১২:৩৮ পি.এম
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝিকরহাটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
এ সংঘর্ষের সময় শতাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয় এবং অন্তত ১২টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এটি সোমবার সকালে ঘটে।
আরও পড়ুন: বরিশালে অপরাধ প্রতিরোধে অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপারদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ঝিকরহাটি গ্রামের বন্দে আলী মোল্লার ছেলে নুরুজ্জামান মোল্লা (৩৫), মোতালেব ফকিরের ছেলে মাসুদ ফকির (৩৫), আব্দুল মজিদ খানের ছেলে হানিফ খান (৪৫), এবং সিদ্দিক হাওলাদারের ছেলে কামরুল হাওলাদার (২৫)।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিকরহাটি গ্রামের পলাশ খান পক্ষের সঙ্গে কবির মোল্লা ও রিপন খান পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এর ফলস্বরূপ সোমবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে শতাধিক ককটেলের বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
একই সঙ্গে ১২টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক কপিল মন্ডলের মৃত্যু
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ সময় দুর্বৃত্তরা পুলিশের দুটি গাড়িতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনও আটক করা সম্ভব হয়নি।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিহা রফিক ভাবনা বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”
আরও পড়ুন: ঢাকায় গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে নিহত জামশেদের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা সহায়তা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন