মুহাম্মদ কাইসার হামিদ কিশোরগঞ্জ
১০:০৩ পি.এম
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ২২ পিস ইয়াবা ও নগদ ৩৮ হাজার টাকাসহ আকলিমা আক্তার (৩২) নামের এক চিহ্নিত নারী মাদক কারবারিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৮ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অর্থাৎ সোমবার (২৯ জুন) রাত দেড়টার দিকে কটিয়াদী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেথইর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আকলিমা পৌরসদরের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. হারুনের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আকলিমা ও তার স্বামী হারুন দীর্ঘদিন ধরে কটিয়াদী এলাকায় মাদক ব্যবসার শক্তিশালী একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, স্বামী হারুন বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে মাদক সরবরাহ করতেন এবং স্ত্রী আকলিমা বাড়িতে বসে খুচরা ও পাইকারি মাদক বিক্রি করতেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে আকলিমার বাড়িতে ঝটিকা অভিযান চালায় কটিয়াদী মডেল থানার পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চতুর হারুন কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, তার স্ত্রী আকলিমাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময়ে তার কাছ থেকে ২২ পিস ইয়াবা ও ৩৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে আমরা বেথইর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে ২২ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ৩৮ হাজার টাকাসহ আকলিমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত নারীর বিরুদ্ধে আগেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা রয়েছে।”
ওসি আরও জানান, আকলিমার বিরুদ্ধে নতুন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পলাতক হারুনকে গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা চলছে। কটিয়াদীকে মাদক সমস্যা থেকে মুক্ত করতে পুলিশের এই মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কন্নড় অভিনেত্রী কৃষি থাপান্ডার বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগরের একটি ফ্ল্যাট থেকে বৈশাখ নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার ফলে দক্ষিণী বিনোদন দুনিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। ইনস্টাগ্রামে তিনি একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করে বলেন, এই ঘটনার কারণে চলতে থাকা গুজব ও মনগড়া কাহিনী বন্ধ করার জন্য তিনি সকলের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করেছেন।
কৃষি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, এমন একটি বেদনাদায়ক পরিস্থিতি নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলা তার কখনো কল্পনাতেও আসেনি। তিনি খুবই অসুস্থ অনুভব করেছেন এবং লেখার মতো মানসিক শক্তি তার ছিল না। তবে ক্রমাগত বাড়তে থাকা গুঞ্জন এবং তার বন্ধু ও পরিবারের প্রতি ধেয়ে আসা নানা প্রশ্নের কারণে, শেষ পর্যন্ত তিনি নীরবতা ভাঙতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি মৃত বৈশাখকে একটি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও যত্নশীল মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জানান, এই ক্ষতি তার জন্য অপূরণীয়। তিনি নিজেই এখন গভীর শোকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, পুলিশের তদন্তের ফলে জানা গেছে, মৃত ব্যবসায়ী বৈশাখ দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তার কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যাও ছিল বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে গত প্রায় এক মাস ধরে তিনি তার স্ত্রীর থেকে আলাদা ছিলেন। তবে ঘটনার স্থান থেকে কোনো সুইসাইড নোট উদ্ধার না হওয়ায়, মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
শোকের এই কঠিন সময়ে গুজব রটানোর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে কৃষি বলেন, যেকোনো মৃত্যু নিয়ে এভাবে গল্প বানিয়ে ছড়ানো অত্যন্ত অমানবিক। একজন পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়েছে, বন্ধুরা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে। তাই এই কঠিন মুহূর্তে তিনি সবার কাছে অনুরোধ করেছেন, যেন বৈশাখের পরিবার ও প্রিয়জনদের শোক প্রকাশের শান্তি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মন্তব্যের ঘরটিও বন্ধ করে দিয়ে তিনি লিখেছেন, 'আপনাদের পায়ে পড়ি, এবার এই জল্পনা বন্ধ করুন।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের গারোবাজারে সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল করার অভিযোগে একটি ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় খাস জমির উপরে অবৈধভাবে নির্মিত ০৪টি দোকানঘর অপসারণ করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় মহিষমারা ইউনিয়নের ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও মধুপুর থানার পুলিশ সদস্যবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করেন।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নঈম উদ্দীন।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের একীভূত হওয়া শরীয়াহ্ভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে, এই বিষয়ে তিনি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত আমানত রক্ষা করা। একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে আপাতত ২ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। একইসঙ্গে, ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা ডিপিএস হিসাবের জন্যও ২ লাখ টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে।
এছাড়া, বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে আমানতকারীদের জন্য বড় ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, এ বিষয়ে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, কিডনি ডায়ালাইসিস, ক্যান্সার ও অন্যান্য জটিল ও ব্যয়বহুল রোগে আক্রান্ত আমানতকারীরা এবং যাঁরা হজের উদ্দেশ্যে অর্থ সঞ্চয় করেছিলেন, তাঁদের জন্য বিশেষ মানবিক ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বহুল আলোচিত ‘ব্যাংক রেজুলিউশন আইন, ২০২৬’ এর একটি বিতর্কিত ধারা বাতিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাংক রেজুলিউশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারাটি নিয়ে বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে একাধিক মতামত ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এই সার্বিক পরিস্থিতি মাথায় রেখে সরকার আলোচনার ভিত্তিতে এই বিতর্কিত ধারাটিকে পুরোপুরি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা সুদের টাকা নিয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে দুই গ্রামের লোকজন। এই ঘটনায় সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়াসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের কালিকচ্ছ বাজারে স্থানীয় সূর্যকান্দি ও ধরন্তি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সূর্যকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোশারফ মিয়া, পার্শ্ববর্তী ধরন্তি গ্রামের খাদেম মোল্লার কাছে সুদের এক লাখ টাকা পাবেন বলে দাবি করেছেন। কিন্তু খাদেম মোল্লা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর রোববার (২৮ জুন) রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে মো. খাদিম নামে একজন নিহত হন।
এ ঘটনার পর সোমবার দুপুরে নিহত খাদিমের জানাজার নামাজের পর আবারও দুই গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার চোখে ঢিল লাগে, ফলে তিনি আহত হন।
ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ উপস্থিত হয়ে রাতে সাড়ে ৮টার দিকে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে, কিন্তু গতকালের সংঘর্ষে একজন নিহতের সূত্রে এখনো থানায় কেউ মামলার এজহার নিয়ে আসেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ