১০:০২ এম
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে সবচেয়ে বড় আলোচনায় ম্যাথেউস কুনহা ছিলেন।
দুইটি গোল করে তিনি স্কোরলাইনকে পরিবর্তন করা ছাড়াও আক্রমণভাগে নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছেন।
বক্সের ভেতরে তার পজিশনিং, দ্রুত ফিনিশিং এবং সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ব্রাজিলকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়।
আরও পড়ুন: পতেঙ্গায় শিশু সোহাগ হত্যা: ইমাম হোসেনের মৃত্যুদণ্ড
এই পারফরম্যান্সের পর প্রশ্ন উঠছে, তিনি কি ব্রাজিলের নতুন নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠছেন কিনা।
নেইমারের অনুপস্থিতিতে এমন একজন ফরোয়ার্ডের প্রয়োজন, যিনি সুযোগকে গোল বানাতে সক্ষম; আর কুনহা সেই জায়গাটা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
অন্যদিকে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আবারও প্রমাণ করেছে কেন তিনি বর্তমান ব্রাজিল আক্রমণের অন্যতম প্রধান শক্তি।
গোল, অ্যাসিস্ট, ড্রিবলিং এবং ডিফেন্ডারদের টেনে বের করার ক্ষমতা তাকে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ভাঙতে আরও বেশি সক্ষম করেছে।
আরও পড়ুন: আ.লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি
বড় ম্যাচে চাপ সামলে কার্যকরী অবস্থায় থাকার সক্ষমতা তার সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠছে।
নেইমার না থাকায়, ব্রাজিলের আক্রমণ এখন আর একক কোনো প্লে মেকারের উপর নির্ভরশীল নয়।
বরং, ভিনিসিয়ুস, কুনহা এবং অন্যান্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের সমন্বয়ের ফলে একটি বেশি ফ্লুইড এবং গতিময় কাঠামো গড়ে উঠছে।
যদিও মাঝে মাঝে ধারাবাহিকতা নেই, কিন্তু আক্রমণের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রথমার্ধে গোল না পাওয়ার আক্ষেপ বাংলাদেশের
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন ব্রাজিল এখনও পুরোপুরি সেট হয়নি, তবে সম্ভাবনা স্পষ্ট।
যদি কুনহার মতো স্ট্রাইকার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারে এবং ভিনিসিয়ুস এই ফর্ম ধরে রাখতে সক্ষম হয়, তাহলে সেলেসাওরা আক্রমণে ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।
তবে বড় দলের বিপক্ষে এই নতুন কম্বিনেশন কতটা কার্যকর হবে তাও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
কারণ নেইমারের মতো অভিজ্ঞ ম্যাচ নিয়ন্ত্রণকারী না থাকায় চাপের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় কিছু অনিশ্চয়তা এখনও আছে।
আরও পড়ুন: সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর পিতা নেওয়াজ আলী সর্দারের ইন্তেকাল
সব মিলিয়ে, ব্রাজিল এখন এক ধরনের ট্রানজিশন ফেজে রয়েছে।
পুরোনো নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে, নতুন আক্রমণভাগ গড়ার পথে এগোচ্ছে দলটি, এবং এই পথে প্রথম ইঙ্গিত কুনহা ও ভিনিসিয়ুসের পারফরম্যান্সে দেখা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন