ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতিকে বিভাজনে রেখে একাত্তরের চেতনার ব্যবসা হচ্ছে: শিবির সভাপতি


জাতিকে বিভাজনে রেখে একাত্তরের চেতনার ব্যবসা হচ্ছে: শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম মন্তব্য করেছেন যে, একাত্তরের চেতনা আমাদের সবসময় শেখানো হয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই চেতনার ব্যবসা করে জাতির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা হয়েছে। জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে না দিয়ে, পেছন থেকে টেনে ধরার জন্য তারা কাজ করছে।

তিনি প্রশ্ন করেন, "অন্য কোনো জাতিকে কি এমন যুদ্ধ-বিগ্রহ সহ্য করতে হয়নি? ১৯৪৫ সালে কি জার্মানির অবস্থা এমন ছিল না? সোভিয়েত ইউনিয়ন কি ভেঙে খান খান হয়ে যায়নি?" তিনি আরও বলেন, "তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ফলে তারা এখন বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ করছে। কারণ তারা জাতিকে বিভক্ত করেনি।"

রোববার চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে একাদশ ও স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসির দাবি, বিএনপির অফিস বন্ধ হয়নি

সাদ্দাম আরও জানান, "আমি এদেশে জন্মগ্রহণ করেছি, এদেশের আলো-বাতাসে বেড়ে উঠেছি। আমাকে বলা হয়, নব্বইয়ে পরে জন্মগ্রহণ করলেও তুমি রাজাকার, তুমি আলবদর, আল-শামস, তুমি গুপ্ত।" তিনি বলেন, "অথচ এদেশে জন্ম আমার, আমি ট্যাক্স দেই, আমি এই দেশকে নিয়ে ভাবি, জাতিকে নিয়ে ভাবি, আমি দুর্নীতি করি না, আমি চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করি না।" তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধের সময় জন্ম না হলেও, তাকে চেতনায় রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক ফায়ার ম্যারাথন-১০২’র রেজিস্ট্রেশন শুরু, ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ পি.এম


আন্তর্জাতিক ফায়ার ম্যারাথন-১০২’র রেজিস্ট্রেশন শুরু, ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে

ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক ফায়ার ম্যারাথন-১০২’র রেজিস্ট্রেশন শুরু হতে যাচ্ছে। ‘রান এন্ড রেইজ ফর হিউমিনিটি রিকল- ‘১০২’ Run & Rise for Humanity, Recall 102’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এই ম্যারাথনের আয়োজন করছে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ‘১০২’-কে পরিচিত করার পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২৮ নভেম্বর ২১.১ কিলোমিটার, ১০ কিলোমিটার, ৫ কিলোমিটার এবং শিশুদের জন্য ১.০২ কিলোমিটার এই ৪টি ক্যাটাগরিতে উন্মুক্ত ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে।

এই ক্যাটাগরির জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি যথাক্রমে ৯০২, ৮০২, ৭০২ ও ৫০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য https://firemarathon102.org এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

৫ অক্টোবর বেলা ১২টা থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হবে। ম্যারাথনে মোট ৫ হাজার ১০২ জন অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

ম্যারাথনটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস ট্রেনিং গ্রাউন্ড, পূর্বাচল, নারায়ণগঞ্জ-এর সামনে ৩০০ ফিট এক্সপ্রেস ওয়ে-তে শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনের গহীনে ১৪ মোবাইল ফোন উদ্ধার, ঘটনা রহস্যময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ পি.এম


সুন্দরবনের গহীনে ১৪ মোবাইল ফোন উদ্ধার, ঘটনা রহস্যময়

পূর্ব সুন্দরবনের নীলবাড়িয়া বনাঞ্চলে রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বন্দরক্ষীরা অভিযান পরিচালনা করে ১৪টি মোবাইল ফোন সেটসহ বনদুস্যদের ফেলে যাওয়া বিভিন্ন রসদ সামগ্রী জব্দ করেছে। এ সময় বনদস্যুদের তৈরি একটি মাচা (টং) ধ্বংস করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা রোববার দুপুরে সুন্দরবনের নীলবাড়িয়ায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় বনরক্ষীরা গাছের ডালপালা দিয়ে তৈরি একটি মাচা (টং) দেখতে পান। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাচায় থাকা লোকজন সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যায়। পরে মাচায় তল্লাশি চালিয়ে সিমকার্ডবিহীন ১৪টি মোবাইল ফোন সেট জব্দ করা হয়। এছাড়াও মাচায় চাল, ডাল, তৈল, পেঁয়াজ, রসুন, লবণসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রও জব্দ করেন বনরক্ষীরা। তবে, বনরক্ষীরা ঘটনাস্থলের আশেপাশে সুন্দরবনের মধ্যে কাউকে খুঁজে পাননি।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, শেলারচর টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীরা রোববার দুপুরে নীলবাড়িয়া বনাঞ্চলে একটি মাচা (টং) ভেঙে ১৪টি মোবাইল ফোন সেটসহ অন্যান্য মালামাল জব্দ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো অজ্ঞাত পরিচয় বনদস্যুদের। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা সুন্দরবনের মধ্যে পালিয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেপ্টেম্বরে সিলেটের সড়কে ঝরল ২৬ প্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০০ এম


সেপ্টেম্বরে সিলেটের সড়কে ঝরল ২৬ প্রাণ

সেপ্টেম্বর মাসে সিলেট বিভাগের চারটি জেলায় ২৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনাগুলোর ফলে আহত হয়েছেন আরো ৫১ জন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে সেপ্টেম্বর মাসের সড়ক দুর্ঘটনার এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেট জেলায় আটটি সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। সুনামগঞ্জে চারটি দুর্ঘটনায় দুজন নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছেন, মৌলভীবাজারে নয়টি দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত ও আটজন আহত এবং হবিগঞ্জে পাঁচটি দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন।

চার জেলার মধ্যে মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। সুনামগঞ্জে সবচেয়ে কম নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে যাওয়ার ঘটনায় আটটি দুর্ঘটনায় ছয়জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে আটটি দুর্ঘটনায় নয়জন এবং গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কায় একটি দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন।

নিসচার প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অনুমোদনহীন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন মহাসড়কে চলাচল, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, পথচারীদের অসচেতনতা এবং সড়ক নির্মাণে ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্যসচিব ও সিলেট জেলা সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিশু জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইন সংবাদপত্র, দুটি জাতীয় দৈনিকের তথ্য, অনুমেয় অনুজ্জ বা অপ্রকাশিত ঘটনা এবং নিসচার সিলেট বিভাগের বিভিন্ন শাখার তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

তবে আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি দুটোই কমেছে। আগস্টে সিলেট বিভাগে ৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত ও ১২২ জন আহত হয়েছিল। সে হিসাবে সেপ্টেম্বরে দুর্ঘটনা কমেছে নয়টি, নিহতের সংখ্যা ২১ জন এবং আহতের সংখ্যা ৭১ জন কমেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০০ এম


চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি

চলমান ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৮ দশমিক ৭৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পৌঁছেছে। ১ জুলাই থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠানো হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের রেমিট্যান্স ৭ দশমিক ৬৪৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় এটি ১৫ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২০৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৫৭ মিলিয়ন ডলার।

চলতি অর্থবছরের প্রথম কয়েক মাসে বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে রেমিট্যান্সের উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ৩৬ হাজার ১৪৫ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন বা প্রায় ৩৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে।

এর আগে, ২০ সেপ্টেম্বর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৬ হাজার ৩০৮ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। সেসময় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৪৫২ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের প্রথম ২০ দিনে দেশে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর— এই ৩ দিনে প্রবাসীরা ১৩ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনে দেশে ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%