়গায় উপস্থিত থাকার ফলে ঘটেছে।

হেনরি ঘটনা সম্পূর্ণভাবে নথিবদ্ধ করেছে এবং দ্রুত তার অনুসারীদের সঙ্গে শেয়ার করার পরিকল্পনা করছেন। তার উদ্দেশ্য হলো, অন্যরা যেন এই ধরনের বিপদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে এবং এমন পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে একটি পরিষ্কার ধারণা পেতে সক্ষম হয়।

জীবন ও মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে আসার পর হেনরির দৃষ্টিভঙ্গিতে এক গভীর পরিবর্তন এসেছে। তিনি এখন নিজের বেঁচে থাকাকে পরম সৌভাগ্য এবং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের প্রতি তার কৃতজ্ঞতার অনুভূতি বহুগুণ বেড়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে আমলাদের নজর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪০ এম


প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে আমলাদের নজর

নিয়মিত চাকরির বাইরে থেকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও জনপ্রশাসন সচিবের মেয়াদ আগামী মাসে শেষ হতে যাচ্ছে। এই দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে প্রশাসনের আমলাদের মধ্যে আগ্রহ ও নজর রয়েছে। পরবর্তী মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও জনপ্রশাসন সচিব কে হবেন, তা নিয়ে প্রশাসনের ভিতরে ও বাহিরে নানা কানাঘোষা চলছে। বিশেষভাবে নতুন করে কাউকে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে কি না, অথবা নিয়মিত ব্যাচ থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় কাজ চলছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব পদে পরিবর্তন আনার বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে বলে অভিযোগ করেছে একাধিক সূত্র, যারা সরকারের ঘনিষ্ঠ। সচিবদের যে চাকরির মেয়াদ বা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে, তাদের স্থলাভিষিক্ত নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে ভিতরে ভিতরে। এছাড়া, আগস্ট মাসে কিছু সচিব অবসরে যাবেন বলেও জানা গেছে। ফলে, কিছু মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরে সচিব পর্যায়ে পরিবর্তন আসবে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, 'পদোন্নতি বদলি সরকারের নিয়মিত কার্যক্রম। সরকার কাউকে চুক্তি নিয়োগ দেবেই এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে অনেক সময় অভিজ্ঞতা দক্ষতার কারণে এমন নিয়োগ দিতে হয়। সরকার চাইলে চুক্তিও আসতে পারে, নতুন কেউ আসতে পারে। আমাদের সরকার মেধার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।' জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যাচ্ছে, সরকার প্রশাসনের বর্তমান কাঠামোকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে চায়। এ ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার গঠনের পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও, অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসন নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ছন্দ হারিয়ে ফেলছে। অনেক সচিব সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না, এবং অনেক ক্ষেত্রে জুনিয়রদের সঙ্গে সমন্বয় হচ্ছে না।

সেজন্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কাজের ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ হাতের মাধ্যমে সামলাতে পারছেন এমন ব্যক্তিদের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। কর্মদক্ষ ও গ্রহণযোগ্য কর্মকর্তাদের পরবর্তীতে আরও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারের সহযোগিতায় প্রশাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে সবসময়ই নেতৃত্বে থাকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সচিবালয়ে গত কয়েক দিন ধরে অভ্যন্তরীণ আলোচনা ও বিভিন্ন ব্যাচের মধ্যে চলমান আলোচনা হচ্ছে, কে হচ্ছেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদস্থ, তথা ১ নম্বর সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে চিহ্নিত করা হয়। তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধান এবং দেশের সকল সিভিল সার্ভিসের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। আর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে প্রশাসনের প্রাণ বা প্রধান চালিকাশক্তি বলা হয়, যিনি পুরো সরকারি প্রশাসনের নীতিনির্ধারণ ও পদায়ন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তবে, নিয়মিত ব্যাচের কর্মকর্তারা এবারে চান যে চুক্তিতে কারও নিয়োগ না দেওয়া হয়। নিয়মিতদের পদোন্নতি বা রদবদল হলে তার সুফল প্রশাসনের কর্মকাণ্ডে দ্রুততা আনবে।

সরকার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যাচ্ছে, সরকারও আগামীতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে চাচ্ছে না। যারা অবসরে চলে গেছেন, তাদের সঙ্গে বর্তমান প্রজন্মের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেক গ্যাপ থাকায় সমন্বয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে। চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়ার জন্য সরকার ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী এক কর্মকর্তা ও এক মন্ত্রিপরিষদ সদস্যের কাছে প্রচুর মানুষ নিয়মিত ভিড় করছেন। বর্তমানে দেশে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট ৮৬ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। তিনজন ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। এ নিয়ে মোট ৮৯ জনকে নিয়ে আলোচনা চললেও, তাদের মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কোনো দপ্তরের দায়িত্বে নেই। ১০ জনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।

এদিকে, নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও জনপ্রশাসন সচিব হওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে সিনিয়র সচিব হিসেবে যোগ দেন বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর, বিএনপি সরকারের গঠনের আগে ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দেশের ২৬তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পান।

জনপ্রশাসন সচিব অতিমাত্রায় কানকথা শোনেন। আবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে না আসার কারণে প্রশাসন স্থবির হয়ে যায়। সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তি ফাইল অনুমোদনের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এসব কারণে নতুন সরকারের পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও প্রশাসনে দৃশ্যমান গতি আনতে পারেনি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সচিব বলেছেন, নতুন সরকারকে সহযোগিতা এবং প্রশাসনকে চাঙা রাখতে হলে এমন অফিসার জনপ্রশাসনে দিতে হবে যিনি অধিকাংশ জুনিয়র ও সিনিয়র কর্মকর্তাকে চিনেন এবং ত্বরিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%