১০:৪৭ পি.এম
ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং তাদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাত্রার পথ সুগম করার লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপকে হারিয়ে সবার আগে সেমিফাইনালে পাকিস্তান
সভায় ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের জন্য গণপরিবহনে ভ্রমণে বিশেষ সুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবিমা ও ঝুঁকি বিমা নিশ্চিত করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
এই ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্রীড়াকে সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা এবং ক্রীড়াবিদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই কার্ডটি সাধারণ পরিচয়পত্রের চেয়ে বেশি হবে, বরং ক্রীড়াবিদদের জন্য রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ইভেন্টে ৩২৫ জন নির্বাচিত জাতীয় ক্রীড়াবিদকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে, যার মধ্যে ৩০০ জন নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন। এই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ক্রীড়াবিদদের ভবিষ্যৎ সুসংগঠিত করতে এবং রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন: ঢাকা ইউনাইটেড প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত
এই কার্যক্রমের কার্যকারিতা ও ফলপ্রসূতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, ডিএমটিসিএল এবং বিমা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ক্রীড়া কার্ডধারীদের জন্য দেশের সরকারি ও বেসরকারি গণপরিবহনে ছাড়যুক্ত ভাড়ায় যাতায়াতের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়াকালীন দুর্ঘটনা, উন্নত চিকিৎসা ব্যয় ও সার্বিক জীবনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তাদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবিমা ও ঝুঁকি বিমা সুবিধার আওতায় আনার জন্য কাজ চলছে, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি বিমা প্রতিষ্ঠানসমূহ অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, বিআইডব্লিউটিএ-এর সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ডিএমটিসিএল-এর পরিচালক মো. আমিনুর রহমান, জীবন বিমা কর্পোরেশনের জিএম আবু নাইম মো. মারুফ খান, বাংলাদেশ নৌপরিবহন মালিক সমিতির মহাপরিচালক ছিদ্দকুর রহমান পাটোয়ারীসহ পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: মেসির বিদায়-পরবর্তী যুগ: কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে আর্জেন্টিনা?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন