০৩:৩১ পি.এম
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের নেতৃত্বে থাকা জোট সরকার বর্তমানে নতুন রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। শরিক দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সঙ্গে নীতিগত দূরত্ব তৈরি হওয়া, নতুন প্রদেশ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে বিরোধ উঠা, এবং বিরোধী দলগুলোর যৌথ মোর্চা গঠনের তৎপরতা ইত্যাদি কারণে সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
পিপিপি প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বিশেষভাবে সরকারের আইন ও নীতিগত সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন। নতুন প্রদেশ তৈরির প্রস্তাব নিয়ে দুই দলের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি জানিয়েছেন, তাদের দলের অভিযোগগুলির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কোনো আইন পাসের ক্ষেত্রে তার দল সমর্থন দেবে না। ফলে ক্ষমতাসীন জোটের ভেতরে রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কাশ্মীর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিবেশ রাজনৈতিক আবহকে আরো উত্তপ্ত করে তুলছে। নির্বাচনে অনিয়ম ও যোগসাজশের অভিযোগ তুলে পিপিপি জানিয়েছে, তারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ফলাফলগুলোর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানাবে।
আরও পড়ুন: পোল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৬, হামলাকারীর বাড়িতে মিলল ৩ মৃতদেহ
এদিকে, জোট শরিকদের চাপের মুখে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নতুন এক বিপদের নাম। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, কারাগারে ইমরান খানের স্বাস্থ্যের অবস্থার অবনতি ঘটেছে।
বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
এই পরিস্থিতির পর, গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিয়ে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই অনুযায়ী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পিটিআই নেতাকে। তবে চিকিৎসকদের মতামতের পর তাকে ফের জেলে পাঠানো হয়। সামগ্রিকভাবে, গোটা ইস্যুতে শাহবাজের উপর চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে।
আরও পড়ুন: ওমান উপসাগরে জ্বলতে থাকা জাহাজ থেকে ২২ আরব নাগরিককে উদ্ধার করল আমিরাত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন