০৯:২৩ এম
রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনজুড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। গত মঙ্গলবার ভোর রাতে রাজধানী কিয়েভ ও দনিপ্রোসহ অন্যান্য বিভিন্ন শহরে চালানো এই হামলায়, আহত হয়েছেন ১৩০ জনেরও বেশি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, তাদের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী মস্কো টানা দ্বিতীয় রাতের মতো আবারও বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে। এটি এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে কিয়েভের ওপর রাশিয়ার তৃতীয় বড় হামলা। গত মাসে ইউক্রেনের রুশ-নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলের একটি ছাত্রাবাসে ড্রোন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই রাশিয়া কিয়েভে এই পরিকল্পিত হামলা পরিচালনা করেছে বলে জানা গেছে।
এই হামলার পর প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দেশের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়ার এই বিশাল হামলা ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র বর্তমানে ইউক্রেনের কাছে নেই। তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার ১০০টি ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশবাহিনী। এত বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার মতো প্রয়োজনীয় রসদ ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাছে নেই। পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়ে জেলেনস্কি গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠালেও এখনো কোনো জবাব পাননি।
আরও পড়ুন: হুথিদের সউদী আরবের তেলক্ষেত্র, রিয়াদ বিমানবন্দর ও সেনাক্যাম্পে হামলার দাবি
এদিকে ক্রেমলিন দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের ওপর অমানবিক কর্মকাণ্ড চালানোর পর এই যুদ্ধ নতুন এক রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা মিত্র দেশগুলোকে রাশিয়ার ওপর আরো কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সামরিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন। বর্তমানে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা থমকে রয়েছে, কারণ ওয়াশিংটন এখন ইরানের পরিস্থিতির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। আর এই সুযোগে ইউক্রেনের শহরগুলোতে আকাশপথে হামলা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন