ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চিনা স্যাটেলাইটে ধরা পড়লো ইরান ঘিরে ৩ মার্কিন রণতরী


চিনা স্যাটেলাইটে ধরা পড়লো ইরান ঘিরে ৩ মার্কিন রণতরী

চীন সাগরে চিনা স্যাটেলাইটের নজরদারির আওতায় মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত চিনা স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ (CVN-71) বিমানবাহী রণতরী দক্ষিণ চীন সাগর অতিক্রম করছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় যৌথ সামরিক মহড়া শেষে রণতরীটি ইরান উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিকল্পনা অনুসারে চলতি নভেম্বরের শেষের দিকে ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ওবায়দুল্লাহ জলসীমা অতিক্রম করে আরব সাগরে পৌঁছাতে পারে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, রুজভেল্ট কি পূর্বে সেখানে মোতায়েন থাকা ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’কে দায়িত্ব হস্তান্তর করে ফিরে আসবে, নাকি ইতোমধ্যে অবস্থানরত ‘ইউএসএস জর্জ এইচ.ডব্লিউ বুশ’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনটি মার্কিন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার একযোগে ইরানি সীমান্তে শক্তিপ্রদর্শন শুরু করবে?

স্যাটেলাইট ও বিমান চলাচলের তথ্য

আরও পড়ুন: ইউরোপজুড়ে আবারও উড়োজাহাজে বোমা হামলার হুমকি, নেপথ্যে ই-মেইল

৪ নভেম্বর ‘মিজারভিশন’ নামের চিনা একটি বাণিজ্যিক মহাকাশ সংস্থার স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, ইন্দোনেশিয়ার নাটুনা দ্বীপপুঞ্জের উত্তরে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট এবং এর সহযোগী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস চোসিন’-এর অবস্থান। তবে ছবিগুলোর বিভ্রান্তি এবং মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তার গোপনীয়তার কারণে যুদ্ধজাহাজ বহরের সব তথ্য জনসমক্ষে আসেনি।

এছাড়া, এমএইচ-৬০এস সি হক এবং সিএমভি-২২বি অসপ্রে যুদ্ধবিমানের গতিপথ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বহরটি মালাক্কা প্রণালীর দিকে দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে।

কেন ৩টি রণতরীর উপস্থিতি এত গুরুত্বপূর্ণ?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিশাল বিমানবাহী রণতরী যদি একই সঙ্গে আরব সাগরে অবস্থান নেয়, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ভারসাম্যের পরিবর্তন আনবে। এর মূল কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:

আরও পড়ুন: মদিনায় হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের

ইরানের ওপর নজরদারি ও প্রতিরোধ: হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের সুরক্ষার অজুহাতে ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা প্রতিহত করতে বিপুল পরিমাণ ফাইটার জেট এবং নজরদারি এভিয়েশন মোতায়েনের সুযোগ তৈরি হবে।

আম্ফিবিয়াস ফোর্সের সমন্বয়: মার্কিন ৯,০০০ থেকে ১০,০০০ সৈন্য এবং '১৩তম মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিট' বহরে থাকায় যেকোনো সামুদ্রিক সংকটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার পথ উন্মুক্ত হবে।

কূটনৈতিক চুক্তি ও হুমকি: যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কৌশলগত ও বাণিজ্যিক আলোচনার মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন নেতৃত্বের সরাসরি সামরিক ব্যবস্থার যে হুমকি ছিল, এই তিনটি ক্যারিয়ারের উপস্থিতি সেই কৌশলগত চাপকে বাড়িয়ে দেবে।

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সঙ্গে মার্কিন সমীকরণ

আরও পড়ুন: নবনির্বাচিত সেনেটর এল-সায়েদ মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত চান

যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের বড় নৌ-বহর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরাচ্ছে, ঠিক তখনই প্রশান্ত মহাসাগরে চিনা নৌবাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনা বিমানবাহী রণতরী 'লিয়াওনিং' ইতিমধ্যেই ফিলিপাইন ও জাপানের পার্শ্ববর্তী জলসীমায় টহল দিচ্ছে এবং তাদের নতুন বিমানবাহী জাহাজ 'ফুজিয়ান' ও 'শানডং' সাগরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আমেরিকার পক্ষে মধ্যপ্রাচ্যে একটি অতিরিক্ত বিমানবাহী রণতরী দীর্ঘমেয়াদে রাখা মানে প্রশান্ত মহাসাগরে চিনের মুখোমুখি হওয়ার সক্ষমতা সাময়িকভাবে কমে যাওয়া।

কৌশলগত ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ

যদিও ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট একটি পারমাণবিক চালিত বিমানবাহী রণতরী, তবে এর সাথে থাকা প্রচলিত শক্তির চালিত রণতরীসমূহ এবং হাজার হাজার সৈন্যের জন্য রসদ সরবরাহের চ্যালেঞ্জ থেকেই যায়। সম্প্রতি এটি চিনের নজর এড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানি সরবরাহকারী জাহাজ 'এইচএমএএস স্টালওয়ার্ট'-এর মাধ্যমে মধ্য-সমুদ্রে রিফুয়েলিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

আরও পড়ুন: ককরোচ পার্টির নতুন বিক্ষোভের ডাক ৭ নভেম্বর কোচিতে

শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি রণতরী দীর্ঘমেয়াদে মোতায়েন থাকবে, নাকি নতুনটি এসে পুরনো রণতরীকে জাপানের প্রধান ঘাঁটিতে ফেরত পাঠাবে—তা আগামী কয়েক সপ্তাহের আন্তর্জাতিক সামরিক বিন্যাসের ওপর নির্ভর করছে। তবে সার্বিকভাবে, মার্কিন এই নতুন শক্তিপ্রদর্শন হরমুজ প্রণালী ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কামরুজ্জামান জুয়েলের উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক: সাকিব আহমেদ ঢাকা

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


কামরুজ্জামান জুয়েলের উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করেছেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল (

আগামী ৬ নভেম্বর ২০২৬, শুক্রবার এ চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পে সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নেওয়া এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ ও অসহায় মানুষের মাঝে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুষ্টি ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে বাকৃবি-নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের সমঝোতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


পুষ্টি ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে বাকৃবি-নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের সমঝোতা
 
বাকৃবি ও নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
 
 
পুষ্টি ও গবেষণাসহ পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল।
 
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সচিবালয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কানাডার সহযোগিতায় আয়োজিত এ উদ্যোগের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. জি. এইচ. এম. সাগরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক (অব.) ড. মো. বোরহান উদ্দিন, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. নাজমুল হক, ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এ. কে. এম. মুছা, জাতীয় প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাসুদ আলম খান এবং প্রোগ্রাম অফিসার আকিব আবরারসহ কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
 
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, “এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। আমি এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এবং নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সহযোগিতার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সংস্কার ও আধুনিকায়নের ঘোষণা বিসিবি পরিচালকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সংস্কার ও আধুনিকায়নের ঘোষণা বিসিবি পরিচালকের

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ, সংস্কার ও আধুনিকায়নে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উপযোগী করে আরও আধুনিক, নান্দনিক ও দর্শকবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট ম্যাচকে সামনে রেখে এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে গ্রিন গ্যালারির আধুনিকায়ন, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড সংস্কার, ফ্লাডলাইট ব্যবস্থার উন্নয়ন, খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম সংস্কার, হসপিটালিটি বক্স নির্মাণ ও উন্নয়ন এবং খেলার মাঠের প্রয়োজনীয় সংস্কার। পাশাপাশি স্টেডিয়ামে প্রবেশের সড়ক সংস্কার, প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্যবর্ধন ও আলোকায়নসহ দর্শক, খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী জানুয়ারিতে সিলেটে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের সূচি রয়েছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনকে সামনে রেখে আমরা স্টেডিয়ামকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করতে চাই। এ লক্ষ্যেই উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে স্টেডিয়ামটির সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রয়াত বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উন্নয়ন কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান আরাফাত রহমান কোকো এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বিসিবি পরিচালক বলেন, সিলেটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের উদ্যোগ ও অবদানের ফলে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের অন্যতম ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে তাঁদের বিকাশের সুযোগ তৈরিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ বাড়বে এবং ভবিষ্যতের দক্ষ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম শুধু সিলেটের নয়, এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া স্থাপনা। এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আয়োজন সিলেটের পরিচিতি ও মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চার প্রসারেও ভূমিকা রাখে। তাই আগামী দিনে স্টেডিয়ামে আয়োজিত সব টুর্নামেন্ট ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাঠে এসে উপভোগ করার জন্য তিনি সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিবির সিলেটের কাউন্সিলর আশরাফ আরমান, মৌলভীবাজারের অন্যমৌলভীবাজারের কাউন্সিলর মনোয়ার এম আহমদসহ কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ককে শক্তিশালী, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এফবিসিসিআই এবং রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ-রাশিয়া বিজনেস ডায়ালগ’-এ এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সমঝোতা স্মারকের মূল লক্ষ্য হলো উভয় দেশের ব্যবসায় উদ্যোগ, প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থাগুলোর জন্য একটি অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টি করা। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনার উন্মোচনে পরস্পরের মধ্যে হালনাগাদ তথ্য বিনিময় করা। একই সঙ্গে, দুই দেশের কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণে যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন, বাণিজ্য মেলা, প্রদর্শনী, বিজনেস মিশন ও বিনিয়োগ ফোরাম আয়োজনের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষ একসাথে কাজ করবে।

দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্য্ন্ডা ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল যৌথভাবে এই ডায়ালগের আয়োজন করে। এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

স্বাগত বক্তব্যে এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার জন্য বাণিজ্য সম্প্রসারণের অসাধারণ সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বড় কোনো বাধা নেই বললেই চলে, তবে ছোট-খাটো যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে যৌথভাবে দূরীকরণের উদ্যোগ নিতে হবে।

রাশিয়ান প্রতিনিধিদলের প্রধান ইলিয়া শেস্তাকভ অনুষ্ঠানে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য পরিমাণের দিক থেকে বাংলাদেশ রাশিয়ার অন্যতম শীর্ষ অংশীদার। তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়া বাংলাদেশে কৃষি পণ্য, খাদ্য ও সারের সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ই-গভর্নেন্সে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তবে এই বাণিজ্য সম্ভনা কাজে লাগাতে একটি টেকসই দ্বিপক্ষীয় পেমেন্ট অবকাঠামো গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের চাহিদা পূরণ, রেগুলেটরি পদ্ধতি সহজীকরণ, লজিস্টিকস এবং বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করা অত্যন্ত জরুরি। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মিয়া সাত্তার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইমাম আবু সাঈদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের জয়েন্ট সেক্রেটারি আয়নুর আক্তার পান্না, এমসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট কামরান টি. রহমান, এফবিসিসিআই’র সাবেক সহ-সভাপতি মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ, বারভিডার প্রেসিডেন্ট আব্দুল হক, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আবুল হোসেন, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট হাসেন আলী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এ. কে. এম হাবিবুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, এফবিসিসিআই’র সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%